...
...
Next Story

Sovandeb on Signature Controversy: 'কে সই করেছে জানি না, তবে বাহারুল বলেছে সই তাঁর না', সই বিতর্কে বললনে শোভনদেব

বিরোধী দলনেতা হিসেবে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের নাম প্রস্তাব করে যে নথি জমা দেওয়া হয়েছিল, সেই নথির কয়েকটি স্বাক্ষর নিয়ে অসঙ্গতির অভিযোগ ওঠে। এরপর বিধানসভার তরফে হেয়ার স্ট্রিট থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই তদন্ত শুরু করে সিআইডি।

Published on: May 30, 2026 11:21 AM IST
Advertisement

বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা, উপদলনেতা এবং মুখ্যসচেতক নির্বাচনের প্রক্রিয়াকে ঘিরে তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে নতুন করে অস্বস্তি তৈরি হয়েছে। পরিষদীয় দলের তরফে স্পিকারের কাছে জমা দেওয়া সমর্থনপত্রে কার সই কে করেছেন, সেই প্রশ্ন ঘিরেই এখন রাজনৈতিক মহলে তীব্র চর্চা শুরু হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে তদন্তে নেমেছে সিআইডি। ফলে দলের ভিতরে ফাটল এবং পারস্পরিক অবিশ্বাসের জল্পনাও আরও জোরালো হয়েছে।

বিরোধী দলনেতা হিসেবে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের নাম প্রস্তাব করে যে নথি জমা দেওয়া হয়েছিল, সেই নথির কয়েকটি স্বাক্ষর নিয়ে অসঙ্গতির অভিযোগ ওঠে। (PTI)
বিরোধী দলনেতা হিসেবে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের নাম প্রস্তাব করে যে নথি জমা দেওয়া হয়েছিল, সেই নথির কয়েকটি স্বাক্ষর নিয়ে অসঙ্গতির অভিযোগ ওঠে। (PTI)

সূত্রের খবর, বিরোধী দলনেতা হিসেবে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের নাম প্রস্তাব করে যে নথি জমা দেওয়া হয়েছিল, সেই নথির কয়েকটি স্বাক্ষর নিয়ে অসঙ্গতির অভিযোগ ওঠে। এরপর বিধানসভার তরফে হেয়ার স্ট্রিট থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই তদন্ত শুরু করে সিআইডি। তদন্তকারীরা একাধিক তৃণমূল বিধায়কের বাড়িতে গিয়ে তাঁদের স্বাক্ষর যাচাই করছেন এবং নমুনা সংগ্রহ করছেন।

বৃহস্পতিবার রাতে চৌরঙ্গীর বিধায়ক নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়, ডোমজুড়ের বিধায়ক তাপস মাইতি এবং ক্যানিং পূর্বের বিধায়ক বাহারুল ইসলামের বাড়িতে যান সিআইডি আধিকারিকরা। পরে শুক্রবার সকালে বোলপুরের বিধায়ক চন্দ্রনাথ সিনহার বাড়িতেও পৌঁছয় তদন্তকারী দল। বাহারুল ইসলাম তদন্তকারীদের জানান, ৬ মে তিনি কোনও বৈঠকে যোগ দেননি এবং যে স্বাক্ষর তাঁকে দেখানো হয়েছে, সেটি তাঁর নয়। তিনি দাবি করেন, ভোট-পরবর্তী হিংসার কারণে ওই দিন তিনি নিজের বাড়িতেই ছিলেন।

অন্যদিকে, তাপস মাইতি সিআইডিকে জানিয়েছেন যে সংশ্লিষ্ট স্বাক্ষরটি তাঁরই। আবার চন্দ্রনাথ সিনহার ক্ষেত্রে দেখা যায়, শপথ গ্রহণের সময় তিনি বাংলায় স্বাক্ষর করেছিলেন, অথচ বিরোধী দলনেতা নির্বাচনের সমর্থনপত্রে তাঁর নামে ইংরেজিতে সই রয়েছে বলে তদন্তকারী সূত্রের দাবি। সেই কারণেই তাঁর স্বাক্ষরের নমুনা সংগ্রহ করে ভিডিও রেকর্ডিংয়ের মাধ্যমে যাচাই প্রক্রিয়া চালানো হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে তৃণমূলের প্রবীণ নেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, কাউকে জোর করে সই করানো হয়নি। তবে কে স্বাক্ষর করেছে, তা তিনি জানেন না বলেও মন্তব্য করেছেন। বালিগঞ্জের বিধায়ক বলেন, 'আমি কোনও বেআইনি কাজের বিরুদ্ধে। আমরা কাউকে দিয়ে জোর করে সই করাইনি। কে লিখেছে জানি না। তবে বাহারুল ওই সইটি দেখে বলেছেন ওটা ওঁর সই নয়।'

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe