মালদার চাঁচলে এক তিন মাসের শিশুর হাতের স্যালাইনের চ্যানেল খুলতে গিয়ে তার ছোট্ট হাতের আঙুলকে কেটে ফেলা হয়েছে বলে অভিযোগ হাসপাতালের বিরুদ্ধে। নার্সের বদলে ওয়ার্ড বয়ের হাতে স্যালাইনের চ্যানেল খোলার দায়িত্ব গিয়েছিল বলে জানা যাচ্ছে। আর সেই ওয়ার্ড বয়ই চ্যানেল খুলতে গিয়ে ওই শিশুর হাতের আঙুল কেটে দিয়েছেন।

মালদার চাঁচল সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তুমুল চাঞ্চল্য তৈরি হয়। অভিযুক্ত ওয়ার্ড বয়ের বিরুদ্ধে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে শিশুর পরিবার। এই ঘটনার পর ফের একবার হাসাতালের পরিষেবা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। কীভাবে এমনটা ঘটল? এই প্রশ্ন আসতেই, অভিযুক্ত কর্মী বলছেন, কাজের সময় তাঁর ঘুম পাচ্ছিল, আর তার জন্যই এই ভুল হয়েছে। শিশুর দেখভালের দায়িত্বে থাকা একজন কর্মীর এহেন বক্তব্যে একাধিক প্রশ্ন উঠছে।
সোমবার রাতে ঘটনাকে কেন্দ্র করে তুমুল উত্তেজনা দেখা দেয়। মালদার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক সুদীপ্ত ভাদুড়ীর নির্দেশে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। ঘটনা খতিয়ে দেখছে তারা। জানা গিয়েছে, অসুস্থ ওই শিশুকে চাঁচল সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতালে সোমবার ওই শিশুকে ভর্তি করা হয়। শিশুটি জ্বর, শ্বাসকষ্টের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়। মঙ্গলবার তার ছুটি হয়ে যাওয়ারও কথা ছিল। তার আগে স্যালাইনের চ্যানেল খুলতে গিয়ে এই ঘটনা ঘটে।
হাসপাতালের ওই কর্মীর বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফেটে পড়েন স্থানীয়রা। প্রশ্ন ওঠে, কর্তব্যরত নার্সের জায়গায় কেন ওয়ার্ডবয় ওই কাজ করে? মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক সুদীপ্ত ভাদুড়ি জানিয়েছেন, ‘ঘটনাটি ভীষণই মর্মান্তিক। একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন,' অভিযুক্ত অস্থায়ী স্বাস্থ্য কর্মীকে বরখাস্ত করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।'
{{/usCountry}}হাসপাতালের ওই কর্মীর বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফেটে পড়েন স্থানীয়রা। প্রশ্ন ওঠে, কর্তব্যরত নার্সের জায়গায় কেন ওয়ার্ডবয় ওই কাজ করে? মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক সুদীপ্ত ভাদুড়ি জানিয়েছেন, ‘ঘটনাটি ভীষণই মর্মান্তিক। একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন,' অভিযুক্ত অস্থায়ী স্বাস্থ্য কর্মীকে বরখাস্ত করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।'
{{/usCountry}}