...
...
Next Story

ভোট কাটবে জেলেই! CBI মামলায় শাহজাহানের জামিন আবেদন খারিজ উচ্চ আদালতের

কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ মেনে উত্তর ২৪ পরগনার সন্দেশখালির ওই ঘটনায় মূল অভিযুক্ত শেখ শাহজাহানের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

Published on: Mar 19, 2026, 20:23:24 IST
Advertisement

বঙ্গ ভোটের আগে সিবিআই মামলায় বড়সড় ধাক্কা খেলেন শেখ শাহজাহান। বৃহস্পতিবার শেখ শাহজাহান ও আলমগীরের জামিনের আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি শুভ্রা ঘোষ। তাঁর বক্তব্য, নতুন করে যে সমস্ত তথ্য এসেছে তার ভিত্তিতে নতুন করে আবেদন জানাতে হবে তাঁদের। তাই এই মুহূর্তে জামিনের আবেদন মানা সম্ভব নয়। বর্তমানে শেখ শাহজাহান কলকাতার প্রেসিডেন্সি কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারে বন্দি রয়েছেন।

শেখ শাহজাহানের জামিন আবেদন খারিজ
শেখ শাহজাহানের জামিন আবেদন খারিজ

শেখ শাহজাহানের আইনজীবীর দাবি ছিল, এই আবেদনের শুনানির সময় সাক্ষীর সংখ্যা ছিল ৮৬। এছাড়াও মাজেদা বিবি, যার বয়ানের ভিত্তিতে শেখ শাহজাহানকে অভিযুক্ত করা হয়েছে, সেই মাজেদা বিবিকে চার্জশিটে অভিযুক্ত করেছে সিবিআই। তাই পুনরায় এই মামলার শুনানি গ্রহণ করা হোক। কিন্তু বিচারপতি শুভ্রা ঘোষ সেই যুক্তিতে গুরুত্ব দেননি। বিচারপতি শুভ্রা ঘোষ বলেছেন, 'নতুন যে-সমস্ত তথ্য সামনে এসেছে, তার ভিত্তিতে নতুন করে আবেদন জানাতে হবে শেখ শাহজাহান ও আলমগীরকে।' সন্দেশখালিতে তিন বিজেপি কর্মীর খুনের ঘটনায় মূল অভিযুক্ত শেখ শাহজাহান। পাশাপাশি রেশন দুর্নীতি মামলার তদন্তে যাওয়া ইডি আধিকারিকদের উপর চক্রান্ত করে হামলার ঘটনায় জেলবন্দিও রয়েছেন। বিজেপি কর্মীদের খুনের ঘটনার পাঁচ বছর পর সিবিআই তদন্ত শুরু করেছে।

কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ মেনে উত্তর ২৪ পরগনার সন্দেশখালির ওই ঘটনায় মূল অভিযুক্ত শেখ শাহজাহানের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। শাহজাহান শুধুমাত্র এই একটি মামলাতেই নয়, ২০২২ সালে অপর একটি খুনের ঘটনায় তাঁর নাম উঠে আসে চার্জশিটে। যদিও সেই মামলায় তিনি জামিন পান। বলে রাখা ভালো, ২০২৪ সালের ৫ জানুয়ারি রেশন দুর্নীতির তদন্তে তাঁর বাড়িতে যাওয়া ইডি ও আধাসেনা জওয়ানদের উপর হামলার অভিযোগে শাহজাহানের বিরুদ্ধে মামলা হয়। এমনকী কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের উপরেও হামলার ঘটনা ঘটে। এই ঘটনার পর প্রায় ৫৫ দিন পর রাজ্য পুলিশের হাতে গ্রেফতার হন শাহজাহান। যদিও পরবর্তী সময়ে এই মামলা অর্থাৎ ইডির উপরে হামলার ঘটনার তদন্তভার যায় সিবিআইয়ের হাতে। সেই সময়ই তাঁর বিরুদ্ধে বিজেপি কর্মী খুনের তো বটেই, সামনে আসে রেশন দুর্নীতি, কৃষিজমি দখল, ভেড়ির লিজ ঘিরে টাকার জালিয়াতি-সহ একাধিক গুরুতর অভিযোগ। স্থানীয় মহিলাদের উপর যৌন নির্যাতনের অভিযোগে উত্তাল হয় সন্দেশখালি। পরবর্তী সময় তাঁকে দল থেকে সাসপেন্ড করে তৃণমূল।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe