TMC MLA Somnath Shyam: জগদ্দলের তৃণমূল প্রার্থী সোমনাথ শ্যামকে আটকানোর অভিযোগ পুলিশের বিরুদ্ধে। প্রার্থীকে লাইনে দাঁড়িয়ে গণনাকেন্দ্রে ঢুকতে বলা হয়। যা দেখে রীতিমতো বিরক্ত এবং অবাক বিদায়ী বিধায়ক। তৃণমূল নেতার কথায়, এর আগে এমনটা কখনও হয়নি। এরই সঙ্গে রাত থেকেই এলাকায় তৃণমূল কর্মীদের বাড়িতে বাড়িতে পুলিশ অভিযান চালায় বলে অভিযোগ করেন সোমনাথ শ্যাম। তৃণমূলের দলীয় অফিসেও নাকি হানা দেওয়া হয়। আর আজ সকালে খোদ তৃণমূল প্রার্থীকেই নাকি গণনা কেন্দ্রে ঢুকতে 'বাধা' দেওয়া হয়।

জানা গিয়েছে, ভোটগণনা কেন্দ্রের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা এক পুলিশ আধিকারিক সোমনাথকে আটকান এবং লাইনে দাঁড়িয়ে গণনাকেন্দ্রে ঢুকতে বলেন। সেই সময় কতকটা বচসায় জড়িয়ে পড়েন তৃণমূল প্রার্থী। সোমনাথ অভিযোগ করেন, তাঁর আগেও নাকি অন্যান্য প্রার্থীরা গণনাকেন্দ্রে ঢোকেন। যার জবাবে পুলিশকর্মী দাবি করেন, সেই প্রার্থীরা নিশ্চয় লাইনে দাঁড়িয়েই ভিতরে ঢুকেছেন। এরই সঙ্গে সেই পুলিশকর্মী সোমনাথকে বলেন, 'আপনারা না ঢুকলে তো আর গণনা শুরু হবে না। তাই লাইনে দাঁড়িয়ে নিয়ম অনুযায়ী ভিতরে ঢুকুন।' নিজের দায়িত্বে অটল থেকে সোমনাথকে লাইনে দাঁড় করিয়েই ভিতরে ঢুকতে দেন সেই পুলিশকর্মী।
এদিকে সোমনাথ শ্যাম সংবাদমাধ্যমকে অভিযোগ করেন, জগদ্দল এলাকায় গতরাত থেকে ২০০ জায়গায় নাকি হানা দিয়েছে। বেছে বেছে তৃণমূলের গণনা এজেন্টের বাড়িতে নাকি পুলিশ অভিযান চালিয়েছে। এমনকী জগদ্দলে তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ের বাইরে ২টো থেকে ৪টে পর্যন্ত পুলিশের গাড়ি দাঁড়িয়ে ছিল। পুলিশ নাকি দাবি করে, সেখানে দুষ্কৃতী থাকার খবর পান তাঁরা। যা নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেন সোমনাথ শ্যাম। পুলিশের ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।
এদিকে বিজেপির প্রার্থী অর্জুন সিং নিজেও কারচুপির অভিযোগ তোলেন। তিনি দাবি করেন, তিনি লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার সময়ই স্ট্রংরুম খুলে দেওয়া হয়। এদিকে তৃণমূলের প্রার্থী তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্য আবার অভিযোগ করেন, অর্জুন সিংয়ের নিরাপত্তাকর্মীকে কোনও তল্লাশি ছাড়াই ঢুকতে দেওয়া হয়েছে। এবং সেই নিরাপত্তাকর্মীর কাছে নাকি মোবাইলও ছিল।
{{/usCountry}}এদিকে বিজেপির প্রার্থী অর্জুন সিং নিজেও কারচুপির অভিযোগ তোলেন। তিনি দাবি করেন, তিনি লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার সময়ই স্ট্রংরুম খুলে দেওয়া হয়। এদিকে তৃণমূলের প্রার্থী তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্য আবার অভিযোগ করেন, অর্জুন সিংয়ের নিরাপত্তাকর্মীকে কোনও তল্লাশি ছাড়াই ঢুকতে দেওয়া হয়েছে। এবং সেই নিরাপত্তাকর্মীর কাছে নাকি মোবাইলও ছিল।
{{/usCountry}}