TMC CPIM Clash in Domkal: নির্বাচনী আবহে রাজনৈতিক হিংসা অব্যাহত বাংলায়। বিপুল সংখ্যায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনও রাজ্যে ঝরল রক্ত। রিপোর্ট অনুযায়ী, ভোটের আগের রাতে ডোমকলে তৃণমূল এবং সিপিএমের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে। রায়পুর অঞ্চলের মোক্তারপুর কারিগরপাড়ায় এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় বোমাবাজিরও অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় দুই পক্ষের অন্তত ৪ জন জখম হয়েছেন। একজনের মাথা ফেটেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এলাকায় বিপুল সংখ্যায় পুলিশকর্মী মোতায়েন করা হয়। এলাকায় কেন্দ্রীয় বাহিনী টহল দিচ্ছে। (আরও পড়ুন: ভোটবঙ্গে বোমাবাজি, বিধায়ককে 'নিশানা', আঙুল AJUP-র দিকে, '…রসগোল্লা ছুড়বে নাকি?' পাল্টা হুমায়ুনের)

রিপোর্ট অনুযায়ী, এই সংঘর্ষে সিপিএম সমর্থক রাকিবুল আনসারি (বয়স ২৮ বছর) ও তাঁর বাবা মহবুল আনসারী (বয়স ৫৫ বছর) জখম হন। ওদিকে তৃণমূল কর্মী আমিরউদ্দিন মন্ডল (বয়স ৫২ বছর) ও তাঁর ছেলে আলামিন মন্ডল (বয়স ২৩ বছর) জখম হন। চারজনকেই মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, চারজনই ধারালো অস্ত্রের কোপে জখম হয়েছেন। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। (আরও পড়ুন: ভোটের আগে শুভেন্দুর হাত ধরে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে বিদায়ী বিধায়ক)
ঘটনা প্রসঙ্গে সিপিএম প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমানের দাবি, রাতে প্রচার সেরে ফেরার সময় হাসুয়া নিয়ে সিপিএম কর্মীদের উপর চড়াও হয় তৃণমূল কর্মীরা। তিনি বলেন, 'উভয় পক্ষের বচসা থেকে হাসুয়া দিয়ে আক্রমণ করে তৃণমূল। সেই সময় প্রতিরোধ করলে বিপক্ষের দু’জন জখম হন।' এদিকে তৃণমূলের পালটা অভিযোগ, সিপিএমের লোকেরা তৃণমূল কর্মীদের উদ্দেশে টিপ্পনী কাটছিল। সেই সময় প্রতিবাদ করায় ধারালো অস্ত্র নিয়ে তাঁদের ওপর চড়াও হয় সিপিএম কর্মীরা। এই সংঘর্ষকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়েছে এলাকায়। (আরও পড়ুন: 'আমি ভোট না দিলেও কীভাবে আমার ভোট হয়ে গেল?' বুথে গিয়ে হতবাক ভোটার)
ভোটের দিন আবার সিপিএম অভিযোগ করেছে, বন্দুক দেখিয়ে ডোমকলে ভয় দেখাচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস। ভোট দিলেই মারা হবে বলে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। গতকাল রাত থেকেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর দেখা পাওয়া যায়নি বলেও দাবি সিপিএমের। আজ সকালেও নাকি কেন্দ্রীয় বাহিনী আসেনি এলাকায়। এমনকী পুলিশও কোনও দায়িত্ব নিচ্ছে না বলেও অভিযোগ উঠেছে।
{{/usCountry}}ভোটের দিন আবার সিপিএম অভিযোগ করেছে, বন্দুক দেখিয়ে ডোমকলে ভয় দেখাচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস। ভোট দিলেই মারা হবে বলে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। গতকাল রাত থেকেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর দেখা পাওয়া যায়নি বলেও দাবি সিপিএমের। আজ সকালেও নাকি কেন্দ্রীয় বাহিনী আসেনি এলাকায়। এমনকী পুলিশও কোনও দায়িত্ব নিচ্ছে না বলেও অভিযোগ উঠেছে।
{{/usCountry}}এদিকে মুর্শিদাবাদের নওদা বিধানসভার শিবনগর এলাকায় বোমাবাজির ঘটনা ঘটে গতকাল। জানা গিয়েছে, নওদা বিধানসভার শিবনগর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কাছে বোমাবাজি হয় ২২ এপ্রিল রাতের দিকে। এই বিদ্যালয়টি একটি ভোটকেন্দ্র। সেখানে আগে থেকেই কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন ছিল। এই ঘটনায় নওদার তৃণমূল প্রার্থী তথা বিদায়ী বিধায়ক সাহিনা মমতাজ খান অভিযোগ করেন, তাঁকে লক্ষ্য করেই বোমা ছোড়া হয়েছিল। ঘটনায় অভিযোগের আঙুল উঠেছে হুমায়ুন কবীরের দল আমজনতা উন্নয়ন পার্টির দিকে। এই বোমাবাজির ঘটনায় জখম হয়েছেন স্থানীয় এক মহিলা।