...
...
Next Story

Taratala Building Collapse: তারাতলা কাণ্ডের তদন্তে নয়া মোড়, শুভেন্দুর 'ক্যামাক স্ট্রিট বিস্ফোরণের' পরই গ্রেফতার 'কালী'

তারাতলার নির্মাণস্থলে ভয়াবহ দুর্ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ১১ জন শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও বহু মানুষ। বৃহস্পতিবার বিধানসভায় বিষয়টি নিয়ে সরব হন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি দাবি করেন, নির্মাণ সংক্রান্ত নথিতে ফিরহাদ হাকিমের স্বাক্ষর রয়েছে। পাশাপাশি কালীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূমিকাও সামনে আনেন তিনি।

Published on: Jun 26, 2026 08:16 AM IST
Advertisement

তারাতলায় নির্মীয়মান একটি গোডাউন ভেঙে পড়ার ঘটনায় তদন্তে বড় পদক্ষেপ করল বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট)। কলকাতার প্রাক্তন মেয়র ফিরহাদ হাকিমের প্রাক্তন ওএসডি কালীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায় ওরফে ‘কালী’-কে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শুক্রবার তাঁকে আদালতে তোলা হবে বলে জানা গিয়েছে। এই গ্রেপ্তারির ফলে তারাতলা বিপর্যয়ের তদন্তে নতুন মোড় এসেছে বলে মনে করা হচ্ছে।

কালীচরণকে আটক করে সিট। পরে থানায় নিয়ে গিয়ে তাঁকে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেফতার করা হয়।
কালীচরণকে আটক করে সিট। পরে থানায় নিয়ে গিয়ে তাঁকে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেফতার করা হয়।

তারাতলার নির্মাণস্থলে ভয়াবহ দুর্ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ১১ জন শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও বহু মানুষ। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক চাপানউতোরও তীব্র হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিধানসভায় বিষয়টি নিয়ে সরব হন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি দাবি করেন, নির্মাণ সংক্রান্ত নথিতে ফিরহাদ হাকিমের স্বাক্ষর রয়েছে। পাশাপাশি কালীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূমিকাও সামনে আনেন তিনি।

বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী বলেন, কালীচরণকে ক্যামাক স্ট্রিটের নির্দেশে কলকাতা পুরসভায় আনা হয়েছিল এবং শহরের প্রায় সব বড় নির্মাণ প্রকল্পের অনুমোদনের ক্ষেত্রে তাঁর প্রভাব ছিল। তাঁর কথায়, 'কালীকে ধরলেই সব সত্য সামনে চলে আসবে।' মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্যের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই কালীচরণকে আটক করে সিট। পরে থানায় নিয়ে গিয়ে তাঁকে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেফতার করা হয়।

সূত্রের খবর, কালীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায় অত্যন্ত মেধাবী সরকারি আধিকারিক ছিলেন। ২০০৩ সালে পশ্চিমবঙ্গ সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় রাজ্যে দ্বিতীয় স্থান অধিকার করে ভূমি ও ভূমি রাজস্ব দফতরে যোগ দেন। পরে ২০০৬ সালে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ সার্ভিস পরীক্ষায় প্রথম স্থান অর্জন করলেও প্রশিক্ষণ চলাকালীন চাকরি ছেড়ে আবার আগের দফতরে ফিরে যান।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe