অভিনেতা জীতু কামাল বনাম তৃণমূল সাংসদ তথা অভিনেত্রী সায়নী ঘোষের তরজা নতুন করে চাঞ্চল্য যোগ করেছে ইন্ডাস্ট্রির অন্দরে। অভিনেতার দাবি ছিল, তিনি সায়নীর থেকে হুমকিও পেয়েছেন বলে। সেই বিতর্কের সূত্রপাত ২০২২ সালের এক দুর্ঘটনাকে কেন্দ্র করে। তবে এবার সায়নী ঘোষের পোস্ট অন্য এক বিষয়কে কেন্দ্র করে।

সদ্য ২০২৬ বিধানসভা ভোটে ধরাশায়ী তৃণমূল কংগ্রেস। এরপর থেকেই তৃণমূলের একাধিক নেতার মুখে দল নিয়ে নানান বিতর্কিতিত মন্তব্য আসে। তাঁদের মধ্যে অনেকেই সিনিয়র নেতা। অস্বস্তিতে পড়ে তৃণমূল। ঘাসফুল শিবিরের একদা নামী বহু নেতাই সংবাদমাধ্যমের সামনে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম নিয়ে মুখ খুলে দলের রোষের মধ্যে পড়েন। কড়া বার্তা আসে ঘাসফুল শিবিরের হাইকমান্ডের থেকে। এবার সায়নী ঘোষের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট খবরে। এক পোস্টে সদ্য সায়নী লিখেছেন,' জয়ের জন্য শুধু জেতার ইচ্ছেটাই বড় নয়, প্রস্তুত থাকার ইচ্ছার দরকার। যখন সবাই হাল ছাড়ছে, তখন হার পেরিয়ে এগিয়ে যাওয়ার দরকার।'
এদিকে, ২০২৬ বিধানসভা ভোটে তৃণমূলের ভরাডুবির পর, কুণাল ঘোষের বিস্ফোরক পোস্ট নিয়ে বহুবার আলোচনা হয়েছে। তিনি এক সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে লেখেন, ‘তাপস রায়কে তৃণমূলে রাখতে চেষ্টা করেছিলাম, পারিনি, দুর্ভাগ্য। সজল পুরপিতাও বটে, উত্তর ও মধ্য কলকাতায় তাপস রায় ও সজল ঘোষদের বাধ্য করা হয়েছিল দল ছাড়তে।’ এরপর তা নিয়েও রাজনৈতিক ময়দানে কাটাছেঁড়া কম হয়নি। তবে সায়নীর পোস্টে ‘এগিয়ে’ যাওয়ার বার্তা রয়েছে। তাঁর এই পোস্টে কোন ইঙ্গিত রয়েছে, তা নিয়েও বেশ কিছু চর্চা রয়েছে।