নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং সিঙ্গাপুর-ভিত্তিক শিল্পপতি প্রসূন মুখোপাধ্যায়ের সৌজন্যমূলক বৈঠককে ঘিরে রাজ্যের শিল্পমহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। সোমবার অনুষ্ঠিত এই সাক্ষাৎকে পশ্চিমবঙ্গে সম্ভাব্য শিল্প বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহলের একাংশ।

মুখ্যমন্ত্রী পদে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই শুভেন্দু অধিকারী বারবার শিল্পায়ন এবং কর্মসংস্থান বৃদ্ধিকে সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার বলে তুলে ধরেছেন। সেই প্রেক্ষাপটে বহুজাতিক সংস্থা ‘ইউনিভার্সাল সাকসেস এন্টারপ্রাইজেস লিমিটেড’-এর চেয়ারম্যান প্রসূন মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে তাঁর বৈঠক বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে। শিল্পমহলের প্রশ্ন, এই বৈঠকের ফলে কি পশ্চিমবঙ্গে নতুন বিনিয়োগের পথ খুলতে চলেছে? যদিও এ বিষয়ে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হয়নি, তবু সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
বৈঠকের পর মুখ্যমন্ত্রী নিজের এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডেলে একটি বার্তা পোস্ট করেন। সেখানে তিনি জানান, প্রসূন মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ অত্যন্ত আনন্দদায়ক ছিল এবং তিনি নবান্নে সৌজন্যমূলক বৈঠকের জন্য এসেছিলেন। একই সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে ভবিষ্যতে দুই পক্ষের মধ্যে ফলপ্রসূ সহযোগিতার সম্পর্ক গড়ে উঠতে পারে, যা রাজ্যের প্রবৃদ্ধি ও কৌশলগত উন্নয়নের নতুন ক্ষেত্র উন্মোচন করবে।
শুভেন্দু অধিকারী তাঁর বার্তায় আরও বলেন, এই ধরনের সহযোগিতার মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গের মানুষের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি করা এবং একটি উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ নির্মাণ সম্ভব হবে। তাঁর এই মন্তব্যের পর থেকেই শিল্প ও বিনিয়োগ সংক্রান্ত মহলে বৈঠকটি নিয়ে আগ্রহ আরও বেড়েছে।
অন্যদিকে, রাজ্যে শিল্প বিনিয়োগের ইতিবাচক পরিবেশ তৈরির লক্ষণ ইতিমধ্যেই দেখা যাচ্ছে। সম্প্রতি গুজরাটের দুগ্ধ সমবায় সংস্থা আমূল হাওড়ার সাঁকরাইলে বড় বিনিয়োগের ঘোষণা করেছে। সেখানে দেশের অন্যতম বৃহৎ দই উৎপাদন কেন্দ্র গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। শুধু দক্ষিণবঙ্গেই নয়, উত্তরবঙ্গেও ব্যবসা সম্প্রসারণের রূপরেখা তৈরি করছে সংস্থাটি।
{{/usCountry}}অন্যদিকে, রাজ্যে শিল্প বিনিয়োগের ইতিবাচক পরিবেশ তৈরির লক্ষণ ইতিমধ্যেই দেখা যাচ্ছে। সম্প্রতি গুজরাটের দুগ্ধ সমবায় সংস্থা আমূল হাওড়ার সাঁকরাইলে বড় বিনিয়োগের ঘোষণা করেছে। সেখানে দেশের অন্যতম বৃহৎ দই উৎপাদন কেন্দ্র গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। শুধু দক্ষিণবঙ্গেই নয়, উত্তরবঙ্গেও ব্যবসা সম্প্রসারণের রূপরেখা তৈরি করছে সংস্থাটি।
{{/usCountry}}এই পরিস্থিতিতে প্রবাসী বাঙালি শিল্পপতি প্রসূন মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর বৈঠককে ভবিষ্যতের সম্ভাব্য শিল্প সহযোগিতার সূচনা হিসেবে দেখছেন অনেকেই। বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান এবং শিল্পোন্নয়নের নতুন দিগন্ত উন্মোচনে এই বৈঠক কতটা কার্যকর ভূমিকা নেয়, এখন সেদিকেই নজর রাজ্যের শিল্পমহল ও সাধারণ মানুষের।