...
...
Next Story

West Bengal Election 2026: 'কণ্ঠনালি কেটে...,' অ্যাম্বুল্যান্স করে সোজা বুথে, হুইলচেয়ারে বসেই ভোট দিলেন TMC সাংসদ

West Bengal Election 2026: বুধবার বেলায় আরামবাগের ১৩৯ নম্বর বুথে যখন হুইলচেয়ারে বসে তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ প্রবেশ করলেন, তখন সেখানে উপস্থিত সবার চোখেই ছিল বিস্ময়। ভোট দিয়ে বেরিয়েই মিতালি বাগ দাবি করেন, 'কণ্ঠনালি কেটে নিলেও জয় বাংলা বলব।'

Published on: Apr 29, 2026 04:26 PM IST
Advertisement

West Bengal Election 2026: ভাঙা গাড়ি, শরীরে কাচের টুকরো আর একরাশ আতঙ্ক- গত সোমবারের সেই স্মৃতি এখনও টাটকা। কিন্তু শরীরের চোট যে মনের জেদকে দমাতে পারেনি, বুধবার সাতসকালে তা প্রমাণ করে দিলেন আরামবাগের তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ মিতালি বাগ। আরামবাগ মেডিক্যাল কলেজে চিকিৎসাধীন থাকা সত্ত্বেও গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করতে পিছপা হলেন না তিনি। বুধবার শারীরিক অসুস্থতাকে তুচ্ছ করে হাসপাতাল থেকে সরাসরি অ্যাম্বুল্যান্সে করে এসে নিজের ১৩৯ নম্বর বুথে ভোট দিলেন সাংসদ। আর ভোট দেওয়ার পর তিনি বললেন, 'কণ্ঠনালি কেটে নিলেও জয় বাংলা বলব।'

হুইলচেয়ারে বসেই ভোট দিলেন TMC সাংসদ (সৌজন্যে ফেসবুক )
হুইলচেয়ারে বসেই ভোট দিলেন TMC সাংসদ (সৌজন্যে ফেসবুক )

গত সোমবার আরামবাগের গোঘাটে মিতালি বাগের গাড়িতে হামলার ঘটনা ঘটেছিল। ভোটের প্রচারের শেষলগ্নে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভায় যোগ দিতে যাওয়ার পথে তাঁর গাড়ি ভাঙচুর করা হয় বলে অভিযোগ। দুষ্কৃতীদের বাঁশ ও লাঠির আঘাতে গুরুতর জখম হয়েছিলেন তিনি। এরপর থেকে গুরুতর আহত অবস্থায় আরামবাগ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। সাংসদকে দেখতে গিয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের কাউকে ছাড়া হবে না বলে হুঁশিয়ারিও দিয়েছিলেন তিনি। ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ একাধিক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে। এদিন সকাল থেকে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের ১৪২টি আসনে যখন ভোট চলছে, তখন হাসপাতাল থেকে ছুটি পেলেও বাড়ি না গিয়ে গণতন্ত্রের উৎসবে শামিল হওয়াকেই অগ্রাধিকার দেন এই নেত্রী।

চিকিৎসকদের পরামর্শ মেনেই ভোট দিতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন মিতালি বাগ। বুধবার বেলায় আরামবাগের ১৩৯ নম্বর বুথে যখন হুইলচেয়ারে বসে তিনি প্রবেশ করলেন, তখন সেখানে উপস্থিত সবার চোখেই ছিল বিস্ময়। ভোট দিয়ে বেরিয়েই মিতালি বাগ দাবি করেন, 'কণ্ঠনালি কেটে নিলেও জয় বাংলা বলব।' তিনি অভিযোগ করেন, কেন্দ্রীয় বাহিনী সাধারণ মানুষকে ভয় দেখিয়ে বিজেপির হয়ে কাজ করছে। সাংসদ জানান, 'কোনও হিংসা হবে না। নির্বাচন কমিশন বড় বড় কথা বলেছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দমানোর জন্য ১৬টি রাজ্য থেকে বিজেপির নেতারা এসেছেন। হিংসার বার্তা দিয়েছেন তারা।' বিজেপি হিংসা-রক্তের রাজনীতি করে। তাদের থেকে আর কী আশা করা যায়? সেই প্রশ্নও তুলেছেন তিনি। তাঁর কথায়, 'মানুষ ভোট দিচ্ছেন। বিজেপি এজেন্ট দিতে পারছে না।'

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe