ফের একবার বাংলার বিধানসভা ফিরছে লাল। ডোমকলে সিপিএম জয়ী হয়েছে সদ্য সমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনে। আর ভোট মিটতেই তৃণমূলের হাতে আক্রান্ত বাম। রিপোর্ট অনুযায়ী, ৫ মে রাতে ডোমকলের যুগিন্দা রথতলা পাড়ায় সিপিএম কর্মী শফিকুল ইসলামকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। এই ঘটনায় আঙুল উঠেছে তৃণমূলের দিকে। জানা গিয়েছে, শফিকুলের গলায় গুলি লেগেছে। মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে তাঁকে।

রিপোর্ট অনুযায়ী, ডোমকল পুরসভার ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা শফিকুল ইসলাম নিজের পোল্ট্রি ফার্মে কাজ করেন। তিনি এলাকায় বাম কর্মী হিসেবে পরিচিত। কাজ সেরে রাতে তিনি যখন বাড়ি ফিরছিলেন, সেই সময় কয়েক জন দুষ্কৃতী তাঁকে ঘিরে এলোপাথাড়ি গুলি চালায়। একটি গুলি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। অপর একটি সরাসরি তাঁর গলায় লাগে। গুলির আওয়াজে এলাকাবাসী ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান। ততক্ষণে দুষ্কৃতীরা পালিয়ে যায় সেখান থেকে। রক্তাক্ত অবস্থায় শফিকুলকে দ্রুত উদ্ধার করে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এদিকে খবর পেয়ে ডোমকল থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করেছে।
শফিকুলের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানানো হয়েছে। এই ঘটনার পর সিপিএমের তরফে সরাসরি তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা হয়েছে। যদিও তৃণমূল সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চরম উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।
উল্লেখ্য, ভোট পরবর্তী হিংসায় রাজ্যে বিজেপি এবং তৃণমূল দুই পক্ষেরই বেশ কয়েকজনের মৃত্যু ঘটেছে এই পর্যন্ত। হাওড়া, বেলেঘাটা, নানুর থেকে নিউটাউনে ঝরেছে রক্ত। এরই সঙ্গে বহু জায়গায় তৃণমূলের পার্টি অফিসে হামলা হয়েছে। আবার অনেক জায়গায় বিজেপির জয়ী প্রার্থীরা গিয়ে তৃণমূল কর্মীদের অভয় প্রদান করে এসেছেন। বিজেপির রাজ্য সভাপতি স্পষ্ট জানিয়েছেন, কোনও হিংসায় বিজেপি কর্মীরা জড়িত থাকলে তাদের দল থেকে বহিষ্কার করা হবে। সঙ্গে তিনি এও আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, তৃণমূলের একটি অংশ এখন অপর পক্ষকে বিজেপি পতাকা হাতে মারছে। এই আবহে সদ্য তৃণমূল থেকে স্বঘোষিত বিজেপি হওয়া ব্যক্তিদের বিষয়ে সাবধান করেছেন তিনি। এছাড়া দলের রং না দেখে প্রশাসনকে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আবেদন জানিয়েছেন তিনি।
{{/usCountry}}উল্লেখ্য, ভোট পরবর্তী হিংসায় রাজ্যে বিজেপি এবং তৃণমূল দুই পক্ষেরই বেশ কয়েকজনের মৃত্যু ঘটেছে এই পর্যন্ত। হাওড়া, বেলেঘাটা, নানুর থেকে নিউটাউনে ঝরেছে রক্ত। এরই সঙ্গে বহু জায়গায় তৃণমূলের পার্টি অফিসে হামলা হয়েছে। আবার অনেক জায়গায় বিজেপির জয়ী প্রার্থীরা গিয়ে তৃণমূল কর্মীদের অভয় প্রদান করে এসেছেন। বিজেপির রাজ্য সভাপতি স্পষ্ট জানিয়েছেন, কোনও হিংসায় বিজেপি কর্মীরা জড়িত থাকলে তাদের দল থেকে বহিষ্কার করা হবে। সঙ্গে তিনি এও আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, তৃণমূলের একটি অংশ এখন অপর পক্ষকে বিজেপি পতাকা হাতে মারছে। এই আবহে সদ্য তৃণমূল থেকে স্বঘোষিত বিজেপি হওয়া ব্যক্তিদের বিষয়ে সাবধান করেছেন তিনি। এছাড়া দলের রং না দেখে প্রশাসনকে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আবেদন জানিয়েছেন তিনি।
{{/usCountry}}