Swapan Dasgupta's Wife: অবশেষে দীর্ঘ কয়েক দশকের অপেক্ষার অবসান ঘটেছে। পঁচিশে বৈশাখের পুণ্যলগ্নে পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক ইতিহাসে সূচিত হয়েছে এক সম্পূর্ণ নতুন অধ্যায়। শনিবার কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে লক্ষ লক্ষ মানুষের সাক্ষী রেখে পশ্চিমবঙ্গের প্রথম বিজেপি মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। কিন্তু ব্রিগেডের মেগা-মঞ্চে যখন বাংলার নতুন সরকারের ইতিহাস লেখা হচ্ছে, তখন সেই অনুষ্ঠানেরই একটি ঘটনা নিয়ে সরব হলেন নবনির্বাচিত বিধায়ক স্বপন দাশগুপ্তের স্ত্রী রেশমি দাশগুপ্ত।
রেশমি দাশগুপ্তের বিস্ফোরক অভিযোগ

রবিবার সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও শেয়ার করে দুই আইপিএস আধিকারিকের বিরুদ্ধে ‘অসৌজন্যে’র অভিযোগ তুলেছেন রেশমি দাশগুপ্ত। তাঁর দাবি, স্বপনবাবু-সহ বিজেপির অন্তত পাঁচ জন নবনির্বাচিত বিধায়ক দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকলেও সামনের সারিতে বসা দুই পুলিশ আধিকারিক তাঁদের জায়গা ছেড়ে দিতে অস্বীকার করেন। এমনকী, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী যখন মঞ্চে প্রবেশ করেন, তখনও ওই মহিলা আইপিএস আধিকারিক উঠে দাঁড়িয়ে সৌজন্য দেখাননি বলে তাঁর অভিযোগ। এখানে বলে রাখা দরকার, যে দুই অফিসারের 'অসৌজন্য' নিয়ে অভিযোগ উঠছে তাঁদের একজন পশ্চিম মেদিনীপুরের এসপি পাপিয়া সুলতানা। যদিও ভিডিওতে দেখা গেছে, মহিলা অফিসারের পাশে বসে থাকা আইপিএস অফিসার নিজে খানিকটা সরে গিয়ে জায়গা করে দিয়েছেন।
এক্স হ্যান্ডলে স্বপন-জায়া লিখেছেন, ‘আমি বারবার ওই অফিসারদের অনুরোধ করেছিলাম, বাংলার প্রথম বিজেপি সরকারের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে এসে আপনারা কী নবনির্বাচিত বিধায়কদের বসার জায়গা দেবেন না? কিন্তু তাঁরা কোনও উত্তর দেননি।’ তিনি আরও বলেন, সাধারণ মানুষ উঠে দাঁড়িয়ে বিধায়কদের জায়গা করে দিলেও ‘খাকি উর্দির দম্ভ’ নিয়ে ওই আধিকারিকরা অনড় ছিলেন। রেশমি সরাসরি প্রশ্ন তুলেছেন, ‘তৃণমূল জমানার কোনও অনুষ্ঠানে পুলিশ কী এমন আচরণ করার সাহস পেত?’ রেশমি দাসগুপ্ত আইপিএস পাপিয়া সুলতানাকে ট্যাগ করে লেখেন, প্রোটোকল ভেঙে তিনি প্রধানমন্ত্রী ঢোকার পরেও চেয়ার ছাড়েননি। এই বিষয়টি নিয়ে নেটপাড়ায় শুরু হয়েছে তুমুল বিতর্ক।
অন্যদিকে, সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়ালের তরফে আইপিএস পাপিয়া সুলতানার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, 'আমি ওখানে আমন্ত্রিত ছিলাম। এর বাইরে এ বিষয়ে আর কোনও কথা বলব না।' তবে রেশমি দাশগুপ্তের এই অভিযোগের পর অবশ্য ভিন্ন মত উঠে এসেছে নেটিজেনদের একাংশের কাছ থেকে। পোস্টের কমেন্ট বক্সে জশোজিৎ মুখোপাধ্যায় নামে এক ব্যক্তি লিখেছেন, ‘পুলিশ আধিকারিকদের ব্যবহার ঠিক না হলেও, ঘটনাটা প্রধানমন্ত্রীর ভাবমূর্তিকে খাটো করে।’ এদিকে, ‘ডক্টর ভাইরাস’ নামে এক ইউজার প্রোটোকল বা ‘অর্ডার অফ প্রিসিডেন্স’-এর যুক্তি টেনে লিখেছেন, সরকারি প্রোটোকল অনুযায়ী বিধায়কদের জন্য আলাদা কোনও র্যাঙ্কিং থাকে না। তাঁর দাবি, ওই পুলিশ আধিকারিকরা এডিজি পদমর্যাদার, তাই তাঁদের বসার ক্ষেত্রে কোনও আইনি ভুল নেই। অন্য এক নেটিজেনের মতে, গোটা বিষয়টি ছিল চূড়ান্ত বিশৃঙ্খল, যেখানে ভিড়ের তুলনায় আসনের সংখ্যা ছিল নিতান্তই কম।
{{/usCountry}}অন্যদিকে, সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়ালের তরফে আইপিএস পাপিয়া সুলতানার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, 'আমি ওখানে আমন্ত্রিত ছিলাম। এর বাইরে এ বিষয়ে আর কোনও কথা বলব না।' তবে রেশমি দাশগুপ্তের এই অভিযোগের পর অবশ্য ভিন্ন মত উঠে এসেছে নেটিজেনদের একাংশের কাছ থেকে। পোস্টের কমেন্ট বক্সে জশোজিৎ মুখোপাধ্যায় নামে এক ব্যক্তি লিখেছেন, ‘পুলিশ আধিকারিকদের ব্যবহার ঠিক না হলেও, ঘটনাটা প্রধানমন্ত্রীর ভাবমূর্তিকে খাটো করে।’ এদিকে, ‘ডক্টর ভাইরাস’ নামে এক ইউজার প্রোটোকল বা ‘অর্ডার অফ প্রিসিডেন্স’-এর যুক্তি টেনে লিখেছেন, সরকারি প্রোটোকল অনুযায়ী বিধায়কদের জন্য আলাদা কোনও র্যাঙ্কিং থাকে না। তাঁর দাবি, ওই পুলিশ আধিকারিকরা এডিজি পদমর্যাদার, তাই তাঁদের বসার ক্ষেত্রে কোনও আইনি ভুল নেই। অন্য এক নেটিজেনের মতে, গোটা বিষয়টি ছিল চূড়ান্ত বিশৃঙ্খল, যেখানে ভিড়ের তুলনায় আসনের সংখ্যা ছিল নিতান্তই কম।
{{/usCountry}}তবে স্বপন-পত্নী তাঁর অভিযোগে অনড়। তাঁর মতে, এই ঘটনা কেবল সিটের লড়াই নয়, বরং নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি এবং খোদ দেশের প্রধানমন্ত্রীর প্রতি চরম অসম্মান। বিতর্কিত ওই দুই পুলিশ আধিকারিকের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া উচিত কিনা, সেই প্রশ্নও তুলেছেন তিনি।