তৃণমূলের অন্দরে ভাঙন ও বিদ্রোহের জল্পনার আবহে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের পাশে দাঁড়িয়ে তীব্র ভাষায় বিদ্রোহী নেতাদের আক্রমণ করলেন মহুয়া মৈত্র। কলকাতায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-র সঙ্গে দেখা করার পর তিনি দলত্যাগী ও বিদ্রোহীদের ‘বিশ্বাসঘাতক’ বলে কটাক্ষ করেন। রিপোর্ট অনুযায়ী, মহুয়া বিদ্রোহী সাংসদদের উদ্দেশে বলেন, ভয় পেয়ে যাঁদের 'প্যান্টে হলুদ দাগ' লেগে গিয়েছে, তাঁরাই দল ছেড়ে অন্য শিবিরে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। যদিও তিনি কারও নাম সরাসরি উল্লেখ করেননি, তাঁর মন্তব্য যে বিদ্রোহী তৃণমূল নেতাদের উদ্দেশেই ছিল, তা রাজনৈতিক মহলের মতে স্পষ্ট।

মহুয়া নিজের পোস্টে লেখেন, '২০২৪ সালে যে সাংসদরা তৃণমূলের টিকিটে জিতেছেন, তাঁদের পাওয়া জনাদেশ কোনও ভাবেই এনডিএ-র পক্ষে ছিল না। প্যান্টে হলদে দাগ লাগা সমস্ত লোভী, স্বার্থান্বেষী, বেইমানরা দয়া করে এবার বিজেপিতে যোগ দিতে পারেন— তবে তার আগে নিজ নিজ আসন থেকে ইস্তফা দিন এবং বিজেপির টিকিটে ফের নির্বাচনে লড়ুন। দেখি আপনারা কত বড় নায়ক!'
একইসঙ্গে তিনি কটাক্ষ করেন বিদ্রোহী সাংসদ ইউসুফ পাঠান-কেও। অমিত শাহের সঙ্গে যোগাযোগ বা ঘনিষ্ঠতার ইঙ্গিত করে তিনি মন্তব্য করেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে ইউসুফ পাঠানকে ঘিরে একাধিক রাজনৈতিক জল্পনা তৈরি হয়েছিল, যদিও তিনি নিজে বিভিন্ন দাবি অস্বীকার করেছেন। পাঠানকে নিয়ে মহুয়া লেখেন, 'ইউসুফ পাঠান, অমিত শাহ ডেকেছেন বলেই আপনি দিল্লি ছুটে যাচ্ছেন? একটু সাহস দেখান। আপনি ভারতের হয়ে খেলেছেন। আমাদের জেলা আপনাকে বিপুল ব্যবধানে জিতিয়েছে। একটু লজ্জা পান এবং নিজের মেরুদণ্ড সোজা রাখুন।'
মহুয়ার এই সব মন্তব্য এমন এক সময়ে এল, যখন তৃণমূলের একাংশের সাংসদ বিদ্রোহ করে এনডিএ-কে সমর্থনের দাবি তুলেছেন বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। বিদ্রোহী গোষ্ঠীর তরফে দাবি করা হয়েছে যে তাঁদের সঙ্গে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক সাংসদ রয়েছেন, যদিও সেই সংখ্যা নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। একদিকে বিদ্রোহী শিবিরের সক্রিয়তা, অন্যদিকে দলীয় নেতৃত্বের প্রতি আনুগত্যের বার্তা— এই দুইয়ের টানাপোড়েনে তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ সংকট আরও প্রকট হয়ে উঠেছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।
{{/usCountry}}মহুয়ার এই সব মন্তব্য এমন এক সময়ে এল, যখন তৃণমূলের একাংশের সাংসদ বিদ্রোহ করে এনডিএ-কে সমর্থনের দাবি তুলেছেন বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। বিদ্রোহী গোষ্ঠীর তরফে দাবি করা হয়েছে যে তাঁদের সঙ্গে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক সাংসদ রয়েছেন, যদিও সেই সংখ্যা নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। একদিকে বিদ্রোহী শিবিরের সক্রিয়তা, অন্যদিকে দলীয় নেতৃত্বের প্রতি আনুগত্যের বার্তা— এই দুইয়ের টানাপোড়েনে তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ সংকট আরও প্রকট হয়ে উঠেছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।
{{/usCountry}}