...
...
Next Story

Siliguri-Delhi Bullet Train Corridor: শিলিগুড়ি থেকে ৭ ঘণ্টায় দিল্লি! এখন লাগে ৩০ ঘণ্টার মতো, ৩২০ কিমিতে ছুটবে ট্রেন

শিলিগুড়ি থেকে দিল্লিতে মাত্র সাত ঘণ্টায় পৌঁছানো যাবে। সংশ্লিষ্ট মহলের দাবি, দিল্লি-শিলিগুড়ি হাইস্পিড রেল করিডরের ফলে উত্তরবঙ্গ, পূর্ব ভারত এবং উত্তর-পূর্ব ভারতে বাণিজ্য, পর্যটন, শিক্ষা এবং কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে নয়া সুযোগ তৈরি হবে।

Published on: Feb 2, 2026, 09:42:12 IST
Advertisement

শিলিগুড়ি থেকে দিল্লিতে পৌঁছানো যাবে মাত্র সাত ঘণ্টায়। এখন যে পথটা অতিক্রম করতে ২১ ঘণ্টা থেকে ৩০ ঘণ্টার মতো লাগে। রবিবার সাধারণ বাজেটে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন যে সাতটি হাইস্পিড রেল করিডরের (বুলেট ট্রেন করিডর) ঘোষণা করেছেন, সেগুলি বাস্তবায়িত হলে এতটাই তাড়াতাড়ি ট্রেনে করে ১,৫০০ কিলোমিটারের পথ অতিক্রম করা যাবে। যা উত্তরবঙ্গ এবং উত্তর-পূর্ব ভারতের পর্যটনের ক্ষেত্রে নয়া দিগন্ত উন্মোচিত করে দেবে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল। দার্জিলিঙের সাংসদ রাজু বিস্ত দাবি করেছেন, দিল্লি-শিলিগুড়ি হাইস্পিড রেল করিডরের ফলে উত্তরবঙ্গ, পূর্ব ভারত এবং উত্তর-পূর্ব ভারতে বাণিজ্য, পর্যটন, শিক্ষা এবং কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে নয়া সুযোগ তৈরি হবে। সার্বিকভাবে ত্বরান্বিত হবে অর্থনৈতিক উন্নয়নের গতি।

২ দফায় হবে শিলিগুড়ি-দিল্লি হাইস্পিড রেল করিডর

শিলিগুড়ি থেকে দিল্লিতে মাত্র সাত ঘণ্টায় পৌঁছানো যাবে। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্যে সঞ্চিত খান্না/হিন্দুস্তান টাইমস)
শিলিগুড়ি থেকে দিল্লিতে মাত্র সাত ঘণ্টায় পৌঁছানো যাবে। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্যে সঞ্চিত খান্না/হিন্দুস্তান টাইমস)

আর সেই শিলিগুড়ি-দিল্লি হাইস্পিড রেল করিডর তৈরির প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে দুটি দফায়। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী জানিয়েছেন, শিলিগুড়ি থেকে বারাণসী পর্যন্ত হাইস্পিড রেল করিডর তৈরি হবে। তাছাড়াও দিল্লি-বারাণসী হাইস্পিড রেল করিডর তৈরির প্রস্তাব দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। ফলে দিল্লি থেকে সরাসরি হাইস্পিড ট্রেন চালানো যাবে শিলিগুড়ি পর্যন্ত।

১৭ ঘণ্টার যাত্রা হবে সাড়ে ৩ ঘণ্টায়

এমনিতে শিলিগুড়ি থেকে বারাণসীর মধ্যে দূরত্ব হল ৭০০ কিলোমিটারের মধ্যে। সাধারণত ট্রেনে করে ওই পথটা যেতে ১৩ ঘণ্টা থেকে ১৭ ঘণ্টা মতো লাগে। তেজস এক্সপ্রেস হলে আরও কিছুটা কম সময় লাগবে। রেল আধিকারিকদের বক্তব্য, হাইস্পিড রেল করিডর চালু হয়ে গেলে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৩২০ কিলোমিটার বেগে ছুটবে ট্রেন। ফলে সাড়ে তিন ঘণ্টারও কম সময় শিলিগুড়ি থেকে বারাণসীতে পৌঁছে যেতে পারবেন।

শিলিগুড়ি-বারাণসী, তারপর বারাণসী-নয়াদিল্লি

আবার বারাণসী থেকে নয়াদিল্লির দূরত্ব মোটামুটি ৮০০ কিলোমিটারের মতো। আপাতত সেমি-হাইস্পিড ট্রেন বন্দে ভারত এক্সপ্রেসে সেই পথটা অতিক্রম করতে আট ঘণ্টার মতো লাগে। রেলকর্তাদের বক্তব্য, হাইস্পিড রেল করিডরে বুলেট ট্রেন ছুটলে ওই পথটাই সাড়ে তিন ঘণ্টায় দিল্লি থেকে বারাণসী পৌঁছে যেতে পারবেন। আর সেটার নিরিখে দিল্লি থেকে শিলিগুড়ি পর্যন্ত ১,৫০০ কিমির মতো রাস্তা অতিক্রম করতে সাত ঘণ্টার মতো লাগবে।

 
ABOUT THE AUTHOR
Ayan Das

অয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe