Sourav Ganguly: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্য ইউসুফ পাঠানকে তাঁর লোকসভা আসন ছেড়ে দিতে বলেছিলেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়, এমনই দাবি করে সম্প্রতি আনন্দবাজার পত্রিকায় একটি রিপোর্টে দাবি করা হয়েছিল। যার পরে রাজ্য রাজনীতিতে জোর চর্চা শুরু হয়। তবে আজ সেই রিপোর্টের দাবিটিকে খারিজ করে বিবৃতি জারি করলেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। তিনি দাবি করেন, মমতার হয়ে এই ধরনের কোনও বার্তা তিনি ইউসুফ পাঠানকে দেননি।

বিবৃতিতে প্রাক্তন বিসিসিআই সভাপতি বলেন, 'গত ৪ জুন ২০২৬ তারিখে ‘আনন্দবাজার পত্রিকা’-র প্রথম পাতায় প্রকাশিত 'একের বিরুদ্ধে এক সূত্র নিয়ে দিল্লি যাচ্ছেন মমতা' শীর্ষক প্রতিবেদনে আমার সম্পর্কে যে তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভুল ও অসত্য। সেই প্রসঙ্গেই এই বিবৃতি। উক্ত প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে যে, আমি নাকি প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হয়ে বহরমপুর লোকসভা কেন্দ্রের বর্তমান সাংসদ ইউসুফ পাঠানের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। আরও বলা হয়েছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বার্তা পৌঁছে দিয়ে তাঁকে সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছি, যাতে ওই কেন্দ্রে উপনির্বাচনে তিনি প্রার্থী হতে পারেন। প্রতিবেদনে এ-ও দাবি করা হয়েছে যে, ইউসুফ পাঠান সেই প্রস্তাবে সম্মত হননি। আমি স্পষ্টভাবে জানাতে চাই, এই সমস্ত অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং অসত্য। সংবাদমাধ্যমের কাছে আমার আবেদন, কোনও গুজব বা জল্পনার ভিত্তিতে সংবাদ প্রকাশের আগে তথ্যের সত্যতা যাচাই করা হোক। অত্যন্ত দুঃখজনক যে, আমার বিরুদ্ধে এই ধরনের অভিযোগ প্রকাশের আগে তথ্য যাচাইয়ের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করা হয়নি।'
এরপর সৌরভের বিবৃতিতে আরও বলা হয়, 'এমন সংবেদনশীল বিষয় প্রকাশের আগে যথাযথ সতর্কতা অবলম্বন করে তথ্য যাচাই করা উচিত ছিল। আমি জানাতে চাই যে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কখনও আমাকে ইউসুফ পাঠানের কাছে কোনও বার্তা পৌঁছে দেওয়ার অনুরোধ করেননি। সাংসদ পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর বিষয়ে বা অন্য কোনও বিষয়ে আমি তাঁর হয়ে কোনও বার্তা বহন করিনি। শুধু তাই নয়, আমি কোনও সময়েই ইউসুফ পাঠানের সঙ্গে এ ধরনের কোনও অনুরোধ বা বার্তা নিয়ে যোগাযোগ করিনি। সুতরাং, প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে ইউসুফ পাঠান আমার মাধ্যমে পৌঁছানো বার্তার প্রতি কোনও প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন— সেই প্রশ্নই ওঠে না। কারণ এমন কোনও যোগাযোগ বা বার্তা আদান-প্রদান কখনও ঘটেনি। আমি জীবনের কোনও পর্যায়েই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে রাজনৈতিক বিষয়ে জড়িত ছিলাম না।'
{{/usCountry}}এরপর সৌরভের বিবৃতিতে আরও বলা হয়, 'এমন সংবেদনশীল বিষয় প্রকাশের আগে যথাযথ সতর্কতা অবলম্বন করে তথ্য যাচাই করা উচিত ছিল। আমি জানাতে চাই যে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কখনও আমাকে ইউসুফ পাঠানের কাছে কোনও বার্তা পৌঁছে দেওয়ার অনুরোধ করেননি। সাংসদ পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর বিষয়ে বা অন্য কোনও বিষয়ে আমি তাঁর হয়ে কোনও বার্তা বহন করিনি। শুধু তাই নয়, আমি কোনও সময়েই ইউসুফ পাঠানের সঙ্গে এ ধরনের কোনও অনুরোধ বা বার্তা নিয়ে যোগাযোগ করিনি। সুতরাং, প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে ইউসুফ পাঠান আমার মাধ্যমে পৌঁছানো বার্তার প্রতি কোনও প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন— সেই প্রশ্নই ওঠে না। কারণ এমন কোনও যোগাযোগ বা বার্তা আদান-প্রদান কখনও ঘটেনি। আমি জীবনের কোনও পর্যায়েই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে রাজনৈতিক বিষয়ে জড়িত ছিলাম না।'
{{/usCountry}}