Birth Certificate: ২০২১ থেকে ২০২৫—তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের জামানার শেষ পাঁচ বছরে দেওয়া জন্মশংসাপত্র (Birth Certificate) এখন শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) সরকারের নজরদারির অধীনে এসেছে। মুখ্যসচিব মনোজ আগরওয়ালের জারি করা এক নির্দেশিকায় এই জন্মশংসাপত্রগুলির সত্যতা যাচাই বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। রাজ্য সরকারের তরফ থেকে ঘোষণা করা হয়েছে, ২০২১ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত অফলাইন বা ডিজিটাল - যে কোনও পদ্ধতিতে জারি করা জন্মশংসাপত্রের সত্যতা যাচাই করা হবে। ব্লক ডেভেলপমেন্ট অফিসার (BDO) এবং সাব-ডিভিশনাল অফিসারদের (SDO) ওপর এই ভেরিফিকেশনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
২০২১ থেকে ২০২৫ সালে ইস্যু করা জন্মশংসাপত্রের সত্যতা যাচাই

আগেই নবান্ন সূত্রে জানানো হয়েছে যে, জন্ম ও মৃত্যুর শংসাপত্র প্রদানের ক্ষেত্রে একাধিক উদ্বেগজনক অসঙ্গতি ধরা পড়েছে। ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR) প্রক্রিয়ার সময় প্রচুর পরিমাণে জাল শংসাপত্রের অস্তিত্ব সামনে আসে। তাই সরকার এখন জন্মশংসাপত্রগুলি যাচাই করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সরকারি বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, গ্রামীণ এলাকায় যাচাইকরণের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বিডিও-দের এবং শহরাঞ্চলে এসডিও-দের ওপর দায়িত্ব থাকবে। দরকারে তাঁরা তদন্তকারী দলও গঠন করতে পারবেন। বিশেষ করে দেরিতে রেজিস্ট্রেশনের বিষয়গুলি গুরুত্ব সহকারে দেখা হবে। সরকার এও জানিয়েছে যে, শংসাপত্র দেওয়ার সময় নথিপত্র ঠিকভাবে যাছাই করা হয়েছিল কিনা ও নিয়মকানুন মানা হয়েছিল কিনা – সবটাই খতিয়ে দেখা হবে।
এর পাশাপাশি নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে, যাচাই করা নথিপত্র এবং তদন্তের ফলাফল সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য জন্ম ও মৃত্যু তথ্য পোর্টালে আপলোড করতে হবে। প্রতিটি জন্মশংসাপত্রের জন্য একটি বিস্তারিত রিপোর্ট তৈরি করতেও বলা হয়েছে এবং এতে উল্লেখ করতে হবে যে, শংসাপত্রটি আসল, জাল নাকি তাতে কোনও ত্রুটি রয়েছে। পাশাপাশি, শংসাপত্র প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের এক্তিয়ার বা সীমানা বিষয়টিও বিচার করে দেখতে হবে। প্রসঙ্গত, রাজ্যের পুরপ্রধান বা পঞ্চায়েত প্রধানরা জন্মশংসাপত্র দিতে পারবেন না বলে আগেই জানিয়েছিল সরকার। এই দায়িত্বভার শুধু সরকারি আধিকারিকদের ওপরই ন্যস্ত করা হয়েছে। যদি কোনও শংসাপত্র জাল বা অবৈধ বলে প্রমাণিত হয়, তবে তার কারণটি রিপোর্টে উল্লেখ করতে বলা হয়েছে। প্রশাসন নির্দেশ দিয়েছে যে, এই যাচাইকরণ প্রক্রিয়াটি সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যেই সম্পন্ন করতে হবে।
যে জন্মশংসাপত্রগুলি জন্মের এক বছরেরও বেশি সময় পর ইস্যু করা হয়েছে, সেগুলির সর্ম্পকে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। বিডিও বা এসডিও-কে এই দেরি কেন হয়েছে, তার কারণ অনুসন্ধান করতে হবে। সরকারি নির্দেশিকায় বলা হয়েছে যে, এই পদক্ষেপের উদ্দেশ্য হল জন্ম সংক্রান্ত নথিপত্র ডিজিটাইজ করা। নির্দিষ্ট কর্মকর্তাদের ওপর এই দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে এবং ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট বা ডেপুটি কালেক্টরের নিচের পদমর্যাদার কোনও কর্মকর্তা এই প্রক্রিয়ায় যুক্ত হতে পারবেন না বলেও জানানো হয়েছে। কর্মকর্তাদের অবশ্যই আবেদনগুলি খতিয়ে দেখতে হবে এবং প্রয়োজনে তাঁরা সহায়ক নথিপত্র, যা আবেদনের সময় জমা দেওয়া হয়েছিল, সেগুলিও যাচাই করতে পারবেন।
{{/usCountry}}যে জন্মশংসাপত্রগুলি জন্মের এক বছরেরও বেশি সময় পর ইস্যু করা হয়েছে, সেগুলির সর্ম্পকে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। বিডিও বা এসডিও-কে এই দেরি কেন হয়েছে, তার কারণ অনুসন্ধান করতে হবে। সরকারি নির্দেশিকায় বলা হয়েছে যে, এই পদক্ষেপের উদ্দেশ্য হল জন্ম সংক্রান্ত নথিপত্র ডিজিটাইজ করা। নির্দিষ্ট কর্মকর্তাদের ওপর এই দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে এবং ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট বা ডেপুটি কালেক্টরের নিচের পদমর্যাদার কোনও কর্মকর্তা এই প্রক্রিয়ায় যুক্ত হতে পারবেন না বলেও জানানো হয়েছে। কর্মকর্তাদের অবশ্যই আবেদনগুলি খতিয়ে দেখতে হবে এবং প্রয়োজনে তাঁরা সহায়ক নথিপত্র, যা আবেদনের সময় জমা দেওয়া হয়েছিল, সেগুলিও যাচাই করতে পারবেন।
{{/usCountry}}