Abhishek Banerjee: শনিবার বিকেলে সোনারপুরে তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হেনস্তার ঘটনার পর নড়েচড়ে বসল রাজ্য সরকার। তড়িঘড়ি তাঁর নিরাপত্তা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হল। এখন থেকে এক্স ক্যাটিগোরির নিরাপত্তা পাবেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ফলে আগের তুলনায় আরও বেশি নিরাপত্তারক্ষী তাঁর সঙ্গে থাকবেন। বর্তমানে ২ জন নিরাপত্তারক্ষী থাকেন তাঁর সঙ্গে। এবার থেকে সাংসদের সঙ্গে তিনজন নিরাপত্তারক্ষী সবসময় থাকবেন।
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তা

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ। তৃণমূলের সেনাপতি। তিনিই তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড। তৃণমূল সরকারের সময় অভিষেক জেড প্লাস ক্যাটাগরির নিরাপত্তা পেতেন। একজন সাংসদ হয়ে বিভিন্ন জেলা সফরে তাঁর কনভয়ে থাকা গাড়ির সংখ্যা এবং নিরাপত্তার বহর নিয়ে বিরোধীরা একাধিকবার প্রশ্ন তুলেছিল। তবে ছাব্বিশের নির্বাচনের পর ছবিটা বদলে যায়। মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথগ্রহণের পর শুভেন্দু অধিকারী রাজ্যের সাংসদ সহ অন্যান্য ব্যক্তিদের নিরাপত্তা নিয়ে পর্যালোচনার জন্য পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন। তারপরেই প্রত্যাহার করা হয় অভিষেকের জেড প্লাস নিরাপত্তা। পাশাপাশি তাঁর হরিশ মুখার্জি রোডের বাড়ির সামনে থাকা পুলিশি নিরাপত্তাও সরিয়ে নেওয়া হয়। তাঁর হরিশ মুখার্জী রোডের বাড়ির সামনে থেকে উঠে যায় পুলিশি পাহারা। সেই সময়ই সরকারের তরফে জানানো হয়, একজন সাংসদ হিসেবে যতটুকু নিরাপত্তা দরকার, অভিষেকও তাই পাবেন। সেই মতোই অভিষেকের সঙ্গে ছিলেন ২ জন নিরাপত্তারক্ষী।
এরপর থেকে দু’জন নিরাপত্তারক্ষী নিয়ে চলাফেরা করছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। শনিবার সোনারপুরেও তাঁর সঙ্গে ২ জনই নিরাপত্তারক্ষীই ছিলেন। কিন্তু সেখানে এক দলীয় কর্মীর বাড়িতে গিয়ে তুমুল হেনস্তার মুখে পড়েন ডায়মন্ড হারবারের তৃণমূল সাংসদ। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। পরিস্থিতি সামাল দিতে রাতেই আসরে নামে রাজ্য সরকার। সাংসদকে ‘এক্স’ ক্যাটিগোরির নিরাপত্তা দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছে শুভেন্দু অধিকারীর সরকার। এখন থেকে তাঁর সঙ্গে সবসময় তিনজন নিরাপত্তারক্ষী থাকবেন।
সোনারপুরে তল্লাশি অভিযান
{{/usCountry}}এরপর থেকে দু’জন নিরাপত্তারক্ষী নিয়ে চলাফেরা করছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। শনিবার সোনারপুরেও তাঁর সঙ্গে ২ জনই নিরাপত্তারক্ষীই ছিলেন। কিন্তু সেখানে এক দলীয় কর্মীর বাড়িতে গিয়ে তুমুল হেনস্তার মুখে পড়েন ডায়মন্ড হারবারের তৃণমূল সাংসদ। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। পরিস্থিতি সামাল দিতে রাতেই আসরে নামে রাজ্য সরকার। সাংসদকে ‘এক্স’ ক্যাটিগোরির নিরাপত্তা দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছে শুভেন্দু অধিকারীর সরকার। এখন থেকে তাঁর সঙ্গে সবসময় তিনজন নিরাপত্তারক্ষী থাকবেন।
সোনারপুরে তল্লাশি অভিযান
{{/usCountry}}এদিকে, এই ঘটনার তদন্তে নেমে রাতেই তৎপর হয়েছে সোনারপুর থানা। এলাকা জুড়ে রাতভর তল্লাশি অভিযান চালিয়েছে পুলিশ। ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ ও ভাইরাল হওয়া ভিডিও খতিয়ে দেখে ইতিমধ্যেই ছ'জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে হামলার নেপথ্যে আর কারা জড়িত এবং এর পেছনে কোনও গভীর ষড়যন্ত্র আছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। সোনারপুর থানার এক আধিকারিক জানিয়েছেন, ঘটনার ভিডিও ফুটেজ দেখে বাকি অভিযুক্তদের চিহ্নিত করার কাজ চলছে। দ্রুতই তাদের গ্রেফতার করা হবে। এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পুলিশি নিরাপত্তা ব্যবস্থা কঠোর করার পাশাপাশি পুরো পরিস্থিতির ওপর নজর রাখা হচ্ছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলেও শুরু হয়েছে চাপানউতোর। একদিকে যেমন হামলার তীব্র নিন্দা জানানো হচ্ছে, তেমনি নিরাপত্তার বিষয়ে উদাসীনতা নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন অনেকে।