Ex BDO Shanu Bakshi Update: রাজ্য প্রশাসনে গুরুত্বপূর্ণ রদবদলের অংশ হিসেবে বিডিও পদ থেকে অপসারিত হলেন শানু বক্সি। নবান্নের জারি করা নতুন নির্দেশিকা অনুযায়ী তাঁকে ব্লক ডেভেলপমেন্ট অফিসারের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে স্টেট গেজেটিয়ার্স দফতরের ওএসডি (অফিসার অন স্পেশাল ডিউটি) পদে নিয়োগ করা হয়েছে। একইসঙ্গে তাঁর জায়গায় নতুন বিডিও হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ধ্রুবাশিস সামন্তকে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, শানু বক্সি অতীতে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফলতা ব্লকের বিডিও হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে তাঁকে ফলতায় নিয়ে আসা হয়েছিল। তবে পরবর্তী সময়ে ভোটের আগে নির্বাচন কমিশন তাঁকে ওই পদ থেকে সরিয়ে দেয়। এরপর তিনি মালদহ জেলার হরিশ্চন্দ্রপুর-১ ব্লকের বিডিও হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
সাম্প্রতিক সময়ে শানু বক্সিকে ঘিরে একাধিক বিতর্ক সামনে আসে। ফলতার প্রাক্তন বিধায়ক জাহাঙ্গির খানের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠতা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়। বিশেষ করে ফলতার বিজেপি নেতা অভিজিৎ দাস ওরফে ববি কয়েকটি কথোপকথনের স্ক্রিনশট প্রকাশ করে নানা অভিযোগ তুলেছিলেন। তাঁর দাবি ছিল, ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে ফলতা এলাকায় বিপুল ভোটের ব্যবধানের পিছনে অনিয়মের ভূমিকা থাকতে পারে। যদিও সেই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেন শানু বক্সি। তাঁর বক্তব্য ছিল, ভাইরাল হওয়া কথোপকথনগুলি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছে।
এছাড়াও শানু বক্সির বিরুদ্ধে জমি কেনাবেচা সংক্রান্ত বিতর্কও সামনে আসে। অভিযোগ ওঠে, মালবাজারে একটি জমি বাজারদরের তুলনায় অনেক কম দামে কেনা হয়েছিল। যদিও তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে সমস্ত অভিযোগ খারিজ করে দেওয়া হয় এবং নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানানো হয়। এমনকী শানুর বিরুদ্ধে বাংলাদেশি পাচারকারীদের সঙ্গে যোগাযগ থাকার অভিযোগ পর্যন্ত তোলা হয়।
{{/usCountry}}এছাড়াও শানু বক্সির বিরুদ্ধে জমি কেনাবেচা সংক্রান্ত বিতর্কও সামনে আসে। অভিযোগ ওঠে, মালবাজারে একটি জমি বাজারদরের তুলনায় অনেক কম দামে কেনা হয়েছিল। যদিও তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে সমস্ত অভিযোগ খারিজ করে দেওয়া হয় এবং নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানানো হয়। এমনকী শানুর বিরুদ্ধে বাংলাদেশি পাচারকারীদের সঙ্গে যোগাযগ থাকার অভিযোগ পর্যন্ত তোলা হয়।
{{/usCountry}}এদিকে শানুর পাশাপাশি নদিয়ার কৃষ্ণনগর-১ ব্লকের বিডিও রঞ্জন সর্দারকেও স্টেট গেজেটিয়ার্স দফতরের ওএসডি পদে পাঠানো হয়েছে একই নির্দেশিকয়। তাঁর জায়গায় দায়িত্ব পেয়েছেন গার্গী দাস। ফলে রাজ্যের প্রশাসনিক কাঠামোয় একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদে পরিবর্তন আনা হয়েছে। শানু বক্সিকে বিডিও পদ থেকে সরানোর সিদ্ধান্তকে ঘিরে প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক মহলে যথেষ্ট আলোচনা শুরু হয়েছে। সাম্প্রতিক বিতর্কের আবহে নবান্নের এই পদক্ষেপ বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।