...
...
Next Story

Trains losing superfast status: 'সুপারফাস্ট' তকমা হারাল ১০ ট্রেন, কমবে ভাড়া, সবগুলিই যোগ আছে পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে

খাতায়কলমেই সুপারফাস্ট ট্রেন, বাস্তবে সময়ের কোনও ঠিক-ঠিকানা নেই, স্রেফ বেশি ভাড়া নেওয়া হয় - ভারতীয় রেলের বিরুদ্ধে হামেশাই এরকম অভিযোগ ওঠে। সেই আবহে পাঁচ জোড়া ট্রেনের সুপারফাস্ট তকমা সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

Published on: Feb 20, 2026, 07:10:02 IST
Advertisement

কমপক্ষে ১০টি (পাঁচ জোড়া) ট্রেনের 'সুপারফাস্ট' তকমা চলে গেল। সূত্র উদ্ধৃত করে সংবাদমাধ্যম ‘লাইভ হিন্দুস্তান’-র প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, সংসদীয় কমিটির তিরস্কারের পরে ভারতীয় রেলের তরফে ওই পাঁচ জোড়া ট্রেনের সুপারফাস্ট তকমা সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তার ফলে একধাক্কায় ওই ট্রেনগুলির ভাড়া কিছুটা কমে যাবে। কারণ সুপারফাস্ট তকমা দিয়ে যাত্রীদের থেকে সারচার্জ নেওয়া হত। বেশি ভাড়া গুনতে হত যাত্রীদের। এখন 'সুপারফাস্ট' তকমা চলে যাওয়ায় ওই ট্রেনগুলিতে কম ভাড়া দিতে হবে।

ওই ট্রেনগুলির ভাড়া কতটা কমে যাবে?

পাঁচ জোড়া ট্রেনের সুপারফাস্ট তকমা সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্যে Southern Railways)
পাঁচ জোড়া ট্রেনের সুপারফাস্ট তকমা সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্যে Southern Railways)

সূত্র উদ্ধৃত করে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, সুপারফাস্ট তকমা হারানোয় আগামী ১৩ এপ্রিল থেকে ওই ট্রেনগুলির ভাড়া পাঁচ থেকে ১২ শতাংশ পর্যন্ত কমে যেতে পারে।

১) স্লিপার ক্লাস: আট শতাংশ কমতে পারে ভাড়া।

২) এসি-২ টিয়ার এবং এসি-৩ টিয়ার: ভাড়া কমে যেতে পারে চার শতাংশ।

৩) এসি ফার্স্ট ক্লাস: দু'শতাংশ ভাড়া হ্রাস পেতে পারে।

৪) জেনারেল কোচ: ১০-১২ শতাংশ কমে যেতে পারে ভাড়া।

কিন্তু কেন সুপারফাস্ট তকমা কেড়ে নেওয়া হচ্ছে?

ওই প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, সংসদীয় কমিটির যে রিপোর্ট জমা পড়েছে, তাতে বলা হয়েছে যে সুপারফাস্ট ট্রেন হওয়ার জন্য ঘণ্টায় যে গতিতে দৌড়ানোর কথা, তা পূরণ করতে পারছে না রেল। আধিকাারিকরা দাবি করেছেন, তথ্য খতিয়ে দেখে জানা গিয়েছে যে সুপারফাস্ট হওয়ার শর্তপূরণ করতে পারছে না ওই পাঁচ জোড়া ট্রেন। কিন্তু স্রেফ কাগজে-কলমে সুপারফাস্ট তকমা চাপিয়ে যাত্রীদের থেকে বেশি টাকা নেওয়া হচ্ছে।

ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, যে ১০টি ট্রেনের ট্রেনের সুপারফাস্ট তকমা চলে গিয়েছে, তার প্রতিটির সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের যোগাযোগ রয়েছে। ওই ট্রেনগুলি পশ্চিমবঙ্গের হাওড়া থেকে উত্তর ভারতের কোনও শহরে চলাচল করে। কোন কোন ট্রেন সুপারফাস্ট তকমা হারাল, সেই তালিকা দেখে নিন -

১) বিভূতি এক্সপ্রেস: হাওড়া-প্রয়াগরাজ রামবাগ-হাওড়া

২) নেতাজি এক্সপ্রেস: হাওড়া-কালকা-হাওড়া

৩) উপাসনা এক্সপ্রেস: হাওড়া-দেরাদুন-হাওড়া

৪) কুম্ভ এক্সপ্রেস: হাওড়া-দেরাদুন-হাওড়া

৫) হিমগিরি এক্সপ্রেস: হাওড়া-জম্মু তাওয়াই-হাওড়া

 
ABOUT THE AUTHOR
Ayan Das

অয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।

SHARE THIS ARTICLE ON
Notifications

Get breaking alerts directly from the newsroom

Notifications are on!You'll be notified when news breaks