...
...
Next Story

WB Winter Forecast till 30th January: পরপর ২ দিন শীতের ‘দাদাগিরি’, পারদ পড়ল ১.৭ ডিগ্রি, জানুয়ারির শেষে বাড়বে ঠান্ডা?

লম্বা উইকেন্ডের যেন 'উপহার' দিচ্ছে শীত। পরপর দু'দিন পশ্চিমবঙ্গের একাধিক জায়গায় পারদ কিছুটা পড়ল। কলকাতায় যেমন বৃহস্পতিবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৫.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আজ সেটা কমে ১৪ ডিগ্রিতে ঠেকেছে। আগামী কয়েকদিন কী হবে?

Published on: Jan 24, 2026, 14:53:46 IST
Advertisement

লম্বা উইকেন্ডের যেন 'উপহার' দিচ্ছে শীত। জাঁকিয়ে শীতের আশা কার্যত শেষ হয়ে গেলেও পরপর দু'দিন পশ্চিমবঙ্গের একাধিক জায়গায় পারদ কিছুটা পড়ল। কলকাতায় যেমন বৃহস্পতিবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৫.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আজ সেটা কমে ১৪ ডিগ্রিতে ঠেকেছে। অর্থাৎ দু'দিনে ১.৭ ডিগ্রি কমেছে তাপমাত্রা। তবে জানুয়ারির শেষ সপ্তাহে কলকাতা-সহ পশ্চিমবঙ্গের কোনও জায়গায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা (রাতের তাপমাত্রা) হেরফের হওয়ার তেমন কোনও সম্ভাবনা নেই। অর্থাৎ এখন যেমন সর্বনিম্ন তাপমাত্রা আছে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলায়, সেরকমই আবহাওয়া থাকবে প্রজাতন্ত্র দিবস (২৬ জানুয়ারি) এবং পরবর্তী সময়।

জানুয়ারির শেষে সর্বনিম্ন তাপমাত্রার ওঠানামা হবে?

জাঁকিয়ে শীতের আশা কার্যত শেষ। তাও পশ্চিমবঙ্গের পারদ কিছুটা পড়ল। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্যে পিটিআই)
জাঁকিয়ে শীতের আশা কার্যত শেষ। তাও পশ্চিমবঙ্গের পারদ কিছুটা পড়ল। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্যে পিটিআই)

আলিপুর আবহাওয়া দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, আগামী সাতদিন উত্তরবঙ্গের সব জেলা (দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর এবং মালদা) এবং দক্ষিণবঙ্গের সব জেলার (কলকাতা, হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ এবং নদিয়া) সর্বনিম্ন তাপমাত্রা মোটামুটি একই স্তরে থাকবে। সার্বিকভাবে আগামী ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গের কোনও জেলায় বৃষ্টি হবে না। শুষ্ক থাকবে প্রতিটি জেলার আবহাওয়া।

কুয়াশার দাপট কমবে দক্ষিণবঙ্গের কয়েকটি জেলায়

আবার ওই সময় কুয়াশার দাপটও কিছুটা কমে যাবে। বিশেষত দক্ষিণবঙ্গের হাতেগোনা কয়েকটি জেলায় হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা পড়তে পারে। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, রবিবার এবং সোমবার সকালের দিকে পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম এবং মুর্শিদাবাদের একটি বা দুটি অংশে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা থাকবে। আর মঙ্গলবার উত্তর ২৪ পরগনা, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ এবং নদিয়ায় হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা পড়তে পারে।

ঘন কুয়াশা কোথায় কোথায় পড়বে?

 
ABOUT THE AUTHOR
Ayan Das

অয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe