...
...
Next Story

SIR in Bengal: 'ডিটেনশন ক্যাম্পে যাওয়ার...,' SIR-এ নাম বাদ, দল বেঁধে রাষ্ট্রপতির কাছে ‘স্বেচ্ছামৃত্যু’র আর্জি

SIR in Bengal: আবেদনকারীদের সঙ্গে মহকুমা শাসকের দফতরে উপস্থিত ছিলেন ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর স্বপন নন্দী। তৃণমূলের পক্ষ থেকে এই ঘটনার জন্য সরাসরি বিজেপি ও নির্বাচন কমিশনকে দায়ী করা হয়েছে।

Published on: Apr 14, 2026, 20:28:15 IST
Advertisement

SIR in Bengal: স্বাধীন দেশে থেকেও কি তবে ‘পরাধীন’? অশান্ত মস্তিস্কে এমন ভয়াবহ চিন্তার চাষ করছেন কারা? ঘটনাটি হুগলি জেলার আরামবাগের। এসআইআর প্রক্রিয়ায় নাম কাটা যাওয়ায় জীবনের শেষ দিনগুলো ‘ডিটেনশন ক্যাম্প’-এ কাটানোর আশঙ্কায় ভুগছেন সাধারণ মানুষ। আর সেই ভয় থেকেই সোমবার দুপুরে আরামবাগ মহকুমা শাসকের দফতরে গিয়ে দেশের রাষ্ট্রপতির কাছে ‘স্বেচ্ছামৃত্যু’র আবেদন জানালেন ছ’জন বাসিন্দা। তাঁদের এই নজিরবিহীন পদক্ষেপ ঘিরে শোরগোল পড়ে গিয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে।

দল বেঁধে রাষ্ট্রপতির কাছে ‘স্বেচ্ছামৃত্যু’র আর্জি (PTI)
দল বেঁধে রাষ্ট্রপতির কাছে ‘স্বেচ্ছামৃত্যু’র আর্জি (PTI)

রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের মধ্যে ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ যাওয়ার আতঙ্ক কোন চরম পর্যায়ে পৌঁছতে পারে, সোমবার দুপুরে তার সাক্ষী থাকল আরামবাগ মহকুমা শাসকের দফতর। শরীরে নিজেদের যাবতীয় পরিচয়পত্র ও নথির প্রতিলিপি সেঁটে প্রতিবাদী বেশে হাজির হন আরামবাগ পুরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ছয় বাসিন্দা। সূত্রের খবর, ওই একটি ওয়ার্ড থেকেই এসআইআর-এর ধাক্কায় ২০৬ জনের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে। আবেদনকারীদের দাবি, তাঁরা এই দেশেরই ভূমিপুত্র। কিন্তু ভোটার তালিকা থেকে নাম মুছে যাওয়ায় তাঁরা আজ ভিটেমাটি হারানোর আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন। আবেদনকারীদের অভিযোগের মূল সুরটি হল-'ডিটেনশন ক্যাম্পে যাওয়ার চেয়ে মৃত্যু ভালো।'

আবেদনকারীদের বয়ানে উঠে এসেছে এক গভীর যন্ত্রণা। তাঁরা জানান, 'আমরা স্বাধীন ভারতে জন্মেছি, বড় হয়েছি। কিন্তু ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ যাওয়ার পর মনে হচ্ছে আমরা যেন নতুন করে পরাধীন হয়ে পড়েছি।' তাঁদের আশঙ্কা, নাম না থাকায় এবার তাঁদের ডিটেনশন ক্যাম্পে পাঠিয়ে দেবে। তাঁদের স্পষ্ট কথা, 'ডিটেনশন ক্যাম্পে গিয়ে পশুর মতো জীবন কাটানোর চেয়ে স্বেচ্ছামৃত্যুই শ্রেয়। তাই রাষ্ট্রপতির কাছে আমাদের আবেদন, আমাদের মরে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হোক।' অন্যদিকে, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তপ্ত আরামবাগের রাজনৈতিক আঙিনা। আবেদনকারীদের সঙ্গে মহকুমা শাসকের দফতরে উপস্থিত ছিলেন ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর স্বপন নন্দী। তৃণমূলের পক্ষ থেকে এই ঘটনার জন্য সরাসরি বিজেপি ও নির্বাচন কমিশনকে দায়ী করা হয়েছে। তাদের দাবি, সাধারণ মানুষের মনে এনআরসি বা ডিটেনশন ক্যাম্পের জুজু ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, পাল্টা সুর চড়িয়েছে বিজেপিও। গেরুয়া শিবিরের দাবি, তৃণমূল ইচ্ছাকৃতভাবে সাধারণ মানুষের মধ্যে ভয়ের পরিবেশ তৈরি করছে। মৃত্যুর আবেদন করিয়ে ভোটের মুখে নোংরা রাজনীতি করতে চাইছে শাসক দল।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe