...
...
Next Story

নতুন বছরেই রক্তাক্ত রায়গঞ্জ! পিকনিকের মধ্যে 'খুন' যুব তৃণমূল নেতা, ষড়যন্ত্রের আঁচ পরিবারের

চলতি বছরেই বঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন। সেই সময়ে কে বা কারা নব্যেন্দু ঘোষকে খুন করল, তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।

Published on: Jan 1, 2026, 12:17:44 IST
Advertisement

নতুন বছর যে ভোটের বছর তাই হয়তো জানান দিচ্ছে এই ঘটনা। ২০২৬ সাল শুরু হতে না হতেই রক্তাক্ত রায়গঞ্জ। পিকনিক চলাকালীন বাড়ির সামনেই উত্তর দিনাজপুর যুব তৃণমূল কংগ্রেসের সহ সভাপতি নব্যেন্দু ঘোষকে খুনের অভিযোগ উঠেছে। আর এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে। ইতিমধ্যে দু'জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। রাজনৈতিক বিবাদে খুন নাকি নেপথ্যে রয়েছে অন্য কোনও কারণ, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।

পিকনিকের মধ্যে 'খুন' যুব তৃণমূল নেতা (সৌজন্যে টুইটার )
পিকনিকের মধ্যে 'খুন' যুব তৃণমূল নেতা (সৌজন্যে টুইটার )

পুলিশ সূত্রে খবর, বুধবার রাতে রায়গঞ্জের মিলনপাড়া মোহনবাটি বাজার সংলগ্ন এলাকায় বাড়ির সামনেই বন্ধুদের সঙ্গে পিকনিকে মেতে ছিলেন নব্যেন্দু ঘোষ (৩৭)। কিন্তু রাত সাড়ে ১২টা নাগাদ কেউ বা কারা আচমকাই তাঁর উপর প্রাণঘাতী হামলা চালায়। সঙ্গে সঙ্গেই রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন যুব তৃণমূল নেতা। এরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় তড়িঘড়ি করে তাঁকে রায়গঞ্জ মেডিকেল কলেজে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু সেখানে নিয়ে যেতেই চিকিৎসকরা নব্যেন্দুকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। অন্যদিকে, খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় রায়গঞ্জ থানার পুলিশ। নব্যেন্দুর বুকে একটি ক্ষত লক্ষ্য করেছেন স্থানীয়রা। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের শরীরে গুলির চিহ্ন রয়েছে। তদন্তে নেমে এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে পুলিশ এবং রাতেই দু’জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পাশাপাশি উদ্ধার করা হয়েছে আগ্নেয়াস্ত্রটিও। তবে কী উদ্দেশ্যে এই খুন করা হল, সে বিষয়ে এখনও স্পষ্ট কোনও তথ্য মেলেনি।

উত্তর দিনাজপুর জেলা তৃণমূল সভাপতি কানাইয়ালাল আগরওয়াল বলেন, ‘পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।’ শহর তৃণমূল সভাপতি শিবশঙ্কর রায় চৌধুরী বলেন, ‘এ ঘটনা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। ও রাজনৈতিক ভাবে সক্রিয় ছিল। রাজনৈতিক ভাবে ষড়যন্ত্র হতে পারে বলে আমার মনে হয়। ঘটনার সঠিক তদন্ত প্রয়োজন।’ এরমধ্যেই জেলা কংগ্রেসের সভাপতি মোহিত সেনগুপ্তও শহরকে দুষ্কৃতীমুক্ত করার আহ্বান জানিয়ে অবিলম্বে দোষীদের গ্রেফতারের দাবি তুলেছেন তিনি। নব্যেন্দু ঘোষ রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদের প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। ফলে কংগ্রেস নেতৃত্বের সঙ্গেও ভালো সম্পর্ক ছিল তাঁর। রাজনীতির ঊর্ধ্বে তাঁর যথেষ্ট পরিচিতি ও জনপ্রিয়তা ছিল। তাঁর মৃত্যুতে জেলার রাজনৈতিক মহলে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe