তারাতলা গুদাম ধসে পড়ার ঘটনার তদন্তে এখনও পর্যন্ত মোট পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধৃতদের মধ্যে রয়েছেন নির্মাণকাজের সুপারভাইজার গুলজার হোসেন, লোহার কাঠামো প্রস্তুতকারক কমল সামন্ত, জমির লিজগ্রহীতা শম্ভুনাথ বেহেরা, শ্রমিক সরবরাহকারী ও ঠিকাদার দিবারক ভাণ্ডারি এবং নির্মাণ পরিকল্পনার অনুমোদন সংক্রান্ত মধ্যস্থতাকারী আবদুল হামিদ।

এদিকে ঘটনার তদন্তে বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) গঠন করা হয়েছে। এই দলে রয়েছেন কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের একাধিক অভিজ্ঞ আধিকারিক। তদন্তকারী দলের নেতৃত্বে রয়েছেন এসিপি জয়সূর্য মুখোপাধ্যায়। এছাড়া রয়েছেন গোয়েন্দা দপ্তরের হোমিসাইড বিভাগের অফিসার-ইন-চার্জ দেবাশিস দত্ত, ইন্সপেক্টর হিরক দলপতি, গুণ্ডাদমন শাখার ইন্সপেক্টর সরফরাজ আহমেদ এবং তারাতলা থানার সাব-ইন্সপেক্টর মানস ভট্টাচার্য ও কুশল মণ্ডল।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে নির্মাণকাজে আরও কারও গাফিলতি বা ভূমিকা ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তে নতুন তথ্য সামনে এলে আরও গ্রেফতারির সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে না। তারাতলা বিপর্যয়কে কেন্দ্র করে রাজ্যজুড়ে তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিধানসভায় এই বিষয়ে বিবৃতি দেওয়ার কথা রয়েছে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর। উদ্ধারকাজের অগ্রগতি, তদন্তের বর্তমান অবস্থা এবং ভবিষ্যৎ পদক্ষেপ নিয়ে তিনি বিস্তারিত জানাতে পারেন বলে প্রশাসনিক সূত্রে খবর। ধ্বংসস্তূপের মাঝে এখনও চলছে জীবন খোঁজার লড়াই। আর সেই লড়াইয়ে সেনাবাহিনীর দ্রুত হস্তক্ষেপ ও প্রযুক্তিনির্ভর উদ্ধার অভিযানকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন উদ্ধারকর্মী ও প্রশাসনিক কর্তারা।
অন্যদিকে দুর্ঘটনার প্রায় একদিন পরেও ঘটনাস্থলে চলছে জোরকদমে উদ্ধার অভিযান। কেন্দ্র ও রাজ্যের বিভিন্ন উদ্ধারকারী সংস্থা যৌথভাবে কাজ করছে। ধসে পড়া কাঠামোর বিশাল লোহার বিম, কংক্রিটের চাঙড় এবং নির্মাণসামগ্রীর স্তূপ সরিয়ে খোঁজ চালানো হচ্ছে। এখনও কেউ ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে রয়েছেন কি না, তা নিশ্চিত হতে প্রতিটি অংশ সতর্কতার সঙ্গে পরীক্ষা করা হচ্ছে। সেনাবাহিনীর পাশাপাশি জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী (এনডিআরএফ), দমকল, কলকাতা পুলিশ এবং সিভিল ডিফেন্সের কর্মীরাও যৌথভাবে কাজ করছেন। উদ্ধারকারী দল ধাপে ধাপে ভারী কংক্রিট ও লোহার কাঠামো সরিয়ে দেখছে কোনও ব্যক্তি এখনও ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে রয়েছেন কি না। কোনও সম্ভাবনাকেই উড়িয়ে দিতে চাইছে না প্রশাসন। তাই সম্পূর্ণ এলাকা খতিয়ে দেখার পরেই উদ্ধার অভিযান সমাপ্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
{{/usCountry}}অন্যদিকে দুর্ঘটনার প্রায় একদিন পরেও ঘটনাস্থলে চলছে জোরকদমে উদ্ধার অভিযান। কেন্দ্র ও রাজ্যের বিভিন্ন উদ্ধারকারী সংস্থা যৌথভাবে কাজ করছে। ধসে পড়া কাঠামোর বিশাল লোহার বিম, কংক্রিটের চাঙড় এবং নির্মাণসামগ্রীর স্তূপ সরিয়ে খোঁজ চালানো হচ্ছে। এখনও কেউ ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে রয়েছেন কি না, তা নিশ্চিত হতে প্রতিটি অংশ সতর্কতার সঙ্গে পরীক্ষা করা হচ্ছে। সেনাবাহিনীর পাশাপাশি জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী (এনডিআরএফ), দমকল, কলকাতা পুলিশ এবং সিভিল ডিফেন্সের কর্মীরাও যৌথভাবে কাজ করছেন। উদ্ধারকারী দল ধাপে ধাপে ভারী কংক্রিট ও লোহার কাঠামো সরিয়ে দেখছে কোনও ব্যক্তি এখনও ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে রয়েছেন কি না। কোনও সম্ভাবনাকেই উড়িয়ে দিতে চাইছে না প্রশাসন। তাই সম্পূর্ণ এলাকা খতিয়ে দেখার পরেই উদ্ধার অভিযান সমাপ্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
{{/usCountry}}