Chandranath Rath Murder: শুভেন্দু অধিকারীর আপ্ত-সহায়ক চন্দ্রনাথ রথের খুনের ঘটনায় এবার বিস্ফোরক প্রশ্ন তৃণমূল মুখপাত্র ঋজু দত্তের। এই খুনের নিন্দা জানান তিনি। একই সঙ্গে কারও নাম না নিলেও তাঁর আঙুল যেন নিজেরই দলের দিকে। চন্দ্রনাথ রথের মৃত্যুর ঘটনায় সঠিক তদন্তের দাবি জানান ঋজু। তিনি নিজের ফেসবুকে লেখেন, 'যে দুষ্কৃতীরা আজকে নিরীহ চন্দ্রনাথ রথ কে (শ্রী শুভেন্দু অধিকারীর আত্মীসহায়ক) কে গুলি কোরে খুন করল। তাদের এক একটা কে খুঁজে বার কোরে এনকাউন্টার করা উচিত।'

তৃণমূল মুখপাত্র আরও লেখেন, 'একদিকে যখন বিজেপি, হিংসা দমন করছে। শান্তি ফেরাতে চেষ্টা করছে। বিরোধীদের ও তাদের পরিবার কে সুরক্ষা দিচ্ছে, তখন কে বা কারা বাংলা তে আগুন লাগাতে চায়, সেই মাথাগুলোকে ও খুঁজে বার কোরে, শেষ কোরে দিতে হবে। এটা হতে পারে না। ছিঃ ছিঃ ছিঃ।'
এর আগে গতরাতে কা ঋজুর এক ফেসবুক পোস্টে অস্বস্তিতে পড়ে তৃণমূল কংগ্রেস। সেই পোস্টে ভিডিয়ো বার্তায় ঋজু দত্ত বলেন, 'বিজেপির বিধায়কদের এত ব্যস্ততা, আগামী ৯ তারিখ তাঁদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান রয়েছে। কিন্তু এর মধ্যেও যতজন বিজেপি বিধায়ককে আমি ফোন করেছি। প্রতিটি বিজেপি বিধায়ক যাদের আমি ফোন করেছি, তারা দুটো রিংয়ের মধ্যে আমার ফোন ধরেছে। বিজেপির দিল্লির শীর্ষ নেতৃত্ব এবং বিজেপির বাংলার শীর্ষ নেতৃত্ব, আমাকে ওপেনলি বলেছে, তুমি বুক ফুলিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস করো। তোমার পরিবারের উপরে কোনও আঁচ আসবে না।'
তৃণমূল নেতা বলেন, তিনি বিজেপি নেতার কাছে চিরকৃতজ্ঞ থাকবেন। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব তাঁকে সাহায্য করেনি। তবে বিজেপির বিধায়ক রিতেশ তিওয়ারি তাঁকে অভয় দেন। ঋজু বলেন, 'বিজেপি যে সৌজন্য দেখিয়েছে, বিজেপি যে উদারতা দেখিয়েছে, বিজেপি যে প্রোটেকশন দিয়েছে, যে সহযোগিতা তাঁর সাথে করেছে এই ঋণ আমি জানি না শোধ করতে পারব কিনা।' তিনি অভিযোগ করেন, তৃণমূলের অনেক নেতা নাকি বিজেপিতে যোগদান করতে চেয়েছেন। এদিকে প্রচারের সময় ব্যক্তিগত আক্রমণ করার জন্যে ক্ষমা চেয়ে নিয়েছেন।
{{/usCountry}}তৃণমূল নেতা বলেন, তিনি বিজেপি নেতার কাছে চিরকৃতজ্ঞ থাকবেন। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব তাঁকে সাহায্য করেনি। তবে বিজেপির বিধায়ক রিতেশ তিওয়ারি তাঁকে অভয় দেন। ঋজু বলেন, 'বিজেপি যে সৌজন্য দেখিয়েছে, বিজেপি যে উদারতা দেখিয়েছে, বিজেপি যে প্রোটেকশন দিয়েছে, যে সহযোগিতা তাঁর সাথে করেছে এই ঋণ আমি জানি না শোধ করতে পারব কিনা।' তিনি অভিযোগ করেন, তৃণমূলের অনেক নেতা নাকি বিজেপিতে যোগদান করতে চেয়েছেন। এদিকে প্রচারের সময় ব্যক্তিগত আক্রমণ করার জন্যে ক্ষমা চেয়ে নিয়েছেন।
{{/usCountry}}