...
...
Next Story

TMC Latest Update: কাশেমের শিবির বদলেই ফ্লোর টেস্টের চ্যালেঞ্জ! ‘গোপন ব্যালট’ নিয়ে কুণালকে পাল্টা ঋতব্রতের কটাক্ষ

সোমবার বিধানসভার প্রেস কর্নারে কাশেম সিদ্দিকীকে পাশে নিয়ে কুণাল ঘোষ বলেন, আরও এক জন বিধায়ক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন কালীঘাট শিবিরে ফিরে এসেছেন। এর পরেই তিনি সরাসরি সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণের চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন। তাঁর বক্তব্য, এবার বিধানসভাতেই দেখা যাক কোন দিকে কত জন তৃণমূল বিধায়ক রয়েছেন।

Published on: Aug 25, 2026, 10:23:56 IST
Advertisement

বিধানসভায় ফের তুঙ্গে রাজনৈতিক উত্তেজনা। আমডাঙার বিধায়ক কাশেম সিদ্দিকী ‘আসল তৃণমূল’ শিবির ছেড়ে কালীঘাট শিবিরে যোগ দেওয়ার পরই ফ্লোর টেস্টের দাবি তুললেন কুণাল ঘোষ। তাঁর দাবি, বিধানসভায় বর্তমানে কোন শিবিরের পাশে কতজন তৃণমূল বিধায়ক রয়েছেন, তা ফ্লোর টেস্টের মাধ্যমে স্পষ্ট হওয়া দরকার। তিনি আরও দাবি করেন, এই পরীক্ষা গোপন ব্যালটে করা হোক।

সোমবার বিধানসভার প্রেস কর্নারে কাশেম সিদ্দিকীকে পাশে নিয়ে কুণাল ঘোষ বলেন, আরও এক জন বিধায়ক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন কালীঘাট শিবিরে ফিরে এসেছেন।
সোমবার বিধানসভার প্রেস কর্নারে কাশেম সিদ্দিকীকে পাশে নিয়ে কুণাল ঘোষ বলেন, আরও এক জন বিধায়ক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন কালীঘাট শিবিরে ফিরে এসেছেন।

সোমবার বিধানসভার প্রেস কর্নারে কাশেম সিদ্দিকীকে পাশে নিয়ে কুণাল ঘোষ বলেন, আরও এক জন বিধায়ক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন কালীঘাট শিবিরে ফিরে এসেছেন। এর পরেই তিনি সরাসরি সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণের চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন। তাঁর বক্তব্য, এবার বিধানসভাতেই দেখা যাক কোন দিকে কত জন তৃণমূল বিধায়ক রয়েছেন।

তবে কুণালের এই দাবি মেনে পাল্টা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ফ্লোর টেস্টের দাবি তাঁরা গ্রহণ করছেন। যে কোনও দিন এই পরীক্ষা হতে পারে। তবে কুণাল ঘোষের হাতে সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা নেই বলেও কটাক্ষ করেন তিনি।

ঋতব্রতের বক্তব্য, ফ্লোর টেস্টের দিন ঠিক করার দায়িত্ব বিধানসভার স্পিকারের। একইসঙ্গে তিনি প্রশ্ন তোলেন, কোনও রাজনৈতিক নেতা কীভাবে নিজের মতো করে ফ্লোর টেস্টের দিন ঘোষণা করতে পারেন? ফ্লোর টেস্ট কখনও গোপনে হয় না বলেও স্পষ্ট করে দেন তিনি। অর্থাৎ কুণাল ঘোষের ‘গোপন ব্যালটে’ ফ্লোর টেস্টের দাবিকে কার্যত খারিজ করে দেন বিরোধী দলনেতা।

তিনি কটাক্ষ করে বলেন, ভোটে জেতার পর কাশেম সিদ্দিকী এলাকায় যাননি। তাই ভোটাররা তাঁকে খুঁজছেন। আগে আমডাঙায় গিয়ে মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ করা উচিত বলে মন্তব্য করেন তিনি। এই মন্তব্যকে ঘিরে দুই শিবিরের মধ্যে রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও বাড়ে।

এদিকে সোমবার বিধানসভায় আরও একটি বিষয় নিয়ে সরব হন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। ২১ জুলাইয়ের শহিদ বনগাঁর রণজিৎ দাসের পরিবারের সদস্যরা তাঁর সঙ্গে দেখা করেন। তাঁদের বক্তব্য, রণজিৎ দাসের ছেলে রজত একটি চাকরি পেয়েছিলেন। পরে সেই চাকরি চলে যায়। পরিবারের পক্ষ থেকে সেই চাকরি ফেরানোর দাবি তোলা হয়েছে।

এই ঘটনায় হস্তক্ষেপ করে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে চিঠি দিয়েছেন বিরোধী দলনেতা। রজতের চাকরি ফিরিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি কমিশনের সুপারিশ মেনে তাঁর পরিবারকে ২৫ লক্ষ টাকা দেওয়ারও আবেদন জানিয়েছেন তিনি। ওই পরিবারের দাবি নিয়ে সরকার যাতে দ্রুত পদক্ষেপ করে, সেই আর্জিও জানানো হয়েছে।

ফলে একদিকে কাশেম সিদ্দিকীর শিবির বদল ঘিরে ফ্লোর টেস্টের দাবি এবং পাল্টা চ্যালেঞ্জ, অন্যদিকে ২১ জুলাইয়ের শহিদ পরিবারের দাবি—দুই ইস্যুতেই সোমবার বিধানসভায় রাজনৈতিক উত্তাপ ছিল চরমে। এখন নজর, ফ্লোর টেস্ট নিয়ে আদৌ কোনও প্রক্রিয়া শুরু হয় কি না এবং কাশেম সিদ্দিকীর শিবির বদল ভবিষ্যতের রাজনৈতিক সমীকরণে কতটা প্রভাব ফেলে।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe