Sushanta Ghosh arrested: অবশেষে গ্রেফতার কলকাতা পুরসভার প্রাক্তন তৃণমূল কংগ্রেস কাউন্সিলর সুশান্ত ঘোষ। সূত্রের খবর, বুধবার পুরী থেকে ১০৮ নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলরকে গ্রেফতার করেছে কলকাতা পুলিশের গুন্ডা দমন শাখার আধিকারিকরা। তোলাবাজি, কাটমানি, দুর্নীতি-সহ একাধিক অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। তাঁকে নিয়ে আসা হচ্ছে কলকাতায়। এর আগে তাঁর গাড়ির চালককেও ওড়িশা বর্ডার থেকে গ্রেফতার করা হয়েছিল।

রাজ্যে পালাবদলের পর এই নিয়ে কলকাতা পুরসভার ১১ জন প্রাক্তন কাউন্সিলরকে গ্রেফতার করা হল। হকারদের কাছ থেকে বেআইনিভাবে বিপুল পরিমাণ টাকা আদায়ের অভিযোগে সুশান্ত ঘোষ এবং তাঁর কয়েকজন ঘনিষ্ঠ সহযোগীর বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছিলেন একদল ব্যবসায়ী। অভিযোগকারীদের দাবি, বাজারে দোকান বরাদ্দ ও নির্মাণের নামে তাঁদের কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা নেওয়া হয়েছে। পূর্ব কলকাতার আনন্দপুর থানায় অভিযোগ জমা দিয়েছেন একটি বাজারের হকার্স কমিটির অন্তত ১৩০ জন সদস্য। তাঁদের অভিযোগ, গত কয়েক বছরে কাউন্সিলর সুশান্ত ঘোষ এবং তাঁর আরও অন্তত সাতজন সহযোগী মিলে প্রায় তিন কোটি টাকা আদায় করেছেন। অভিযোগ জানাজানি হতেই আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না সুশান্ত ঘোষকে। এলাকায় দেখা মিলছিল না, একাধিকবার ফোন করা হলেও পাওয়া যাচ্ছিল না। এর থেকেই অনেকে দুইয়ে দুইয়ে চার করার চেষ্টা করছিলেন। ওড়িশা পর্যন্ত তাঁকে ধাওয়া করেছিল পুলিশ। তবে পুলিশ আসতে দেখেই তিনি রাস্তায় গাড়ি থেকে নেমে পালিয়ে যান। তাঁর গাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয় চালক সুজিত চৌধুরীকে। তিনি পালাতে পারেননি।
অবশেষে পুরী থেকে গ্রেফতার করা হল সুশান্ত ঘোষকে। কিন্তু কী করে পুলিশের জালে পড়লেন তিনি? জানা গিয়েছে, পুরীতে অন্য একটি সিম ব্যবহার করছিলেন এই তৃণমূল নেতা। সেই সিমের সূত্র ধরেই তাঁর লোকেশন ট্র্যাক করে পুলিশ। এরপরই ওড়িশা পুলিশ ও কলকাতা পুলিশের যৌথ অভিযানে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাঁকে আনা হচ্ছে কলকাতায়। বিধানসভা ভোটে তৃণমূল হারতেই কলকাতা পুরমনিগমের ১২ নং বোরো-র চেয়ারম্যান পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন সুশান্ত ঘোষ। তবে কাউন্সিলর পদ থেকে ইস্তফা দেননি। পরে কলকাতা পুরসভার পুরবোর্ড ভেঙে দেওয়া হয়। সূত্রের খবর, পুলিশি তদন্তে সুশান্তের নামে একাধিক সম্পত্তির হদিস পাওয়া গিয়েছে। অভিযোগ, বেনামেও বহু সম্পত্তি রয়েছে সুশান্তের। এলাকায় তাঁর দাপট ছিল। তদন্তকারীদের প্রাথমিক অনুমান, তাঁর সঙ্গে যুক্ত সম্পত্তির মূল্য কয়েকশো কোটি টাকায় পৌঁছোতে পারে। সুশান্তকে হেফাজতে নিয়ে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করবে পুলিশ।
{{/usCountry}}অবশেষে পুরী থেকে গ্রেফতার করা হল সুশান্ত ঘোষকে। কিন্তু কী করে পুলিশের জালে পড়লেন তিনি? জানা গিয়েছে, পুরীতে অন্য একটি সিম ব্যবহার করছিলেন এই তৃণমূল নেতা। সেই সিমের সূত্র ধরেই তাঁর লোকেশন ট্র্যাক করে পুলিশ। এরপরই ওড়িশা পুলিশ ও কলকাতা পুলিশের যৌথ অভিযানে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাঁকে আনা হচ্ছে কলকাতায়। বিধানসভা ভোটে তৃণমূল হারতেই কলকাতা পুরমনিগমের ১২ নং বোরো-র চেয়ারম্যান পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন সুশান্ত ঘোষ। তবে কাউন্সিলর পদ থেকে ইস্তফা দেননি। পরে কলকাতা পুরসভার পুরবোর্ড ভেঙে দেওয়া হয়। সূত্রের খবর, পুলিশি তদন্তে সুশান্তের নামে একাধিক সম্পত্তির হদিস পাওয়া গিয়েছে। অভিযোগ, বেনামেও বহু সম্পত্তি রয়েছে সুশান্তের। এলাকায় তাঁর দাপট ছিল। তদন্তকারীদের প্রাথমিক অনুমান, তাঁর সঙ্গে যুক্ত সম্পত্তির মূল্য কয়েকশো কোটি টাকায় পৌঁছোতে পারে। সুশান্তকে হেফাজতে নিয়ে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করবে পুলিশ।
{{/usCountry}}উল্লেখ্য, রাজ্যে তৃণমূল ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকে একের পর এক নেতা, প্রাক্তন মন্ত্রী, বিধায়ক এবং কাউন্সিলরেরা গ্রেফতার হচ্ছেন।