...
...
Next Story

Thunder Rain impact on Kolkata: বাজ পড়ে দমদম বিমানবন্দরে আহত ২, জলমগ্ন কলকাতাকে সচল রাখতে তৎপর পুরসভা

শুক্রবার সকালে ঘন কালো মেঘে ঢেকে যায় কলকাতার আকাশ। এরপরই শুরু হয় বৃষ্টি। শহরের বিভিন্ন এলাকায় মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণের ফলে সকাল থেকেই যান চলাচলে কিছুটা প্রভাব পড়ে। বৃষ্টির কারণে তাপমাত্রা কমলেও আর্দ্রতার কারণে ভ্যাপসা গরমের অনুভূতি থেকে পুরোপুরি মুক্তি মিলছে না।

Published on: Jun 19, 2026, 11:50:58 IST
Advertisement

কলকাতা বিমানবন্দরে প্রবল ঝড়-বৃষ্টির মধ্যে বজ্রপাতে ২ জন গ্রাউন্ড স্টাফ আশঙ্কাজনকভাবে আহত হয়েছেন। জানা গিয়েছে, এমিরেটসের বিমান থেকে মালপত্র নামানোর সময় বাজ পড়ে। এই আবহে তাঁরা আহত হন। তাঁদের দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয়। তাঁদের চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। আহতদের মধ্যে একজনের নাম গোপাল দাস। তাঁর জখম কিছুটা গুরুতর। দু'জনই বিমানবন্দরেই চিকিৎসাধীন আছেন। পরে পরিস্থিতি বুঝে হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হতে পারে তাঁদের।

শুক্রবার সকালে ঘন কালো মেঘে ঢেকে যায় কলকাতার আকাশ।
শুক্রবার সকালে ঘন কালো মেঘে ঢেকে যায় কলকাতার আকাশ।

উল্লেখ্য, শুক্রবার সকালে ঘন কালো মেঘে ঢেকে যায় কলকাতার আকাশ। এরপরই শুরু হয় বৃষ্টি। শহরের বিভিন্ন এলাকায় মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণের ফলে সকাল থেকেই যান চলাচলে কিছুটা প্রভাব পড়ে। বৃষ্টির কারণে তাপমাত্রা কমলেও আর্দ্রতার কারণে ভ্যাপসা গরমের অনুভূতি থেকে পুরোপুরি মুক্তি মিলছে না। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, শুক্রবার দিনভর কলকাতায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি চলতে পারে। শনিবার থেকে ঝড়-বৃষ্টির প্রবণতা আরও বাড়বে এবং রবিবারও একই ধরনের আবহাওয়া বজায় থাকবে।

এদিকে বৃষ্টির জেরে উত্তর কলকাতার বিভিন্ন জায়গায় জল জমে যায়। তবে যোগ দিবসের আগে পরিস্থিতি সামাল দিতে তৎপর পুরসভা। কলেজ স্ট্রিট থেকে সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউতে জল জমেছে। তবে পুরসভা থেকে গাড়ি পাঠিয়ে জায়গায় জায়গায় জল নামানোর চেষ্টা চলছে। অনেক স্থানে ম্যানহোল খুলে দেওয়া হয় রাস্তা থেকে জল সরানোর জন্য। এদিকে আলিপুর চিড়িয়াখানায় পাইপ ফেটে বিপত্তি। সেখানে পৌঁছে গিয়েছেন পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল।

আবহাওয়া দফতর আগামী কয়েক দিনে দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে। ফলে কলকাতাতেও বিক্ষিপ্ত থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, স্বল্প সময়ের মধ্যে বেশি বৃষ্টি হলে নিচু এলাকায় জল জমার আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে। নাগরিকদের অভিযোগ, প্রতি বছর বর্ষার আগে জলনিকাশি ব্যবস্থা উন্নয়নের দাবি করা হলেও বৃষ্টির সময় একই সমস্যা ফিরে আসে। অন্যদিকে পুরসভার দাবি, পাম্পিং স্টেশন, ড্রেন পরিষ্কার এবং জরুরি নজরদারির মাধ্যমে পরিস্থিতি মোকাবিলার চেষ্টা চলছে। সব মিলিয়ে, বৃষ্টি কলকাতাবাসীকে গরম থেকে স্বস্তি দিলেও রাস্তায় জল জমার পুরনো সমস্যা এখনও শহরের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে রয়েছে। বর্ষা যত এগোবে, এই সমস্যা মোকাবিলায় প্রশাসনের প্রস্তুতি কতটা কার্যকর হয়, সেদিকেই নজর থাকবে শহরবাসীর।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe