Apnar Sarkar Apnar Pashe Helpline: সাধারণ মানুষের সমস্যা ও অভিযোগ দ্রুত প্রশাসনের কাছে পৌঁছে দিতে নতুন কর্মসূচি ‘আপনার সরকার আপনার পাশে’-র সূচনা করল রাজ্য সরকার। প্রশাসন ও নাগরিকদের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ আরও সহজ এবং কার্যকর করাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য বলে জানানো হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর অনুমোদনের পর আনুষ্ঠানিকভাবে এই কর্মসূচি চালু করা হয়েছে।

রিপোর্ট অনুযায়ী, এই প্রকল্পের মাধ্যমে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষ নিজেদের সমস্যার কথা সরাসরি প্রশাসনের কাছে জানাতে পারবেন। কোনও মধ্যস্থতাকারীর প্রয়োজন হবে না। নির্দিষ্ট হেল্পলাইন নম্বর এবং প্রশাসনিক ব্যবস্থার মাধ্যমে অভিযোগ গ্রহণ ও তার নিষ্পত্তির প্রক্রিয়া পরিচালিত হবে। এই লক্ষ্যে হেল্পলাইন নম্বর চালু করল রাজ্য সরকার। সোম থেকে শনিবার সকাল ৯টা থেকে সন্ধে ৬টা পর্যন্ত হেল্পলাইন নম্বর চালু থাকবে। নম্বরটি হল: ৮২৮২০৮২৮২০। এছাড়া ই-মেলের মাধ্যমেও অভিযোগ জানাতে পারেন। ই-মেল আইডিটি হল: asap@wb.gov.in।
সরকারি সূত্রে দাবি করা হয়েছে, বহু ক্ষেত্রেই সাধারণ মানুষের অভিযোগ স্থানীয় স্তরে আটকে যায় বা যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছায় না। সেই সমস্যা দূর করতেই এই নতুন ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। নাগরিকদের অভিযোগ, আবেদন বা বিভিন্ন পরিষেবা সংক্রান্ত সমস্যার দ্রুত সমাধান নিশ্চিত করাই কর্মসূচির অন্যতম উদ্দেশ্য।
এই উদ্যোগের আওতায় বিভিন্ন দফতরের সঙ্গে সমন্বয় রেখে কাজ করা হবে। প্রাপ্ত অভিযোগগুলি সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হবে এবং সেগুলির নিষ্পত্তির অগ্রগতির উপরও নজর রাখা হবে। ফলে অভিযোগ জানানোর পর তার কী অবস্থা, সেই বিষয়েও আবেদনকারীরা তথ্য জানতে পারবেন।
প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, সরকার মানুষের কাছে পৌঁছতে চায় এবং নাগরিক পরিষেবা আরও স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করতে চায়। সেই ভাবনা থেকেই ‘আপনার সরকার আপনার পাশে’ কর্মসূচির পরিকল্পনা করা হয়েছে। রাজ্যের প্রত্যন্ত এলাকা থেকে শুরু করে শহরাঞ্চলের বাসিন্দারাও এই পরিষেবার সুবিধা নিতে পারবেন।
{{/usCountry}}প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, সরকার মানুষের কাছে পৌঁছতে চায় এবং নাগরিক পরিষেবা আরও স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করতে চায়। সেই ভাবনা থেকেই ‘আপনার সরকার আপনার পাশে’ কর্মসূচির পরিকল্পনা করা হয়েছে। রাজ্যের প্রত্যন্ত এলাকা থেকে শুরু করে শহরাঞ্চলের বাসিন্দারাও এই পরিষেবার সুবিধা নিতে পারবেন।
{{/usCountry}}সরকারের মতে, এই কর্মসূচি শুধু অভিযোগ গ্রহণের মাধ্যম নয়, বরং প্রশাসন ও সাধারণ মানুষের মধ্যে একটি কার্যকর যোগাযোগের সেতুবন্ধন গড়ে তুলবে। মানুষের সমস্যার দ্রুত সমাধান এবং প্রশাসনিক পরিষেবার মানোন্নয়ন ঘটানোর লক্ষ্যে এই উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলেই আশা করা হচ্ছে। নতুন এই কর্মসূচি চালুর ফলে সরকারি পরিষেবা পাওয়ার ক্ষেত্রে মানুষের ভোগান্তি কমবে এবং প্রশাসনের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের একটি সহজ পথ তৈরি হবে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।