...
...
Next Story

Digha Tourist Collection: দিঘায় ঘুরতে গেলেও এই টাকা দিতে হবে না! বড় ঘোষণা রাজ্যের, খরচ কমবে কবে থেকে?

Digha Tourist Collection: দিঘায় ঘুরতে গেলেও এই টাকা দিতে হবে না! বড় ঘোষণা করে দিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। খরচ কমবে কবে থেকে? কী কারণে সেই টাকা দিতে হবে না, তাও ব্যাখ্যা করেছেন তিনি।

Published on: Jun 14, 2026 11:46 PM IST
Advertisement

Digha Tourist Collection: দিঘায় গিয়ে পর্যটকদের চাঁদা বাবদ বাড়তি টাকা দিতে হবে না। ঘোষণা করে দিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। রবিবার দিঘায় সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী জানান, আগামী ১ জুলাই থেকে সেই চাঁদার নিয়ম তুলে দেওয়া হচ্ছে। পর্যটকদের এখন দিঘায় গিয়ে চাঁদাবাবদ যে ১০ টাকা দিতে হয়, সেটা দিতে হবে না। সেই সিদ্ধান্তের কারণ ব্যাখ্যা করে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘১০ টাকা করে যে চাঁদা নিত বিগত সরকার, তা আগামী ১ জুলাই থেকে আমি প্রত্যাহার করলাম। ১০ টাকা করে হাত পেতে হোটেলের বিলের সঙ্গে....। এতে বছরে কত টাকা আসে জানেন? মাত্র ৩০ লাখ টাকা।’

দিঘায় চাঁদা নেওয়ার ক্ষেত্রেও দুর্নীতি? ইঙ্গিত শুভেন্দুর

দিঘায় যে ১০ টাকা নেওয়া হয় চাঁদা, সেটা বন্ধের ঘোষণা করলেন শুভেন্দু অধিকারী। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্যে পিটিআই)
দিঘায় যে ১০ টাকা নেওয়া হয় চাঁদা, সেটা বন্ধের ঘোষণা করলেন শুভেন্দু অধিকারী। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্যে পিটিআই)

আর সেই টাকার অঙ্কটা কম যে হয়, সেটার পিছনেও দুর্নীতি লুকিয়ে আছে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, যদি হিসাব করা যায়, তাহলে দিঘায় ৬০-৭০ লাখ পর্যটক আসেন। তার মানে ওখানেও ফাঁকি দেওয়া হত বলে অভিযোগ করেছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী।

আরও পড়ুন: Kolkata Ring Road Proposal: কলকাতায় না ঢুকেই কলকাতা পেরিয়ে যাবেন! নয়া রাস্তার প্রস্তাব, রুট কী? হবে ব্রিজও

১ জুলাই থেকে নয়া নিয়ম, জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী

তিনি বলেছেন, ‘যে পর্যটকরা আসছেন, (তাঁরা কর দেন)। এখানে ধনী ব্যক্তিরা যে আসেন না, তা নয়। তাঁরাও আসেন। দিঘা অপরূপ সুন্দর। মন্দারমণির বিচ তো ততোধিক সুন্দর। শংকরপুর এবং তাজপুরকেও সাজানো যেতে পারে। কিন্তু যাঁরা আয়কর, জিএসটি দিচ্ছেন, তাঁদের কাছে আবার হাত পেতে ১০ টাকা নেওয়া, এটা সরকারের রুচি-বিরোধী কাজ বলে আমার মনে হয়। তাই আগামী ১ জুলাই থেকে পর্যটকদের ১০ টাকা করে দিতে হবে না। এটা খুবই আপত্তিকর। এটা আমি ঘোষণা করে যাচ্ছি।’

তারইমধ্যে সোমবার থেকে রাজ্যের ব্লকে-ব্লকে শুরু হচ্ছে ‘জনকল্যাণ শিবির’। অন্নপূর্ণা ভান্ডার, আয়ুষ্মান যোজনা, জব কার্ডের আবেদন করা যাবে। রাজ্য সরকারের তরফে বলা হয়েছে, ‘১৫ থেকে ১৭ জুন পর্যন্ত আয়োজিত ‘জনকল্যাণ শিবির’-এ পশ্চিমবঙ্গ সরকার আপনাকে আমন্ত্রণ জানাচ্ছে। কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধা পেতে অনুগ্রহ করে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টার মধ্যে আপনার নিকটবর্তী শিবিরে যান। বিস্তারিত তথ্যের জন্য অনুগ্রহ করে পুরসভা বা ব্লক অফিসে যোগাযোগ করুন।’

 
ABOUT THE AUTHOR
Ayan Das

অয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe