...
...
Next Story

TMC Councilor Shams Iqbal: তোলাবাজির অভিযোগে ধৃত শামস ইকবাল, শুভেন্দুকে প্রণাম করা কাউন্সিলরের ওপর চাপ তারাতলা মামলাতেও

অভিযোগ, এক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে প্রায় ৭০ লক্ষ টাকা জোর করে আদায় করার ঘটনায় তাঁর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছিল। সেই মামলার তদন্তে নেমেই শামস ইকবালকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলেও চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

Published on: Jun 29, 2026, 10:19:59 IST
Advertisement

তোলাবাজির অভিযোগে কলকাতা পুরসভার কাউন্সিলর শামস ইকবালকে গ্রেপ্তার করল গার্ডেনরিচ থানার পুলিশ। অভিযোগ, এক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে প্রায় ৭০ লক্ষ টাকা জোর করে আদায় করার ঘটনায় তাঁর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছিল। সেই মামলার তদন্তে নেমেই শামস ইকবালকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলেও চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। এর আগে আন্তর্জাতিক যোগ দিবসে রেড রোডের সরকারি অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর পা ছুঁয়ে প্রণাম করেছিলেন এই শামস ইকবাল। পরে তারাতলায় গুদাম ধস মামলায় ফিরহাদের পাশাপাশি শামসের নামেও অভিযোগ দায়ের হয়েছিল।

আন্তর্জাতিক যোগ দিবসে রেড রোডের সরকারি অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর পা ছুঁয়ে প্রণাম করেছিলেন এই শামস ইকবাল
আন্তর্জাতিক যোগ দিবসে রেড রোডের সরকারি অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর পা ছুঁয়ে প্রণাম করেছিলেন এই শামস ইকবাল

পুলিশ সূত্রে খবর, এক ব্যবসায়ী অভিযোগ করেন যে, দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন অজুহাতে তাঁর কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ আদায় করা হয়েছে। মোট প্রায় ৭০ লক্ষ টাকা তোলাবাজির অভিযোগের ভিত্তিতেই গার্ডেনরিচ থানায় এফআইআর দায়ের হয়। অভিযোগ পাওয়ার পর তদন্ত শুরু করে পুলিশ। প্রাথমিক তদন্তে বেশ কিছু তথ্য ও নথি হাতে পাওয়ার পর শামস ইকবালকে গ্রেপ্তার করা হয়। ধৃতকে আদালতে তোলা হলে তদন্তের স্বার্থে পুলিশি হেফাজতের আবেদন জানানো হতে পারে বলে সূত্রের খবর।

এই গ্রেপ্তারের পাশাপাশি শামস ইকবালের বিরুদ্ধে আগেই দায়ের হওয়া তারাতলা কাণ্ডের মামলাও নতুন করে গুরুত্ব পাচ্ছে। ওই ঘটনায় তাঁর বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার একাধিক ধারায় মামলা রুজু হয়েছিল। অভিযোগ ছিল, সংঘবদ্ধভাবে হামলা, ভয় দেখানো, সরকারি কাজে বাধা, ভাঙচুর এবং অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের মতো গুরুতর অপরাধে তাঁর নাম উঠে আসে। সেই মামলার তদন্তও এখনও চলছে।

যদিও শামস ইকবালের আইনজীবীর দাবি, তাঁর মক্কেলকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ফাঁসানো হয়েছে এবং অভিযোগের কোনও ভিত্তি নেই। আদালতেই সমস্ত অভিযোগের জবাব দেওয়া হবে বলে তাঁরা জানিয়েছেন। উল্লেখ্য, শামস ইকবালকে দীর্ঘদিন ধরেই কলকাতার প্রভাবশালী রাজনৈতিক মহলের ঘনিষ্ঠ বলে মনে করা হয়। তাঁর গ্রেপ্তারের পর বিরোধীরা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি তুলেছে। অন্যদিকে, পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগের ভিত্তিতেই আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং তদন্তে যে তথ্য উঠে আসবে, তার ভিত্তিতেই পরবর্তী পদক্ষেপ করা হবে। তোলাবাজির অভিযোগ ও তারাতলা কাণ্ড—দুই মামলাতেই তদন্তের অগ্রগতির দিকে এখন নজর রাজনৈতিক মহল ও প্রশাসনের।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe