তিলজলা কাণ্ডে বেআইনি বাড়ি ভাঙার ওপর অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। তবে এই বেআইনি বাড়িতে থাকা বাসিন্দাদের পুনর্বাসনে আপাতত 'না' উচ্চ আদালতের। শুক্রবার কলকাতা হাই কোর্টের বিচারপতি রাজা বসুচৌধুরীর বেঞ্চের তরফ থেকে পূর্ববর্তী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারকেও ভর্ৎসনা করা হয়। বেআইনি নির্মাণের ক্ষেত্রে গত সরকারের নিষ্ক্রিয়তার উল্লেখ করা হয় আদালতের তরফ থেকে। এদিন শুনানির সময় তিলজলা ও তপসিয়া সংলগ্ন এলাকায় একের পর এক বেআইনি নির্মাণ নিয়ে কড়া উষ্মা প্রকাশ করেন বিচারপতি। আদালত মনে করিয়ে দেয় যে, এই সংক্রান্ত নির্দেশ আগে থাকা সত্ত্বেও প্রশাসনের তরফে উপযুক্ত পদক্ষেপ করা হয়নি।

উল্লেখ্য, গত ১২ মে তপসিয়ায় এক বহুতলে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ২ জনের মৃত্যু হয়। তিনজনকে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। পাঁচতলার ওই বহুতলটি বেআইনি বলে জানা যায়। সেখানে চামড়ার কারখানা ছিল। সেই ভবনের পাশের ভবনটিও অবৈধ বলে জানা যায় কলকাতা পুরসভার রেকর্ড ঘেঁটে। এই আবহে তপসিয়ার ৫০/১ জিজে খান রোডের ঠিকানায় থাকা বাড়িটিকে ভেঙে ফেলার নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তারপরই বুলডোজার নিয়ে সেখানে চলে যায় পুলিশ এবং পুর কর্তৃপক্ষ। রাতেই ভাঙা শুরু হয় বাড়ি। সেই সময় স্থানীয়রা বিক্ষোভ দেখান। তাঁদের অভিযোগ, এই বাড়ি এবং ব্যবসা বৈধ তবে পুলিশ তাদের কোনও কাগজ দেখাতে দিচ্ছে না।
এদিকে তিলজলা কাণ্ডের পরই শুভেন্দু জানিয়েছিলেন, কলকাতায় বেআইনি কোনও নির্মাণের কথা সরকার জানলেই তাদের জলের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হবে, সিইএসসি-কে বলে বিদ্যুৎ সংযোগও কাটিয়ে দেওয়া হবে। মুখ্যমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন, রাজ্যের কোথায় কোথায় এই ধরণের অবৈধ কারখানা চলছে, তা চিহ্নিত করতে অবিলম্বে অভ্যন্তরীণ অডিট বা সমীক্ষা চালাতে হবে।
এদিকে গতকাল তিলজলায় সেই দুটি ভবনের সামনে উত্তেজনা ছড়ায়। পুলিশ মৃদু লাঠিচার্জ করে উত্তেজিত জনতাকে ছত্রভঙ্গ করতে। সেই ভবনের সামনের রাস্তায় ব্যারিকেড দিয়ে রেখেছে পুলিশ। সেখানে আছে কেন্দ্রীয় বাহিনীও। গতকাল তিলজলায় গিয়েছিলেন আইসএসএফের বিধায়র নওশাদ সিদ্দিকি। সেখানে তিনি স্থানীয় কাউন্সিলরের ঘাড়ে দোষ চাপান। এদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গতকাল হাইকোর্টে দাঁড়িয়ে বুলডোজার কাণ্ডের কথা উত্থাপন করেন ভোট পরবর্তী হিংসা মামলায়। যদিও এই নিয়ে প্রধান বিচারপতির এজলাস কোনও নির্দেশ দেয়নি। তবে আজকে হাইকোর্টের নির্দেশ সাময়িক স্বস্তি হয়ত পেলেন সেই দুই বিল্ডিংয়ের বাসিন্দারা। এদিকে তিলজলা মামলার আগামী শুনানি হবে ২২ মে।
{{/usCountry}}এদিকে গতকাল তিলজলায় সেই দুটি ভবনের সামনে উত্তেজনা ছড়ায়। পুলিশ মৃদু লাঠিচার্জ করে উত্তেজিত জনতাকে ছত্রভঙ্গ করতে। সেই ভবনের সামনের রাস্তায় ব্যারিকেড দিয়ে রেখেছে পুলিশ। সেখানে আছে কেন্দ্রীয় বাহিনীও। গতকাল তিলজলায় গিয়েছিলেন আইসএসএফের বিধায়র নওশাদ সিদ্দিকি। সেখানে তিনি স্থানীয় কাউন্সিলরের ঘাড়ে দোষ চাপান। এদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গতকাল হাইকোর্টে দাঁড়িয়ে বুলডোজার কাণ্ডের কথা উত্থাপন করেন ভোট পরবর্তী হিংসা মামলায়। যদিও এই নিয়ে প্রধান বিচারপতির এজলাস কোনও নির্দেশ দেয়নি। তবে আজকে হাইকোর্টের নির্দেশ সাময়িক স্বস্তি হয়ত পেলেন সেই দুই বিল্ডিংয়ের বাসিন্দারা। এদিকে তিলজলা মামলার আগামী শুনানি হবে ২২ মে।
{{/usCountry}}