...
...
Next Story

Tiljala Buldozer: তিলজলায় বেআইনি ভবন ভাঙায় অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ, আগের সরকারকে ভর্ৎসনা হাইকোর্টের

শুনানির সময় তিলজলা ও তপসিয়া সংলগ্ন এলাকায় একের পর এক বেআইনি নির্মাণ নিয়ে কড়া উষ্মা প্রকাশ করেন বিচারপতি। আদালত মনে করিয়ে দেয় যে, এই সংক্রান্ত নির্দেশ আগে থাকা সত্ত্বেও প্রশাসনের তরফে উপযুক্ত পদক্ষেপ করা হয়নি।

Published on: May 15, 2026, 14:02:21 IST
Advertisement

তিলজলা কাণ্ডে বেআইনি বাড়ি ভাঙার ওপর অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। তবে এই বেআইনি বাড়িতে থাকা বাসিন্দাদের পুনর্বাসনে আপাতত 'না' উচ্চ আদালতের। শুক্রবার কলকাতা হাই কোর্টের বিচারপতি রাজা বসুচৌধুরীর বেঞ্চের তরফ থেকে পূর্ববর্তী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারকেও ভর্ৎসনা করা হয়। বেআইনি নির্মাণের ক্ষেত্রে গত সরকারের নিষ্ক্রিয়তার উল্লেখ করা হয় আদালতের তরফ থেকে। এদিন শুনানির সময় তিলজলা ও তপসিয়া সংলগ্ন এলাকায় একের পর এক বেআইনি নির্মাণ নিয়ে কড়া উষ্মা প্রকাশ করেন বিচারপতি। আদালত মনে করিয়ে দেয় যে, এই সংক্রান্ত নির্দেশ আগে থাকা সত্ত্বেও প্রশাসনের তরফে উপযুক্ত পদক্ষেপ করা হয়নি।

তিলজলা কাণ্ডে বেআইনি বাড়ি ভাঙার ওপর অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। (Hindustan Times)
তিলজলা কাণ্ডে বেআইনি বাড়ি ভাঙার ওপর অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। (Hindustan Times)

উল্লেখ্য, গত ১২ মে তপসিয়ায় এক বহুতলে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ২ জনের মৃত্যু হয়। তিনজনকে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। পাঁচতলার ওই বহুতলটি বেআইনি বলে জানা যায়। সেখানে চামড়ার কারখানা ছিল। সেই ভবনের পাশের ভবনটিও অবৈধ বলে জানা যায় কলকাতা পুরসভার রেকর্ড ঘেঁটে। এই আবহে তপসিয়ার ৫০/১ জিজে খান রোডের ঠিকানায় থাকা বাড়িটিকে ভেঙে ফেলার নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তারপরই বুলডোজার নিয়ে সেখানে চলে যায় পুলিশ এবং পুর কর্তৃপক্ষ। রাতেই ভাঙা শুরু হয় বাড়ি। সেই সময় স্থানীয়রা বিক্ষোভ দেখান। তাঁদের অভিযোগ, এই বাড়ি এবং ব্যবসা বৈধ তবে পুলিশ তাদের কোনও কাগজ দেখাতে দিচ্ছে না।

এদিকে তিলজলা কাণ্ডের পরই শুভেন্দু জানিয়েছিলেন, কলকাতায় বেআইনি কোনও নির্মাণের কথা সরকার জানলেই তাদের জলের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হবে, সিইএসসি-কে বলে বিদ্যুৎ সংযোগও কাটিয়ে দেওয়া হবে। মুখ্যমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন, রাজ্যের কোথায় কোথায় এই ধরণের অবৈধ কারখানা চলছে, তা চিহ্নিত করতে অবিলম্বে অভ্যন্তরীণ অডিট বা সমীক্ষা চালাতে হবে।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe