Bappaditya Dasgupta Arrested: তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হল কলকাতা পুরসভার ১০১ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর বাপ্পাদিত্য দাশগুপ্তকে। শনিবার গভীর রাতে পাটুলি থানার পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে। এর আগে একই দিনে সকালে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল তাঁর ঘনিষ্ঠ সহযোগী ও তৃণমূল নেতা সৌরভ ঘোষকে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সৌরভ ঘোষকে জিজ্ঞাসাবাদের সময় উঠে আসে বাপ্পাদিত্যর নাম। এরপর তদন্তের ভিত্তিতে কাউন্সিলরকে আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয় এবং পরে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পাটুলি ও বৈষ্ণবঘাটা এলাকার পরিচিত রাজনৈতিক মুখ বাপ্পাদিত্য দাশগুপ্ত একসময় তৃণমূলের প্রভাবশালী নেতা পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ বলেই পরিচিত ছিলেন। দীর্ঘদিন ধরেই তাঁর বিরুদ্ধে স্থানীয় বাসিন্দাদের একাধিক অভিযোগ জমা পড়েছিল বলে জানা গিয়েছে। অভিযোগের তালিকায় ছিল তোলাবাজি, দুর্নীতি এবং ভোট-পরবর্তী হিংসায় জড়িত থাকার মতো গুরুতর বিষয়।
স্থানীয় সূত্রের দাবি, ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর এলাকায় যে ভোট-পরবর্তী অশান্তি ও হিংসার ঘটনা ঘটেছিল, তার নেপথ্যে বাপ্পাদিত্য দাশগুপ্তের ভূমিকা ছিল। যদিও এই অভিযোগের সত্যতা আদালতে প্রমাণিত হয়নি, তবুও বহু বাসিন্দা সেই সময় থেকেই তাঁর বিরুদ্ধে সরব ছিলেন বলে জানা গিয়েছে।
উল্লেখ্য, অতীতেও বিভিন্ন দুর্নীতি সংক্রান্ত মামলার তদন্তে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই বাপ্পাদিত্য দাশগুপ্তকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল। তবে সেই সময় তাঁর বিরুদ্ধে কোনও বড় আইনি পদক্ষেপ করা হয়নি। সম্প্রতি সরকার পরিবর্তনের পর এলাকায় তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক নতুন অভিযোগ থানায় জমা পড়তে শুরু করে। সেই অভিযোগগুলির তদন্ত করতে গিয়েই প্রথমে সৌরভ ঘোষকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ সূত্রে খবর, সৌরভ ঘোষের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই তদন্তের পরিধি আরও বিস্তৃত হয় এবং বাপ্পাদিত্য দাশগুপ্তের বিরুদ্ধে তোলাবাজির অভিযোগে ব্যবস্থা নেওয়া হয়। শনিবার রাতে তাঁকে থানায় আনা হলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য, পুলিশের গাড়ি থেকে নামানোর সময় থানার বাইরে জড়ো হওয়া একদল স্থানীয় বাসিন্দা বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। ‘বাপ্পা চোর’, ‘বাপ্পা চোর’ স্লোগানে এলাকা সরগরম হয়ে ওঠে। পরিস্থিতি উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে উঠলে পুলিশ দ্রুত নিরাপত্তা বলয় তৈরি করে অভিযুক্ত কাউন্সিলরকে থানার ভিতরে নিয়ে যায়।
{{/usCountry}}পুলিশ সূত্রে খবর, সৌরভ ঘোষের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই তদন্তের পরিধি আরও বিস্তৃত হয় এবং বাপ্পাদিত্য দাশগুপ্তের বিরুদ্ধে তোলাবাজির অভিযোগে ব্যবস্থা নেওয়া হয়। শনিবার রাতে তাঁকে থানায় আনা হলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য, পুলিশের গাড়ি থেকে নামানোর সময় থানার বাইরে জড়ো হওয়া একদল স্থানীয় বাসিন্দা বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। ‘বাপ্পা চোর’, ‘বাপ্পা চোর’ স্লোগানে এলাকা সরগরম হয়ে ওঠে। পরিস্থিতি উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে উঠলে পুলিশ দ্রুত নিরাপত্তা বলয় তৈরি করে অভিযুক্ত কাউন্সিলরকে থানার ভিতরে নিয়ে যায়।
{{/usCountry}}স্থানীয়দের একাংশের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে এলাকায় তোলাবাজি, দুর্নীতি এবং সাধারণ মানুষের উপর চাপ সৃষ্টি করা হত। গ্রেপ্তারের ঘটনায় তাঁরা স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। অন্যদিকে, পুলিশ জানিয়েছে অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত চলছে এবং সমস্ত তথ্য-প্রমাণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই গ্রেপ্তারি ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চর্চা শুরু হয়েছে। তদন্তে আরও নতুন তথ্য সামনে আসে কি না, সেদিকেই এখন নজর রয়েছে।