TMC Councilor granted Bail: বর্ধমান পুরসভার ২২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর নাড়ুগোপাল ভকতকে অন্তর্বর্তী জামিন দিল বর্ধমান আদালত। মেয়ের বিয়ের জন্য এই জামিনের আবেদন করেছিলেন তৃণমূল নেতা। সেই পরিপ্রেক্ষিতে তাঁকে শর্তসাপেক্ষেপে অন্তর্বর্তী জামিন দিল বর্ধমান আদালত। নাড়ুগোপাল ভকতের বিরুদ্ধে হত্যার চেষ্টা, সরকারি আধিকারিককে হুমকি, অস্ত্র আইন সহ বিভিন্ন ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। এই আবহে গত ৩০ এপ্রিল তাঁর জামিনের আবেদন খারিজ করেছিল আদালত। তবে ২ মে করা আবেদনে মেয়ের বিয়ের উল্লেখ থাকায় অন্তর্বর্তী জামিন দেয় আদালত।

পসঙ্গত, ভোটের দু'দিন আগে বর্ধমানে গ্রেফতার করা হয়েছিল কাউন্সিলর নাড়ুগোপাল ভকতকে। ২৭ এপ্রিল ভোরে কেন্দ্রীয় বাহিনী ও পুলিশ অভিযুক্তের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেফতার করে। উল্লেখ্য, বর্ধমান শহরের ২২ নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে সম্প্রতি সংঘর্ষ বাঁধে। সেই সংঘাতের ঘটনায় পুলিশ তদন্ত করতে গেলে তাতে নাকি বাধা দিয়েছিলেন নাড়ুগোপাল। এই অভিযোগেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। নাড়ুগোপাল পুলিশকে বলেছিলেন, 'কাউন্সিলরকে না জানিয়ে এলাকায় ঢুকে তদন্ত করা যাবে না।' সেই সময় পুলিশের সঙ্গে বচসা করেন তৃণমূল কাউন্সিলর। এই পরিস্থিতিতে কড়া পদক্ষেপ করে পুলিশ।
উল্লেখ্য, গত ২৪ মার্চ বর্ধমানে পুরসভার ২২ নম্বর ওয়ার্ডের বালামহাট এলাকায় বিজেপি নেতা মহাদেব মালের বাড়িতে হামলার অভিযোগ উঠেছিল। মহাদেবের অভিযোগ ছিল, 'তৃণমূল সমর্থিত দুষ্কৃতীরা তাঁর বাড়ি লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল ছোড়ে। হামলার ঘটনায় পরিবারে আতঙ্ক ছড়ায়।' বালামহাটের বাসিন্দা বিজেপি নেতা মহাদেব মাল বর্ধমান দক্ষিণ কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী মৌমিতা বিশ্বাস মিশ্রর সঙ্গে এলাকায় প্রচার করছিলেন। সেই ঘটনায় তৃণমূল কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে আঙুল উঠেছিল। সেই ঘটনারই তদন্ত করতে গিয়ে পুলিশ বাধাপ্রাপ্ত হয়েছিল। পরে কমিশনের নির্দেশে এফআইআর করা হয়েছিল তৃণমূল কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে।
এদিকে ভোটের দিন রাস্তার মোড়ে চেয়ার নিয়ে বসে ছিলেন বর্ধমানের ২১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর শ্যামাপ্রসাদ বন্দ্যোপাধ্যায়। পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী এসে তাঁকে সেখান থেকে তুলে দেয়। সেই ঘটনার ভিডিয়ো ভাইরাল হয় সোশ্যাল মিডিয়ায়। সেখানে দেখা যায়, কাউন্সিলর যে চেয়ারে বসে ছিলেন, তাতে লাঠি দিয়ে মারছেন এক পুলিশকর্মী। পরে সেই পুলিশকর্মীই সেই চেয়ারটিকে রাস্তায় লাথি মেরে ভেঙে দিয়েছিলেন। অবাধ নিরপেক্ষ ভোট করাতে যে শাসকলদেল নেতাদেরও পুলিশ রেয়াত করেনি, এটাই তার প্রমাণ।
{{/usCountry}}এদিকে ভোটের দিন রাস্তার মোড়ে চেয়ার নিয়ে বসে ছিলেন বর্ধমানের ২১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর শ্যামাপ্রসাদ বন্দ্যোপাধ্যায়। পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী এসে তাঁকে সেখান থেকে তুলে দেয়। সেই ঘটনার ভিডিয়ো ভাইরাল হয় সোশ্যাল মিডিয়ায়। সেখানে দেখা যায়, কাউন্সিলর যে চেয়ারে বসে ছিলেন, তাতে লাঠি দিয়ে মারছেন এক পুলিশকর্মী। পরে সেই পুলিশকর্মীই সেই চেয়ারটিকে রাস্তায় লাথি মেরে ভেঙে দিয়েছিলেন। অবাধ নিরপেক্ষ ভোট করাতে যে শাসকলদেল নেতাদেরও পুলিশ রেয়াত করেনি, এটাই তার প্রমাণ।
{{/usCountry}}