Incentive Scheme: রাজ্যে 'ডবল ইঞ্জিনে' এবার কার্যত রকেট গতি! রাজ্যে শিল্পে বিনিয়োগ বাড়াতে বড় পদক্ষেপ শুভেন্দু অধিকারী সরকারের। নতুন করে ইনসেনটিভ স্কিম চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আপাতত এই খাতে প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে বলে সংবাদমাধ্যম টিভি৯ বাংলাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত।

ইনসেনটিভ স্কিমের মাধ্যমে কোনও প্রতিষ্ঠান, কোম্পানি বা সরকারি কর্মী, ব্যবসা উৎপাদনকারীদের ভালো কাজ, বেশি উৎপাদন বা নির্দিষ্ট লক্ষ্য অর্জনের জন্য অতিরিক্ত আর্থিক পুরস্কার দেওয়া হয়। এর মূল উদ্দেশ্য হলো কাজের প্রতি আগ্রহ বাড়ানো এবং দক্ষতা বা উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি করা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার সেই স্কিম বন্ধ করে দিয়েছিল। কিন্তু শুভেন্দু অধিকারী সরকার শিল্পে বিনিয়োগ টানতে আবারও তা চালু করছেন।
কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, টাকা আসবে কোথা থেকে?
রাজ্যের অর্থমন্ত্রীর দাবি, মূল খরচ শুরু হতে পারে আগামী অর্থবর্ষ থেকে। একইসঙ্গে পূর্বতন সরকারের আমলে ইনসেনটিভ বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। অর্থমন্ত্রীর কথায়, 'পাঁচ হাজার কোটি টাকা মতো বরাদ্দ করা রয়েছে। তবে প্রধান খরচ আসতে পারে আগামী অর্থবর্ষ থেকে।' তবে এই ইনসেনটিভ নিয়ে পূর্বতন সরকারকেও বিঁধলেন অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, 'যে ইনসেনটিভ চালু করেছিল, পরবর্তীতে আবার আইন এনে সেটা বন্ধ করে দিল, সেই আইনটা কী বৈধ আইন? সেটা নিয়েই প্রশ্ন রয়েছে। সেই লায়াবেলিটি রয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, ৫০ হাজার কোটি টাকার লায়াবেলিটি রয়েছে। সেটাকে কীভাবে দেব, সেটা বড় দুশ্চিন্তা।'
কীভাবে মার্কেটিং করা হবে?
বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের আমলে দেখা গিয়েছে, প্রচুর বিদেশ সফর হয়েছে। বিদেশে গিয়ে মার্কেটিং করা হয়েছে। কিন্তু এবার কী হবে? অর্থমন্ত্রী বললেন, 'বাংলার একটা সমস্যা হচ্ছে, বাইরে আপাতত বাংলা নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। বাইরের লোকে ভাবে, বাংলায় আর কিছু হয় না। ঝামেলার জায়গা। তবে কোথায় কে এখনও তোলাবাজি করছে, কোথায় গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব চলছে, সেগুলো নিয়ে চিন্তা করতেই হবে। অনেকটা আয়ত্তে এনেছি। কিন্তু এখনও তো পুরোটা আয়ত্তে আনতে পারিনি। আরও কড়া হতে হবে আমাদের। সেটা দলের তরফ থেকে, প্রশাসনের তরফ থেকেও।' তাঁর মতে, এখানে ব্যবসা আনতে গেলে, এক ধরনের পরিবেশ তৈরি করাটা খুবই দরকার।
{{/usCountry}}বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের আমলে দেখা গিয়েছে, প্রচুর বিদেশ সফর হয়েছে। বিদেশে গিয়ে মার্কেটিং করা হয়েছে। কিন্তু এবার কী হবে? অর্থমন্ত্রী বললেন, 'বাংলার একটা সমস্যা হচ্ছে, বাইরে আপাতত বাংলা নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। বাইরের লোকে ভাবে, বাংলায় আর কিছু হয় না। ঝামেলার জায়গা। তবে কোথায় কে এখনও তোলাবাজি করছে, কোথায় গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব চলছে, সেগুলো নিয়ে চিন্তা করতেই হবে। অনেকটা আয়ত্তে এনেছি। কিন্তু এখনও তো পুরোটা আয়ত্তে আনতে পারিনি। আরও কড়া হতে হবে আমাদের। সেটা দলের তরফ থেকে, প্রশাসনের তরফ থেকেও।' তাঁর মতে, এখানে ব্যবসা আনতে গেলে, এক ধরনের পরিবেশ তৈরি করাটা খুবই দরকার।
{{/usCountry}}উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবারই শিল্পপতিদের আকর্ষণ বাড়াতে মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, 'আগের সরকার কিছু করে গেলে, সেটা অস্বীকার করতে পারব না। প্রত্যেক বছর যদি কিছু কিছু করে দিত, তাহলে এই অসুবিধা হত না। আগের সরকার সকলকে চিট করেছেন। প্রতি বছর যদি ৭ হাজার ৮ হাজার টাকা করে ইনসেনটিভ দিত, তাহলে এই অসুবিধা হত না। আমরা ইনসেনটিভ পলিসিতে এনেছি। আমরা রাজ্যকে ফাইনান্সিয়ালি প্লাস রাজ্য বানাতে চাইছি।'