Basirhat Violence: সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে যখম দুই পুলিশকর্মী। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাট মহকুমার ন্যাজাটে। এই এলাকাটি শেখ শাহজাহানের গড় হিসেবে পরিচিত। রিপোর্ট অনুযায়ী, ন্যাজাট থানার রাজবাড়ি এলাকায় তৃণমূল ও বিজেপি সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ বেধেছিল ৫ মে রাতে। সেই সময় সংঘর্ষ থামাতে সেখানে যান ন্যাজাট থানার ওসির ভরত প্রসূন কর এবং আরও বেশ কয়েকজন পুলিশকর্মী। সেখানে ভরত প্রসূন কর এবং অন্য ২ পুলিশ কনস্টেবল গুলিবিদ্ধ হন বলে জানা গিয়েছে। জখমদের মধ্যে একজন ছিলেন মহিলা কনস্টেবল, অপরজন রাজবাড়ি ফাঁড়ির কর্মী ভাস্বত গোস্বামী। সঙ্গে ২ কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানও গুলিবিদ্ধ হন। জানা গিয়েছে, একটি বাড়িতে লুকিয়ে থাকা দুষ্কৃতীরা পুলিশের দিকে গুলি চালিয়েছিল। এই ঘটনায় ওসির পায়ে গুলি লাগে। জখম পুলিশকর্মীদের কলকাতার চিত্তরঞ্জন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এদিকে এই ঘটনার পরে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে ন্যাজাটে। পুলিশ ঘটনার তদন্তে নেমেছে। অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। রিপোর্টে দাবি করা হচ্ছে, পুলিশকর্মী ছাড়া সংঘর্ষে জড়িত কয়েকজনও গুলিবিদ্ধ হয়ে থাকতে পারেন। এদিকে সিআরপিএফ জওয়ানদেরও ছররা গুলি লেগেছে বলে দাবি করা হয়েছে একটি রিপোর্টে। আজ সকালে সেই এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে তাজা বোমা এবং বেআইনি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়।
রিপোর্ট অনুযায়ী, ভোটে জয়ের পরে উদযপন করা বিজেপি কর্মীদের ওপর প্রথমে চড়াও হয়েছিল তৃণমূল সমর্থকরা। পরে পালটা হামলা চালায় বিজেপি কর্মীরা। এই আবহে গত ৫ মে রাত ৯টা নাগাদ ন্যাজাট থানার রাজবাড়ি বিটপল এলাকায় তৃণমূল ও বিজেপি সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। সেই সংঘাতের খবর পেয়ে সেখানে যান ন্যাজাট থানার ওসি ভরতপ্রসূন পুরকাইত, রাজবাড়ি পুলিশ ফাঁড়ির সাব ইনস্পেক্টর সহ তিন জন পুলিশ কর্মী। অভিযোগ ওঠে, তৃণমূল সমর্থকদের এলাকায় নাকি বিজেপি সমর্থকরা হামলা চালিয়েছে। পুলিশ পরিস্থিতি সামাল দিতে গেলে আক্রান্ত হয়। পুলিশের ওপর গুলি চালাোর ঘটনার পরে এলাকায় নামানো হয়েছে বিশাল ব়্যাফ।
উল্লেখ্য, ভোট পরবর্তী হিংসায় রাজ্যে বিজেপি এবং তৃণমূল দুই পক্ষেরই বেশ কয়েকজনের মৃত্যু ঘটেছে এই পর্যন্ত। হাওড়া, বেলেঘাটা, নানুর থেকে নিউটাউনে ঝরেছে রক্ত। এরই সঙ্গে বহু জায়গায় তৃণমূলের পার্টি অফিসে হামলা হয়েছে। আবার অনেক জায়গায় বিজেপির জয়ী প্রার্থীরা গিয়ে তৃণমূল কর্মীদের অভয় প্রদান করে এসেছেন। বিজেপির রাজ্য সভাপতি স্পষ্ট জানিয়েছেন, কোনও হিংসায় বিজেপি কর্মীরা জড়িত থাকলে তাদের দল থেকে বহিষ্কার করা হবে। সঙ্গে তিনি এও আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, তৃণমূলের একটি অংশ এখন অপর পক্ষকে বিজেপি পতাকা হাতে মারছে। এই আবহে সদ্য তৃণমূল থেকে স্বঘোষিত বিজেপি হওয়া ব্যক্তিদের বিষয়ে সাবধান করেছেন তিনি। এছাড়া দলের রং না দেখে প্রশাসনকে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আবেদন জানিয়েছেন তিনি।
{{/usCountry}}উল্লেখ্য, ভোট পরবর্তী হিংসায় রাজ্যে বিজেপি এবং তৃণমূল দুই পক্ষেরই বেশ কয়েকজনের মৃত্যু ঘটেছে এই পর্যন্ত। হাওড়া, বেলেঘাটা, নানুর থেকে নিউটাউনে ঝরেছে রক্ত। এরই সঙ্গে বহু জায়গায় তৃণমূলের পার্টি অফিসে হামলা হয়েছে। আবার অনেক জায়গায় বিজেপির জয়ী প্রার্থীরা গিয়ে তৃণমূল কর্মীদের অভয় প্রদান করে এসেছেন। বিজেপির রাজ্য সভাপতি স্পষ্ট জানিয়েছেন, কোনও হিংসায় বিজেপি কর্মীরা জড়িত থাকলে তাদের দল থেকে বহিষ্কার করা হবে। সঙ্গে তিনি এও আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, তৃণমূলের একটি অংশ এখন অপর পক্ষকে বিজেপি পতাকা হাতে মারছে। এই আবহে সদ্য তৃণমূল থেকে স্বঘোষিত বিজেপি হওয়া ব্যক্তিদের বিষয়ে সাবধান করেছেন তিনি। এছাড়া দলের রং না দেখে প্রশাসনকে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আবেদন জানিয়েছেন তিনি।
{{/usCountry}}