...
...
Next Story

Taratala Building Collapse Update: তারাতলায় নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার? সামনে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য

লালবাজারের একটি সূত্রে জানিয়েছে, গোডাউন নির্মাণে লোহার রড কেনার জন্য মাত্র ২ কোটি ৪০ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছিল। কিন্তু গোয়েন্দাদের হিসাব বলছে, এত বড় প্রকল্পে নিরাপদ নির্মাণের জন্য এর চেয়ে অনেক বেশি অর্থ প্রয়োজন ছিল।

Published on: Jun 26, 2026 11:56 AM IST
Advertisement

তারাতলায় নির্মীয়মান তিনতলা গোডাউনের ছাদ ধসে ভয়াবহ দুর্ঘটনার তদন্তে নতুন নতুন তথ্য সামনে আসছে। বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট)-এর প্রাথমিক তদন্তে সন্দেহ করা হচ্ছে, নির্মাণকাজে নিম্নমানের লোহার রড ও অন্যান্য সামগ্রী ব্যবহার করা হয়েছিল। তদন্তকারীদের মতে, এটাই গোডাউন ধসে পড়ার অন্যতম প্রধান কারণ হতে পারে। রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, লালবাজারের একটি সূত্রে জানিয়েছে, গোডাউন নির্মাণে লোহার রড কেনার জন্য মাত্র ২ কোটি ৪০ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছিল। কিন্তু গোয়েন্দাদের হিসাব বলছে, এত বড় প্রকল্পে নিরাপদ নির্মাণের জন্য এর চেয়ে অনেক বেশি অর্থ প্রয়োজন ছিল। তাই খরচ কমানোর উদ্দেশ্যে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার করা হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

গোডাউন নির্মাণে লোহার রড কেনার জন্য মাত্র ২ কোটি ৪০ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছিল। (PTI)
গোডাউন নির্মাণে লোহার রড কেনার জন্য মাত্র ২ কোটি ৪০ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছিল। (PTI)

তদন্তে আরও একটি বড় সমস্যার কথা সামনে এসেছে। দুর্ঘটনার সময় ঠিক কতজন শ্রমিক কাজ করছিলেন, তার কোনও নির্দিষ্ট হিসাব নেই। পুলিশ জানিয়েছে, শ্রমিকদের উপস্থিতির কোনও সরকারি নথি বা রেজিস্টার পাওয়া যায়নি। যদি কোনও নথি থেকেও থাকে, তা ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে থাকতে পারে। ফলে এখনও নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না, ধ্বংসস্তূপের নিচে আর কোনও শ্রমিক আটকে রয়েছেন কি না।

তদন্তে জানা গেছে, গোডাউন নির্মাণের দায়িত্ব পেয়েছিল বেহরা ব্রাদার্স। তারা আবার নির্মাণের কাজের বরাত দেয় আয়ান ট্রেডার্স নামে একটি সংস্থাকে। ওই সংস্থার কর্ণধার আসগর হোসেনের মৃতদেহ ইতিমধ্যেই ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার হয়েছে। তাঁর নাম এফআইআরেও রয়েছে। এছাড়া সংস্থার সুপারভাইজার গুলজার হোসেন, লোহার কাঠামোর নির্মাতা কমল সামন্ত, বেহরা ব্রাদার্সের মালিক শম্ভুনাথ বেহরা, শ্রমিক সরবরাহকারী দিবাকর ভাণ্ডারী এবং পরিকল্পনা অনুমোদনের সঙ্গে যুক্ত আবদুল হামিদকে গ্রেফতার করে আদালতে তোলা হয়েছে। আদালত তাঁদের ৪ জুলাই পর্যন্ত পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe