...
...
Next Story

Sujit Bose on Anandapur Fire: অগ্নিকাণ্ডের ৩২ ঘণ্টা পর আনন্দপুরে গিয়ে সাংবাদিকের প্রশ্নে মেজাজ হারালেন দমকলমন্ত্রী সুজিত

জানা গিয়েছে, আগুনে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়া গোডাউনটি বহু বছর আগে তৈরি হয়েছিল। সেই গোডাউনে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা ছিল না। এই আবহে গোডাউনে ফায়ার অডিট হয়নি কেন, তা নিয়ে প্রশ্ন করা হয়েছিল মন্ত্রীকে। সেই প্রশ্ন শুনেই প্রথমে মেজাজ হারিয়েছিলেন সুজিত বসু। পরে অবশ্য নিজেকে সামলে নিয়ে জবাব দেন মন্ত্রী।

Published on: Jan 27, 2026, 13:10:41 IST
By
Prefer HTon Google
Advertisement

তিনি দমকলমন্ত্রী। তবে অগ্নিকাণ্ডের ৩২ ঘণ্টা পরে আনন্দপুরে যাওয়ার সুযোগ পেলেন তিনি। সেখানে গিয়ে আবার ফায়ার অডিট নিয়ে প্রশ্ন শুনে মেজাজ হারালেন মন্ত্রী। জানা গিয়েছে, আগুনে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়া গোডাউনটি বহু বছর আগে তৈরি হয়েছিল। সেই গোডাউনে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা ছিল না। এই আবহে গোডাউনে ফায়ার অডিট হয়নি কেন, তা নিয়ে প্রশ্ন করা হয়েছিল মন্ত্রীকে। সেই প্রশ্ন শুনেই প্রথমে মেজাজ হারিয়েছিলেন সুজিত বসু। পরে অবশ্য নিজেকে সামলে নিয়ে জবাব দেন মন্ত্রী।

অগ্নিকাণ্ডের ৩২ ঘণ্টা পরে আনন্দপুরে যাওয়ার সুযোগ পেলেন সুজিত বসু
অগ্নিকাণ্ডের ৩২ ঘণ্টা পরে আনন্দপুরে যাওয়ার সুযোগ পেলেন সুজিত বসু

দমকলমন্ত্রী বলেন, 'প্রচুর জায়গায় প্রচুর কারখানা রয়েছে। অনেকে লাইসেন্স নিয়ে করছেন, অনেকে বেআইনিভাবে করছে। এখনই বলতে পারব না, ওদের কাছে কী কাগজপত্র রয়েছে। যদি বেআইনিভাবে হয়ে থাকে, তাহলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।' এরপর তাঁকে প্রশ্ন করা হয়, জলাশয় বুজিয়ে কীভাবে তৈরি হল এই গোডাউন? এর জবাবে সুজিত বলেন, 'ভূমি দফতর নিশ্চয়ই দেখবে। যাঁদের দেখার দায়িত্ব, তাঁরা দেখবে। ডিজির সঙ্গে কথা বলেছি। অগ্নি নির্বাপক ব্যবস্থার মতো এখানে কিছু ছিল না। আমরা এখানে সেরকম কিছু দেখতে পাইনি। আমাদের ফায়ার অডিট হয়। এখানে ফায়ার অডিট হয়েছিল কিনা, এটা আমাদের দেখার দরকার রয়েছে। সেটা তদন্ত করব। প্রত্যেকটা কেসে তদন্ত হয়। এখানে ফরেনসিক টিম আসবে। এফআইআর হবে, তদন্তও হবে।' এদিকে ঘটনাস্থলে আসতে কেন ৩২ ঘণ্টা লেগে গেল? এই প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী দাবি করেন, প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে ব্যস্ত ছিলেন তিনি।

প্রাথমিক ভাবে অনুমান করা হচ্ছে, মোমো তৈরির কারখানায় প্রচুর পরিমাণ পামতেল মজুত করা ছিল। তা থেকেই আগুন ভয়াবহ আকার ধারণ করে। আগুন যখন লাগে, সেই সময় নাইট শিফট চলছিল। এদিকে কারখানায় বাইরে থেকে তালা লাগানো ছিল বলে অভিযোগ করা হচ্ছে। এদিকে আজ সেই অগ্নিদগ্ধ কারখানায় উদ্ধারকাজ চলছে। এত দেরিতে উদ্ধারকাজ কেন শুরু হয়েছে, এই নিয়ে প্রশ্ন করা হলে সুজিত বলেন, 'দেওয়াল কেটে কেটে ঢুকতে হয়েছে অনেক জায়গায়। পরিস্থিতি জটিল ছিল। রাতে গোডাউনে তাপমাত্রাও খুব বেশি ছিল। তাই রাতে উদ্ধারকাজ শুরু করা যায়নি।'

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe