...
...
Next Story

বুমেরাং! আর্থিক সংকট মেটাতে অফিস ভাড়া CPM-র, ভাড়াটে বলছে...

একদা লালদুর্গ বলে পরিচিত ছিল আউশগ্রাম। কংগ্রেস জমানাতেও আউশগ্রাম বিধানসভার দখল ছিল সিপিএমের হাতে।

Published on: Jan 13, 2026, 15:07:54 IST
Advertisement

রাজ্যে ২০১১ সালে রাজনৈতিক পালাবদলের পরে সংগঠনের আর্থিক সংকট মেটাতে যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল, তা এখন কার্যত বুমেরাং হয়ে ফিরছে। বর্তমানে পূর্ব বর্ধমানের গুসকরা শহরে সিপিএমের লোকাল কমিটির তিনতলা কার্যালয় ‘রবীন সেন ভবন’ নিয়ে অস্বস্তিতে পড়েছে দল। ১৯৯৯ সালের মে মাসে প্রাক্তন মন্ত্রী বিনয়কৃষ্ণ চৌধুরী এই পার্টি অফিসের উদ্বোধন করেন। দীর্ঘদিন ধরে এখান থেকেই সিপিএমের কাজকর্ম পরিচালিত হয়েছে।

আর্থিক সংকট মেটাতে অফিস ভাড়া CPM-র (সৌজন্যে টুইটার)
আর্থিক সংকট মেটাতে অফিস ভাড়া CPM-র (সৌজন্যে টুইটার)

জানা গেছে, ‘দুঃসময়’-এ সংগঠন চালানোর খরচ তুলতে বছরে ১ লক্ষ ৮০ হাজার টাকায় লিজ দেওয়া হয়েছিল গুসকরা শহরের লজপাড়ার তিনতলা কার্যালয়টি। আর তাতেই কাল হয়েছে। লিজের মেয়াদ চার বছর আগেই শেষ হয়ে গেলেও দখল ছাড়তে চাইছেন না স্থানীয় এক ব্যবসায়ী তথা প্রাক্তন ‘কমরেড।' ইতিমধ্যে দল থেকে একাধিকবার ওই লিজগ্রহীতা ব্যবসায়ী স্বপন পালকে বলা হয়েছে বকেয়া মিটিয়ে দিয়ে দলীয় কার্যালয় ছেড়ে দিতে। কিন্তু এখনও নিজের সিদ্ধান্তে অনড় স্বপন পাল। তাঁর দাবি, ‘আমি দলের লোকজনদের কাছে একাধিকবার জানিয়েছি, আমার লিজের মেয়াদ বাড়ানোর জন্য। কিন্তু বিষয়টি এখনও আলোচনার পর্যায়ে রয়েছে। লিজের মেয়াদ বাড়িয়ে দিলেই বকেয়া টাকা মিটিয়ে দেব এবং চুক্তি অনুযায়ী ভাড়াও মিটিয়ে যেতে রাজি আছি।’ যদিও সিপিএমের গুসকরা শহর এরিয়া কমিটির সম্পাদক ইরফান শেখ বলেন, ‘লিজের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পরেই ওঁকে কার্যালয়ের ভবন ছেড়ে দেওয়ার জন্য বলা হয়েছিল। দলে আলোচনার পর আমরা আর লিজের মেয়াদ বাড়াতে চাইছি না। তাই কার্যালয়টি ছেড়ে দিয়ে বকেয়া ভাড়া মিটিয়ে দিতে বলা হয়েছে।’

তবে স্বপন পাল জানিয়েছেন, ‘এই ভবনের জায়গা দলের নামে রেকর্ড নেই। সাতজন ব্যক্তির নামে দলিল রয়েছে। যে চালকল মালিকের কাছ থেকে জমি কেনা হয়েছিল সেই দলিলে পার্টি অফিস বলে কোনও উল্লেখই নেই। এখনও ভূমি ও ভূমি সংস্কার দফতরের রেকর্ডে চালকলের নামেই রেকর্ড রয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘২০১৯ সালের জানুয়ারি মাসে আমার সঙ্গে তিন বছরের লিজের বিনিময়ে চুক্তি সম্পাদন হয়েছিল। ২০২২ সালের জানুয়ারি মেয়াদ শেষ হয়ে যায়। বছরে ১ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা হিসাবে তিন বছরের টাকা মিটিয়ে দিয়েছি। তারপর থেকে এযাবৎ টাকা দিইনি। আমি লিজ বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছি। লিজের মেয়াদ বাড়ালেই বকেয়া সহ টাকা মিটিয়ে দেব।’ যদিও সিপিএমের স্থানীয় নেতৃত্ব এখন চাইছেন ওই কার্যালয়টি মুক্ত করতে। ইরফান শেখ বলেন, ‘আপাতত বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে। আমরা দলীয় কার্যালয় ফিরে পেতে চাই।’

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe