গত ৪ জুলাই ২০২৬ সালে যেদিন বাংলার বিধানসভা ফলাফলে গেরুয়া আবির উড়েছে দাপটে, সেই দিনই দিল্লি থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী তাঁর ভাষণে জানিয়েছিলেন, বাংলার বুকে 'আয়ুষ্মান ভারত' প্রকল্প লাগু হবে। এরপর শনিবার বাংলার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, জুলাই মাস থেকেই বাংলায় দেওয়া হবে 'আয়ুষ্মান ভারত' কার্ড। প্রশ্ন হল, যাঁদের এই মুহূর্তে স্বাস্থ্যসাথী কার্ড রয়েছে, তাঁরা কি এই সুবিধা পাবেন? তারও উত্তর দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

শুভেন্দু অধিকারী এদিন জানিয়েছেন,' যে ৬ কোটি মানুষ এখন স্বাস্থ্যসাথীর সুবিধা পাচ্ছেন, তাঁরাই সরাসরি আয়ুষ্মান ভারতের সুবিধা পাবেন। পরে এই প্রকল্পের আওতায় আরও মানুষ যুক্ত হবেন। নতুন যাঁরা যুক্ত হতে চান, তাঁরা জুলাই থেকে আবেদন করতে পারবেন।' স্পষ্টত জানানো হয়েছে, স্বাস্থ্যসাথী কার্ডের উপভোক্তারা এবার থেকে আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের সুবিধা পাবেন। জুলাই থেকেই আয়ুষ্মান ভারত কার্ড মিলবে। পরে এই প্রকল্প আরও বড় আকারে রাজ্যে চালু করা হবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। এই প্রকল্পের জন্য ৯৭৬ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে। উল্লেখ্য, সদ্য দিল্লি সফরে গিয়েছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেখান থেকে তিনি ফিরতেই রাজ্যের স্বাস্থ্য ইস্যুতে একের পর এক বড় বার্তা দিয়েছেন শুভেন্দু।
এদিন শুভেন্দু অধিকারী জানান, সার্ভাইক্যাল ক্যান্সার প্রতিরোধে রাজ্যে এবার বিনামূল্যে টিকাকরণ শুরু হবে। কেন্দ্রের তরফ থেকে বাংলায় ৭ লক্ষ ডোজ টিকা পাঠানো হচ্ছে। বিধানননগর মহকুমা হাসপাতাল থেকে শুরু হবে এই টিকাকরণ কর্মসূচি। ১৪-১৫ বছরের ঊর্ধ্বে যেকোনও কিশোরী টিকাকরণ কর্মসূচিতে অংশ নিতে পারে। এছাড়াও শুভেন্দু অধিকারী জানান, সাধারণ মানুষের কথা মাথায় রেখে ‘প্রধানমন্ত্রী জনৌষধি কেন্দ্র’ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে বাংলায় ১১৭টি কেন্দ্র রয়েছে। সেই সংখ্যা বাড়িয়ে ৪৬৯টি করার পথে হাঁটছে রাজ্যসরকার।