উত্তর ২৪ পরগনার টাকি পুরসভায় ফের রাজনৈতিক জল্পনা উস্কে দিলেন তৃণমূলের ‘বিদ্রোহী’ কাউন্সিলর প্রদ্যুৎ দাস। টাকি পুরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের এই কাউন্সিলর সোমবার ই-মেলের মাধ্যমে নিজের পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন বলে পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে। একইসঙ্গে বসিরহাটের মহকুমাশাসকের কাছেও তাঁর ইস্তফাপত্র পাঠানো হয়েছে।

প্রদ্যুৎ দাস দীর্ঘদিন ধরেই টাকি পুরসভার প্রশাসনিক কাজকর্ম এবং আর্থিক অনিয়ম নিয়ে সরব ছিলেন। একাধিক আর্থিক দুর্নীতি, পুরবোর্ড পরিচালনায় বেনিয়ম এবং প্রশাসনিক স্বচ্ছতার অভাবের অভিযোগ তুলে তিনি অতীতেও প্রকাশ্যে ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন। এমনকি লিখিতভাবে তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন দপ্তরের কাছেও অভিযোগ জানিয়েছিলেন বলে দাবি করা হয়েছে।
তাঁর অভিযোগ ছিল, দুর্নীতির বিষয়গুলি তুলে ধরার পরও কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি। বরং তাঁকে নানা ধরনের চাপ, শাসানি এবং হুমকির মুখে পড়তে হয়েছিল। যদিও এবার কেন তিনি কাউন্সিলর পদ থেকে ইস্তফা দিলেন, সে বিষয়ে তাঁর কোনও প্রতিক্রিয়া এখনও পাওয়া যায়নি।
প্রসঙ্গত, প্রায় তিন বছর আগে টাকি পুরসভার তৎকালীন ভাইস চেয়ারম্যান ফারুক গাজির বিরুদ্ধে আর্থিক তছরূপ, দুর্ব্যবহার এবং মারধরের অভিযোগ তুলে শাসক দলের পাঁচ কাউন্সিলর একযোগে বিদ্রোহ ঘোষণা করেছিলেন। সেই আন্দোলনের অন্যতম মুখ ছিলেন প্রদ্যুৎ দাস। পাঁচ বিদ্রোহী কাউন্সিলর বিধানসভায় গিয়ে পদত্যাগপত্র জমা দেওয়ায় সে সময়ও ব্যাপক রাজনৈতিক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছিল।
টাকি পুরসভায় মোট ১৬টি ওয়ার্ড রয়েছে। গত পুরসভা নির্বাচনে তার মধ্যে ১৪টি আসনে জয় পেয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেস এবং ২টি আসন দখল করেছিল বিজেপি। ফলে একজন কাউন্সিলরের পদত্যাগে পুরবোর্ডের সংখ্যাগরিষ্ঠতায় তাৎক্ষণিক কোনও প্রভাব না পড়লেও, রাজনৈতিকভাবে ঘটনাটি যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। সাম্প্রতিক সময়ে রাজ্যের বিভিন্ন পুরসভা ও পুরনিগমে জনপ্রতিনিধিদের পদত্যাগের ঘটনাকে কেন্দ্র করে যখন রাজনৈতিক চর্চা তুঙ্গে, তখন টাকি পুরসভার এই পদত্যাগও নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে শাসকদলের অন্দরের পরিস্থিতি নিয়ে। রাজনৈতিক মহলের নজর এখন প্রদ্যুৎ দাসের পরবর্তী অবস্থান এবং তাঁর পদত্যাগের প্রকৃত কারণের দিকেই।
{{/usCountry}}টাকি পুরসভায় মোট ১৬টি ওয়ার্ড রয়েছে। গত পুরসভা নির্বাচনে তার মধ্যে ১৪টি আসনে জয় পেয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেস এবং ২টি আসন দখল করেছিল বিজেপি। ফলে একজন কাউন্সিলরের পদত্যাগে পুরবোর্ডের সংখ্যাগরিষ্ঠতায় তাৎক্ষণিক কোনও প্রভাব না পড়লেও, রাজনৈতিকভাবে ঘটনাটি যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। সাম্প্রতিক সময়ে রাজ্যের বিভিন্ন পুরসভা ও পুরনিগমে জনপ্রতিনিধিদের পদত্যাগের ঘটনাকে কেন্দ্র করে যখন রাজনৈতিক চর্চা তুঙ্গে, তখন টাকি পুরসভার এই পদত্যাগও নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে শাসকদলের অন্দরের পরিস্থিতি নিয়ে। রাজনৈতিক মহলের নজর এখন প্রদ্যুৎ দাসের পরবর্তী অবস্থান এবং তাঁর পদত্যাগের প্রকৃত কারণের দিকেই।
{{/usCountry}}