Suvendu on Howrah-Bally Municipality: ৮ মিনিটও কাজ করেন না! হাওড়ার পুরকর্মীদের ভর্ৎসনা মুখ্যমন্ত্রীর, ভোট ১৩ বছর পরে
Suvendu on Howrah-Bally Municipality: দীর্ঘদিন ধরেই হাওড়া পুরনিগম এবং বালি পুরসভায় নির্বাচন ঝুলে আছে। তার জেরে পুর-পরিষেবা লাটে উঠেছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানালেন, এই বছরের মধ্যেই ভোট করার চেষ্টা করা হবে।
Suvendu on Howrah-Bally Municipality: প্রায় দেড় দশক পরে ভোট হতে চলেছে হাওড়া পুরনিগমে। ২০১৩ সালে শেষবার ভোট হয়েছিল হাওড়ায়। বৃহস্পতিবার হাওড়ায় প্রশাসনিক বৈঠকের পরে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, এই বছরের মধ্যেই পুরনিগমে ভোটের চেষ্টা করা হবে, যাতে দ্রুত সম্ভব নির্বাচিত প্রতিনিধিরা কাজ শুরু করতে পারেন। আর যতদিন ভোট না হচ্ছে, ততদিন হাওড়ার সুষ্ঠুভাবে পুর-পরিষেবা প্রদানের জন্য নির্দিষ্ট পরিকল্পনা তৈরি করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। গড়া হয়েছে একটি সমন্বয় কমিটিও। সেইসঙ্গে রেলের সঙ্গে সমন্বয় বাড়ানোর উপরও জোর দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। এতদিন রেল ও রাজ্য প্রশাসনের মধ্যে একাধিক বিষয় নিয়ে টানাপোড়েন চলত। তাতে ইতি টানতে রেলের সঙ্গে বৈঠকে বসা হবে বলে জানিয়েছেন শুভেন্দু।

ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাস হবে, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর
মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, ‘হাওড়া শহরের প্রাথমিক চাহিদাগুলো পূরণ করে লংটার্মে (দীর্ঘকালীন মেয়াদে) হাওড়াকে আরও বিকশিত নগরী তৈরি করা, ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাসের কাজ সম্পন্ন করে যত দ্রুত সম্ভব এই বছরের মধ্যে নির্বাচিত পুরনিগমের হাতে দায়িত্ব হস্তান্তর করার প্রক্রিয়া শুরু করার সিদ্ধান্ত আজকের বৈঠকে নিয়েছি আমরা।’
ডিসেম্বরের মধ্যেই হাওড়া ও বালিতে নির্বাচিত প্রতিনিধি
সেই বিষয়টি আরও ব্যাখ্যা করে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে এবং ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাসের বিষয়টি সম্পন্ন হলে গণতান্ত্রিকভাবে ভোট করিয়ে আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে হাওড়া এবং বালি পুরসভার দায়িত্ব নির্বাচিত প্রতিনিধিদের হাতে তুলে দেওয়া হবে বলে আশা করা হবে।
পরিষেবা দেন না, কিন্তু বেতন তোলেন, সতর্ক করলেন শুভেন্দু
তারইমধ্যে আজ হাওড়া পুরনিগমের কর্মীদের একাংশকে তুমুল ভর্ৎসনা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানিয়েছেন, হাওড়া পুরনিগমে ১,৭০০ জনের কর্মী আছেন। তাঁদের মধ্যে কমপক্ষে ৫০০ জনকে নিয়োগ করা হয়েছে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে। রাজনৈতিক প্রভাবশালীদের আশীর্বাদে চাকরি পেয়েছেন। কিন্তু তাঁরা কার্যত কাজ করেন না বলে অভিযোগ উঠেছে। সেই রেশ ধরে মুখ্যমন্ত্রী হুঁশিয়ারি দেন, ‘তাঁরা পরিষেবা দেন না। আট ঘণ্টা তো দূরের কথা। আট মিনিটও পরিষেবা দেন না। কারণ তাঁরা রাজনৈতিক প্রভাবশালীদের আশীর্বাদপুষ্ট।’
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


