ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সমীক্ষায় (এসআইআর) বৈধ বাঙালিদের হেনস্থা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলে পথে নামল বাংলা পক্ষ। সরব হয়েছে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধেও। মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরের সামনে বিক্ষোভ দেখানো হয়। প্রদান করা হয় ডেপুটেশন। অতিরিক্ত মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক অরিন্দম নিয়োগীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন বাংলা পক্ষের সদস্যরা। বাংলা পক্ষের অভিযোগ, বাংলার ভোটার তালিকায় বিহার, উত্তরপ্রদেশের ক্রিমিনাল ঢোকানোর অপচেষ্টা চলছে।
কী বলা হয়েছে বাংলা পক্ষের তরফে?

১) বাংলা পক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, তথ্যগত অসংগতির জেরে প্রতিদিন সাধারণ বাঙালিকে সমস্ত কাজ ফেলে শুনানির লাইনে দাঁড়াতে হচ্ছে। এখন খেটে খাওয়া বাঙালির কাছে এক অভিশাপ! দ্রুত এই অব্যবস্থার সঠিক সমাধান করতে হবে।
২) বাংলা পক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, ফর্ম-৬ দিয়ে ভিন রাজ্যের বাসিন্দাদের বাংলার ভোটার তালিকায় যুক্ত করার চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এটা অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। ভিন রাজ্যের কোনও ভোটারের নাম বাংলার ভোটার তালিকায় ঢোকানো যাবে না। ফর্ম ৬-এ আবেদন করতে হলে মহকুমা শাসকের অফিস থেকে ইস্যু করে ডোমিসাইল সার্টিফিকেট বাধ্যতামূলক করতে হবে।
৩) বাংলা পক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, বাংলার প্রায় সব জেলা থেকে ফর্ম-৭ জমা করে বৈধ ভোটারদের নাম বাদ দেওয়ার চক্রান্তের অভিযোগ সামনে আসছে। ফর্ম-৭ কারা জমা করছেন, তাঁদের নাম প্রকাশ্যে আনতে হবে। অভিযোগ ভুল প্রমাণিত হলে সেই ব্যক্তির বিরুদ্ধে এফআইআর করতে হবে।
৪) বাংলা পক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, প্রাথমিক খসড়া তালিকায় এমন লাখ-লাখ ভোটারের নাম আছে, যাঁদের দুই রাজ্যে ভোটার কার্ড আছে। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা এখনও পর্যন্ত সন্দেহজনক বলে দাবি করা হয়েছে।
{{/usCountry}}৪) বাংলা পক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, প্রাথমিক খসড়া তালিকায় এমন লাখ-লাখ ভোটারের নাম আছে, যাঁদের দুই রাজ্যে ভোটার কার্ড আছে। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা এখনও পর্যন্ত সন্দেহজনক বলে দাবি করা হয়েছে।
{{/usCountry}}৫) বাংলা পক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর পরিবারের সদস্য, অর্মত্য সেন, জয় গোস্বামীদের এসআইআর নোটিশ প্রদান করা হচ্ছে। এটা বাংলা ও বাঙালির প্রতি পরিকল্পিত অপমান।
৬) বাংলা পক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে বানানগত নানা বিভ্রান্তি তৈরি করেছে কমিশন। নামের বানান ভুলের ফলে তথ্যগত অসংগতির নামে সাধারণ বাঙালিকে হেনস্থা বন্ধ করতে হবে। এই ভুলের দায় কমিশনের। কিন্তু শাস্তি দেওয়া হচ্ছে বাঙালিকে। এটা দ্রুত বন্ধ করুন।