...
...
Next Story

বন্ধ হল কাটাছেঁড়া! ঘুষের বিনিময়ে প্রশ্ন মামলায় স্বস্তি মহুয়ার, লোকপালের নির্দেশ খারিজ হাইকোর্টের

বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবে লোকসভার স্পিকারের কাছে চিঠি দিয়ে মহুয়া মৈত্রের সাংসদ পদ খারিজের দাবি জানান।

Published on: Dec 19, 2025, 16:58:01 IST
Advertisement

ঘুষের বিনিময়ে প্রশ্নের মামলায় সাময়িকভাবে বন্ধ হল কাটাছেঁড়া। শুক্রবার দিল্লি হাইকোর্টে স্বস্তি পেলেন কৃষ্ণনগরের তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ মহুয়া মৈত্র। সংসদে ‘ঘুষের বিনিময়ে প্রশ্ন’ মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে চার সপ্তাহের মধ্যে চার্জশিট জমা দিতে সিবিআইকে নির্দেশ দিয়েছিল লোকপাল। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে দিল্লি হাইকোর্টে আবেদন জানিয়েছিলেন মহুয়া। এরপরেই লোকপালের ওই নির্দেশ খারিজ করে দিয়ে বিষয়টি নতুন করে বিবেচনার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

স্বস্তি মহুয়া মৈত্রের (PTI)
স্বস্তি মহুয়া মৈত্রের (PTI)

শুক্রবার দিল্লি হাইকোর্টের বিচারপতি অনিল ক্ষেত্রপাল এবং বিচারপতি হরিশ বৈদ্যনাথ শঙ্করের ডিভিশন বেঞ্চে ছিল রায়দানের পালা। এজলাসে লোকপালের দেওয়া নির্দেশকে বাতিলের জন্য আবেদন জানিয়েছিলেন মহুয়া মৈত্রের সওয়ালকারী নিধেশ গুপ্ত। এদিন হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছে, নির্দেশ জারির ক্ষেত্রে লোকপালের কিছু ত্রুটি ছিল। সেই কারণেই গোটা বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করা প্রয়োজন। আদালত এক সপ্তাহের মধ্যে লোকপালকে নতুন করে সিদ্ধান্ত নিতে বলেছে। গত ২১ নভেম্বর দিল্লি হাইকোর্টে মহুয়ার চ্যালেঞ্জের শুনানি শেষ হয়েছিল। রায়দান স্থগিত রেখেছিল বেঞ্চ। অবশেষে প্রায় এক মাস পর এল রায়। আদালতের পর্যবেক্ষণ, ভারতের লোকপাল সংশ্লিষ্ট লোকপালের আইনের বিধানগুলি বুঝতে 'ভুল করেছেন।' তাই এক মাসের মধ্যে পুনরায় মহুয়ার বিরুদ্ধে চলা মামলা নিয়ে বিবেচনা করে ফের নির্দিষ্ট সিদ্ধান্তে উপনীত হতে হবে।

উল্লেখ্য, এর আগে ‘ঘুষের বিনিময়ে প্রশ্ন’ মামলায় মহুয়া মৈত্রের বিরুদ্ধে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিল লোকপাল। সেই তদন্ত শেষ করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা একটি বিস্তারিত রিপোর্ট লোকপালের কাছে জমা দেয়। রিপোর্টে উঠে আসা তথ্যের ভিত্তিতে সিবিআই আদালতে চার্জশিট দাখিল করে আইনি প্রক্রিয়া শুরু করার অনুমতি চায়। গত ১২ নভেম্বর লোকপালের ফুল বেঞ্চ সেই আবেদন মঞ্জুর করে সিবিআইকে চার সপ্তাহের মধ্যে চার্জশিট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেয়। এই নির্দেশের বিরুদ্ধেই দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন মহুয়া। লোকপালের নির্দেশ বাতিলের পাশাপাশি তিনি অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশও চেয়েছিলেন, যাতে আদালতে মামলা চলাকালীন সিবিআই তাঁর বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ না করে।

ঘটনার সূত্রপাত

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe