Darjeeling-Sundarban Global Eco Tourism: দার্জিলিঙের সঙ্গে জুড়ছে সুন্দরবন! পর্যটনে পরিকল্পনা রাজ্যের, নজরে মন্দারমণিও
Darjeeling-Sundarban Global Eco Tourism: দার্জিলিঙের সঙ্গে জুড়ে আছে সুন্দরবনও। রাজ্যের পর্যটন দফতরের তরফে সুন্দরবন নিয়ে বড় পরিকল্পনার ঘোষণা করা হল। জানালেন খোদ পর্যটন মন্ত্রী শংকর ঘোষ। তাছাড়াও আলোচনায় উঠে আসে মন্দারমণির নামও।
Darjeeling-Sundarban Global Eco Tourism: সুন্দরবন এবার সেজে উঠছে এক নতুন আঙ্গিকে। আন্তর্জাতিক পর্যটকদের আকর্ষণ করতে এবং স্থানীয় বাস্তুতন্ত্র রক্ষা করে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে সুন্দরবনকে 'গ্লোবাল ইকো-ট্যুরিজম হাব' হিসেবে গড়ে তোলার বিশদ পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। পর্যটন মন্ত্রী শংকর ঘোষ জানিয়েছেন, দার্জিলিঙের পরে সুন্দরবনকে দ্বিতীয় গ্লোবাল ট্যুরিজম হাব হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা করা হয়েছে। কীভাবে ম্যানগ্রোভ সংরক্ষণের পাশাপাশি সুন্দরবনকে ইকো-ট্যুরিজম হাব নিয়ে গড়ে তোলা যায়, তা নিয়ে বিশদে আলোচনা করা হবে। পুরো পরিকল্পনায় যৌথভাবে কাজ করতে পারে সুন্দরবন উন্নয়ন পর্ষদ, রাজ্যের বন দফতর এবং পর্যটন দফতর।

কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে বিশেষ অনুরোধ রাজ্যের
পর্যটন মন্ত্রী জানিয়েছেন, রাজ্য বাজেটে ঘোষণা করা হয়েছে যে দার্জিলিংকে কেন্দ্রীয় সরকারের 'এক রাজ্য, এক ডেস্টিনেেশন' প্রকল্পের আওতায় আনা হবে। সেই প্রকল্পের আওতায় যাতে রাজ্যের আরও একটি পর্যটনকেন্দ্রকে যুক্ত করা যায়, সেজন্য কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গজেন্দ্র সিং শেখাওয়াতকে আর্জি জানান।
সুন্দরবন ও মন্দারমণি নিয়ে কী বললেন পর্যটন মন্ত্রী?
যে আর্জিতে কেন্দ্রীয় সরকার অনুমোদন দিয়েছে বলে জানিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের পর্যটন মন্ত্রী। তিনি জানিয়েছেন, আপাতত দুটি জায়গা নিয়ে বিবেচনা করা হচ্ছে - মন্দারমণি এবং সুন্দরবন। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে গ্লোবাল 'ইকো-ট্যুরিজম হাব' হিসেবে বেছে নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন পর্যটন মন্ত্রী।
আরও পড়ুন:
সুন্দরবনের ইকো-ট্যুরিজম প্রকল্প
বিশেষজ্ঞদের মতে, যে কোনও সফল ইকো-ট্যুরিজম প্রকল্পের মূল স্তম্ভ হল স্থানীয় মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণ। সুন্দরবনের জলবায়ু সংকট এবং ঘনঘন ঘূর্ণিঝড়ের কারণে স্থানীয় বাসিন্দারা প্রায়শই জীবিকার সংকটে পড়েন। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের এই নতুন উদ্যোগ সুন্দরবনের প্রান্তিক মানুষদের বিকল্প এবং স্থায়ী জীবিকার দিশা দেখাবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
আরও পড়ুন:
তাঁদের মতে, স্থানীয় তরুণ-তরুণীদের পেশাদার ট্যুর গাইড, ইকো-লজ পরিচালনা, স্থানীয় হস্তশিল্প বিক্রয় এবং সাংস্কৃতিক পরিবেশনার প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। স্থানীয় মৎস্যজীবী ও বনজীবীদের এই পর্যটন কাঠামোর সঙ্গে যুক্ত করার ফলে একদিকে যেমন জঙ্গলনির্ভর ঝুঁকি হ্রাস পাবে, তেমনই অন্যদিকে তাঁদের অর্থনৈতিক নিরাপত্তা সুনিশ্চিত হবে বলে আশাপ্রকাশ করেছে সংশ্লিষ্ট মহল।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


