...
...
Next Story

Abhishek Banerjee CID Summon: রবিবাসরীয় সকালে ফের সিআইডি দফতরে অভিষেক, সই জাল কাণ্ডে করা হবে জেরা

এর আগে গত ১১ জুন হাইকোর্টের নির্দেশে ভবানী ভবনে হাজিরা দিয়েছিলেন অভিষেক। তবে রিপোর্টে দাবি করা হয়, সেদিন তদন্তকারীদের প্রশ্নের জবাবে বারংবার 'জানি না' বলেছিলেন অভিষেক। সেদিন প্রায় ৬ ঘণ্টা ভবানী ভবনে ছিলেন অভিষেক।

Published on: Jun 14, 2026 12:06 PM IST
Advertisement

বিধায়কদের সই জাল কাণ্ডে ফের ভবানী ভবনে হাজিরা দিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এর আগে গত ১১ জুন হাইকোর্টের নির্দেশে ভবানী ভবনে হাজিরা দিয়েছিলেন অভিষেক। তবে রিপোর্টে দাবি করা হয়, সেদিন তদন্তকারীদের প্রশ্নের জবাবে বারংবার 'জানি না' বলেছিলেন অভিষেক। সেদিন প্রায় ৬ ঘণ্টা ভবানী ভবনে ছিলেন অভিষেক। তারপর সেখান থেকে বেরিয়ে তিনি সরাসরি কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে গিয়েছিলেন। এই আবহে ফের রবিবার জেরা করতে ভবানী ভবনে অভিষেককে তলব করা হয়েছিল।

বিধায়কদের সই জাল কাণ্ডে ফের ভবানী ভবনে হাজিরা দিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। (ফাইল ছবি) (PTI)
বিধায়কদের সই জাল কাণ্ডে ফের ভবানী ভবনে হাজিরা দিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। (ফাইল ছবি) (PTI)

প্রসঙ্গত, ৩০ মে প্রথমবার অভিষেকের বাড়িতে নোটিস নিয়ে যায় সিআইডি। এরপর একাধিকবার হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হলেও তিনি হাজির হননি। অবশেষে আদালতের নির্দেশের পর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার মধ্যে ভবানী ভবনে সিআইডির সামনে হাজির হন অভিষেক। সেদিন প্রশ্নের মুখে তিনি বহু ক্ষেত্রে মেজাজ হারিয়েছিলেন বলেও দাবি করা হয় রিপোর্টে।

তদন্তের সূত্রপাত হয় বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা নির্বাচনের জন্য জমা দেওয়া একটি প্রস্তাবপত্রকে কেন্দ্র করে। অভিযোগ, সংশ্লিষ্ট নথিতে কয়েকজন বিধায়কের স্বাক্ষর নিয়ে অসঙ্গতি ধরা পড়ে। বিধানসভার সচিবের নজরে বিষয়টি আসার পর অভিযোগ দায়ের হয় এবং তদন্তভার পায় সিআইডি। এরপর একাধিক বিধায়ককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। এমনকী তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির লাগোয়া তৃণমূল অফিসেও হানা দিয়েছিলেন সিআইডি আধিকারিকরা।

এর আগে এই মামলায় তৃণমূল বিধায়ক বাহারুল বলেছিলেন, '৬ মে (যেদিন রেজোলিউশন সই হয়) আমি বাড়ি থেকেই বের হইনি। তাহলে আমার সইটা কি ভূতে করল?' প্রসঙ্গত, বিরোধী দলনেতার নাম স্থির করে সম্মতি স্বরূপ সব বিধায়কদের স্বাক্ষর নিয়ে একটি রেজোলিউশন জমা দিতে হয় বিধানসভায়। সম্পূর্ণ বিষয়টি খতিয়ে দেখে সেই রেজোলিউশন বিধানসভার স্পিকার গ্রহণ করলে তবেই বিরোধী দলনেতা তাঁর মর্যাদা পান বিধানসভায়। তবে তৃণমূলের জমা করা রেজোলিউশন ঘিরে শুরু হয় জটিলতা। পরবর্তীতে তৃণমূলের প্রায় ৬০ জন বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরিষদীয় দলনেতা হিসেবে বেছে নেন। এহেন পরিস্থিতিতে দল হাতছাড়া হওয়ার মুখে কালীঘাট।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe