CM consoles Chorbagan Victim Daughter: চোরবাগানে মৃত টগরের মেয়ের চোখের জল মোছালেন শুভেন্দু, স্বামীকে বললেন ‘শক্ত থাকতে’
CM consoles Chorbagan Victim Daughter: পূর্ব বর্ধমানে এসে চোরবাগানে মৃত টগর বেজের মেয়ের চোখের জল মুছিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গাপুজোয় ঠাকুর দেখতে মৃত্যু হয়েছে মা এবং ছেলের।
CM consoles Chorbagan Victim Daughter: আজও হয়তো কোথাও ঘুরতে বেরনোর কথা ঠিক করা ছিল। কিন্তু প্রথম সপ্তমীর একটা অভিশপ্ত মুহূর্ত সবকিছু পালটে দিয়েছে। হাসতে-হাসতে ঠাকুর দেখতে যাওয়া পরিবার আজ শোকস্তব্ধ হয়ে গিয়েছে। চোরবাগানে পদপিষ্ট হয়ে মৃত্যু হয়েছে মা টগর বেজ (৩৭ বছর) এবং ছেলে সন্দীপের (১৪ বছর)। আজ পূর্ব বর্ধমানের মাধবডিহিতে টগরদের বাড়িতে গিয়ে শোকস্তব্ধ স্বামী তথা বাবা এবং মেয়ে তথা দিদির পাশে দাঁড়ালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। চোখের জল মুছিয়ে দিলেন মৃত টগরের মেয়ের।

মৃতার মেয়ের বায়োডেটা চেয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী
পরিবারের পাশে থাকার সববরকমের আশ্বাসও দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। আর্থিক সহায়তার ২৫ লাখ টাকার চেক পরিবারের সদস্যদের হাতে তুলে দেওয়ার সময় তিনি জানিয়েছেন, দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ করা হবে। করা হবে বিচারবিভাগীয় তদন্ত। সদ্য ১৯ বছরে পা দেওয়া টগরের মেয়ের চাকরির ব্যবস্থা করে দেওয়ার জন্য বায়োডেটাও চেয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। সেইসঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, পরিবারের যে কোনও দরকারে পাশে থাকবেন স্থানীয় বিধায়ক, প্রশাসন এবং সর্বোপরি মুখ্যমন্ত্রী।
টগরের স্বামীকে ‘শক্ত থাকতে’ বললেন মুখ্যমন্ত্রী
সেইসব আশ্বাস পেলেও পরিবার ক্ষত-বিক্ষত হয়ে যাওয়ার অভিশপ্ত মুহূর্তটা ভুলতে পারছেন না টগরের স্বামী বা মেয়ে। মুখ্যমন্ত্রী এবং শিল্প প্রতিমন্ত্রী মৌমিতা মিশ্র বিশ্বাসের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন মৃত মহিলার স্বামী। সেইসময় তাঁকে সান্ত্বনা দেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন যে ১৯ বছরের মেয়ের মুখের দিকে তাকিয়ে শক্ত থাকতে হবে। তাঁর যদি সেই ক্ষমতা থাকত, তাহলে সবাইকে ফিরিয়ে দিতেন। কিন্তু এখন শোকস্তব্ধ বাবা এবং মেয়ের সবসময় থাকবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।
প্রাণ ফেরাতে পারব না, কিন্তু দায়িত্ব পালন করছি, বললেন মুখ্যমন্ত্রী
আর পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাতের পরে পূর্বসূরিকে নিশানা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, চোরবাগানের দুর্ঘটনায় যে ১৯ জনের মৃত্যু হয়েছে, তাঁদের তো ফিরিয়ে দিতে পারবেন না। ঈশ্বর সেই ক্ষমতা দেননি। কিন্তু পরবর্তীতে যে যে কর্তব্য পালন করা দরকার, সেগুলি করছেন। অগ্রাধিকারের সঙ্গে পরিবারের পাশে দাঁড়ানো হচ্ছে। আর্থিক সহায়তার পরিমাণও আগে কখনও এতটা ছিল না বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী।
সেই রেশ ধরে গত বছর দুর্গাপুজোর আগে কলকাতায় বৃষ্টিতে বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়ে অনেকের মৃত্যুর ঘটনা এবং লক্ষ্মীপুজোর আগে উত্তরবঙ্গে ভয়াবহ বিপর্যয়ের পরেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকার যে কাজটা করেছিল, তা নিন্দা করেন শুভেন্দু।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


