...
...
Next Story

Opposition Leader in Bengal Assembly: খারিজ অভিষেকের চিঠি! বিধানসভার বিরোধী দলনেতার নাম বাছাই নিয়ে জট, ক্ষুব্ধ শোভনদেব

Opposition Leader in Bengal Assembly: বিধানসভার নিয়ম অনুযায়ী, পরিষদীয় দল সংক্রান্ত যে কোনও চিঠি বা দাবি জানানোর এক্তিয়ার শুধুমাত্র সেই দলের বিধায়কদেরই রয়েছে। বিধানসভা সচিবালয় সূত্রে খবর, কোনও দল কিংবা দলের সাধারণ সম্পাদকের লেটারহেডে লিখে এভাবে বিধানসভার বিরোধী দলনেতার নাম জানানো নিয়ম বহির্ভূত।

Published on: May 19, 2026, 14:08:13 IST
Advertisement

Opposition Leader in Bengal Assembly: ভোটে ভরাডুবি। সরকার পক্ষ থেকে তৃণমূল কংগ্রেস এখন বিরোধী পক্ষ। কিন্তু বিধানসভায় জটিলতা তারপরেও। বালিগঞ্জের প্রবীণ বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে তৃণমূলের পরিষদীয় দলের নেতা (বিরোধী দলনেতা) নির্বাচিত করা হলেও, বিধানসভায় তাঁর বসার ঘর পাওয়া নিয়ে তৈরি হলো তীব্র আইনি ও রাজনৈতিক জটিলতা। সোমবারও বিধানসভার বিরোধী দলনেতার ঘরটি তালাবন্ধ হয়েই থাকল। আর এই ঘটনার নেপথ্যে উঠে এসেছে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি চিঠি, যাকে কোনও ভাবেই মান্যতা দিতে রাজি নয় বিধানসভার সচিবালয়। সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, এই চিঠিতে কাজ হবে না। ইতিমধ্যে বিধানসভার সচিবালয়ের তরফে তা অভিষেককে জানানো হয়েছে।

বিতর্কের সূত্রপাত

বিধানসভার বিরোধী দলনেতার নাম বাছাই নিয়ে জট (PTI)
বিধানসভার বিরোধী দলনেতার নাম বাছাই নিয়ে জট (PTI)

বিধানসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্ষীয়ান রাজনীতিক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে পরিষদীয় দলের নেতা নির্বাচিত করার পর তৃণমূলের পক্ষ থেকে বিধানসভার সচিবালয়ে যে চিঠি পাঠানো হয়, তাতে স্বাক্ষর ছিল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। আর এখানেই আপত্তি তুলেছে সচিবালয়।

নিয়ম কী বলছে?

বিধানসভার নিয়ম অনুযায়ী, পরিষদীয় দল সংক্রান্ত যে কোনও চিঠি বা দাবি জানানোর এক্তিয়ার শুধুমাত্র সেই দলের বিধায়কদেরই রয়েছে। বিধানসভা সচিবালয় সূত্রে খবর, কোনও দল কিংবা দলের সাধারণ সম্পাদকের লেটারহেডে লিখে এভাবে বিধানসভার বিরোধী দলনেতার নাম জানানো নিয়ম বহির্ভূত। নিয়ম অনুযায়ী, তৃণমূলের জয়ী ৮০ জন বিধায়ক বিরোধী দলনেতা বাছাই করবেন। তা কোনও দল ঠিক করতে পারে না। সচিবালয়ের যুক্তি হল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় লোকসভার সাংসদ, বিধানসভার সদস্য নন। তাই বিধানসভার রুল বুক অনুযায়ী তাঁর দেওয়া চিঠির কোনও আইনি বৈধতা নেই। যিনি বিধানসভার সদস্য নন, তাঁর চিঠির ভিত্তিতে বিরোধী দলনেতার ঘর বা অন্যান্য সুবিধা ছাড়া সম্ভব নয়।

ক্ষুব্ধ শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, বিধানসভার রুল বুক নিয়ে এই দড়িটানাটানি আসলে তৃণমূল জমানারই এক ‘স্মারক।’ এ ব্যাপারে ভুরি ভুরি উদাহরণ রয়েছে। ২০১৬ সালের পর প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেসকে সুযোগ না দিয়ে তৃণমূল যেভাবে তৎকালীন স্পিকারকে দিয়ে পিএসি চেয়ারম্যান পদ নিজেদের ইচ্ছেমতো বণ্টন করেছিল তা ছিল বেনজির। প্রথমে মানস ভুঁইয়া, পরে শঙ্কর সিং এবং শেষে খাতায়-কলমে বিজেপি বিধায়ক মুকুল রায়কে সেই পদে বসানো হয়েছিল। তখন বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় রুল বুক দেখিয়েই তা ন্যায্য প্রমাণ করেছিলেন। এবার সেই রুল বুক দেখিয়েই সচিবালয় পাল্টা জবাব দিচ্ছে তৃণমূলকে।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe