Suvendu on TMC MLAs: ‘তৃণমূলের অনেক বিধায়ক বলছেন যে আমরা স্বাধীনতা পেলাম’, জল্পনা উসকে দিলেন শুভেন্দু
Suvendu on TMC MLAs: ভবানীপুরের বিধায়ক হিসেবে শপথগ্রহণ করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আর বিধানসভার প্রথম দিনই তিনি বললেন যে ‘তৃণমূলের অনেক বিধায়ক বলছেন যে আমরা স্বাধীনতা পেলাম’। যা নিয়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছে।
Suvendu on TMC MLAs: অষ্টাদশ বিধানসভার প্রথম দিনেই ইঙ্গিতবাহী মন্তব্য করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বুধবার ভবানীপুরের বিধায়ক হিসেবে শপথ নেওয়ার পরে বিধানসভা কক্ষের বাইরে বেরিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমি নাম না করে বলছি, তৃণমূলের একাধিক বিধায়ক আমায় বলেছেন যে আমরা স্বাধীনতা পেলাম।’ আর সেই মন্তব্যের পরই প্রশ্ন উঠেছে যে একাধিক তৃণমূল বিধায়ক যে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার জল্পনা চলছে, সেই জল্পনাই কি উসকে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী? শুভেন্দু কিছু না বললেও সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে যে সেই কাজটাই করেছেন তিনি।

নন্দীগ্রাম ছাড়লেন শুভেন্দু, ভবানীপুরের বিধায়ক তিনি
তারইমধ্যে শুভেন্দু আশ্বস্ত করেছেন যে সংবিধানের নিয়ম মেনে তাঁকে নন্দীগ্রাম আসন ছেড়ে দিতে হয়েছে। কিন্তু নন্দীগ্রামের মানুষকে বুঝতে দেবেন না যে নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু নন। তাঁর কথায়, 'আমি দু'জায়গার বিধায়ক হিসেবে তো শপথ নিতে পারি না। আমি ভবানীপুর থেকে শপথ নিলাম মানে সংবিধান ও আইন অনুযায়ী আমায় নন্দীগ্রাম ছাড়তে হবে।'
'নন্দীগ্রামকে বুঝতে দেব না যে শুভেন্দু অধিকারী বিধায়ক নয়'
সেইসঙ্গে তিনি বলেন, ‘ছাড়লেও আমি নন্দীগ্রামের মানুষকে কথা দিতে পারি, ২০০৯ সালের ৫ জানুয়ারি ফিরোজা বিবিকে জেতানোর পর থেকে বিধায়ক না থেকেও আমি নন্দীগ্রামের সব দেখাশোনা করেছি। এখানেও একজন প্রতিনিধি থাকবেন বা তাঁকে নন্দীগ্রামের মানুষ নির্বাচিত করবেন। কিন্তু নন্দীগ্রামে বিধায়কের পরিষেবা থেকে শুরু করে আমি নির্বাচন চলাকালীন যে সমস্ত উন্নয়নের কর্মসূচির (প্রতিশ্রুতি) দিয়েছিলাম, আমি অন্য এলাকার উন্নয়নের সঙ্গে-সঙ্গে নন্দীগ্রামে দেওয়াও আমার কথা কার্যকর করব। নন্দীগ্রামের মানুষকে আগামী পাঁচ বছর বুঝতে দেব না যে তাঁদের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী নয়।’
মুখ্যমন্ত্রী আর কী কী বললেন?
১) শুভেন্দু: বিধানসভায় কোনও কিছু গোপন থাকবে না।
২) মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেছেন যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী পেট্রোল ও ডিজেল ব্যবহার কমানোর যে আর্জি জানিয়েছেন, সেটা মেনে তাঁর কনভয়ের গাড়ির সংখ্যাও কমিয়ে ফেলেছেন। কারণ প্রধানমন্ত্রী যে আর্জি জানিয়েছেন, তা দৃষ্টান্তমূলক বলে দাবি করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


