WB Election 2026 Vote Counting: ভবানীপুরে ১টি ওয়ার্ডেই পিছিয়ে থাকব, দাবি শুভেন্দুর, বড় বৈঠক করবেন মমতা-অভিষেক
WB Election 2026 Vote Counting: সময় যেন কাটছেই না - গত বুধবার দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পরে রাজনৈতিক দলগুলির অবস্থা যেন সেরকমই হয়ে গিয়েছে। তারইমধ্যে বৈঠকে বসছেন মমতা ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়রা। বৈঠক সারলেন শুভেন্দু অধিকারীও।
WB Election 2026 Vote Counting: ভবানীপুরে স্রেফ একটি ওয়ার্ডেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লিড পাবেন। বাকি সব ওয়ার্ডে পিছিয়ে থাকবেন তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো। বিজেপির ঘরোয়া বৈঠকে এমনই দাবি করলেন ভবানীপুরের বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী। দক্ষিণ কলকাতা বিজেপির সূত্র উদ্ধৃত করে সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজারের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ঘরোয়া বৈঠকে শুভেন্দু দাবি করেছেন যে শুধুমাত্র ৭৭ নম্বর ওয়ার্ডেই বেশি ভোট পাবেন মমতা। সেখান থেকেই প্রায় ১২,০০০ থেকে ১৪,০০০ ভোটের লিড পেয়ে যাবেন তৃণমূল সুপ্রিমো। কিন্তু সেটা বাকি সাতটি ওয়ার্ডে সম্মিলিতভাবে তাঁর পাওয়া লিডকে ছাপিয়ে যেতে পারবে না বলে দাবি করেছেন শুভেন্দু। যিনি ইতিমধ্যে জনসমক্ষে একাধিকবার দাবি করেছেন যে ভবানীপুর বিধানসভা আসনে হেরে যাবেন মুখ্যমন্ত্রী।

কাউন্টিং এজেন্টদের সঙ্গে বৈঠক মমতা-অভিষেকের
আর শুভেন্দু যখন সেই দাবি করেছেন, তারইমধ্যে সব কাউন্টিং এজেন্টের সঙ্গে বৈঠকের প্রস্তুতি সারছে তৃণমূল। সূত্রের খবর, শনিবার ভার্চুয়ালি রাজ্যের ২৯১টি বিধানসভা আসনের কাউন্টিং এজেন্টদের সঙ্গে বৈঠক করবেন মমতা ও তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সূত্রের খবর, গণনার সময় কোনওরকম যাতে খামতি থেকে না যায়, সেজন্যই বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে। সেজন্যই স্বয়ং তৃণমূল সুপ্রিমো ও দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক বার্তা দেবেন বলে সূত্রের খবর।
বুথফেরত সমীক্ষা খারিজ করে দিয়েছেন মমতা
এমনিতে শুক্রবার মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেছেন, ‘যেটা টিভিতে দেখাচ্ছে, এটা বিজেপির অফিস থেকে (পাঠানো হয়েছে)। বেলা ১ টা ৮ মিনিটে এটা সার্কুলেট করেছে। টাকা দিয়ে বলেছে, এটা যেন দেখানো হয়। তার কারণ আমার কাছে স্পেসিফিক ইনফরমেশন এসেছে ১ টা ৮ মিনিটে।’ আর কী কারণে সেরকম করা হয়েছে, তারও কারণ দর্শিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘আসল সত্যিটা বেরোলে শেয়ার বাজারে ধস নামবে। সেজন্য শেয়ার মার্কেটকে সান্ত্বনা দিতে গিয়ে (এটা করেছে).....এটা আমার কাছে স্পেসিফিক খবর আছে।’
২২৬ আসনও পাবেই তৃণমূল, দাবি মমতার
এমনিতে এবার অধিকাংশ এক্সিট পোলে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে যে বাংলায় বিজেপি সরকার গড়বে। ২০২১ সালে যেমন বিজেপির ব্যবধানে জয়ের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল, এবার সেটা হয়নি। অধিকাংশ বুথফেরত সমীক্ষায় ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে এবার। তবে শেষপর্যন্ত বাজিমাত করবে বিজেপি। কিন্তু সেইসব এক্সিট পোল ফুৎকারে উড়িয়ে দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, ‘আমরা ২৩০ আসনও পেতে পারি। ২২৬ ক্রস করব ২০২৬ সালে। মানুষ যেভাবে ভোট দিয়েছেন, তাতে আমার তাঁদের প্রতি সম্পূর্ণ বিশ্বাস ও আস্থা রয়েছে।’
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


