...
...
Next Story

TMC New Name and Symbol: জোড়াফুল নয়, নতুন নাম-প্রতীকে লড়াই মমতা ও ঋতব্রত শিবিরের, কে পেল কোন চিহ্ন?

কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির আগামী উপনির্বাচনে ‘মমতা সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস’ নামে লড়বে। তাদের নির্বাচনী প্রতীক হিসেবে বরাদ্দ হয়েছে ‘ফুটবল খেলোয়াড়’ চিহ্ন। অন্যদিকে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরের নাম দেওয়া হয়েছে ‘গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেস’।

Published on: Sep 18, 2026, 14:40:52 IST
Advertisement

তৃণমূল কংগ্রেসের নাম ও প্রতীক নিয়ে দীর্ঘ টানাপোড়েনের আপাতত অবসান ঘটাল নির্বাচন কমিশন। ‘অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস’ নাম এবং দলের পরিচিত ‘জোড়াফুল’ প্রতীক আপাতত ফ্রিজ করার পর দুই শিবিরকেই নতুন নাম ও প্রতীক বেছে নিতে বলা হয়েছিল। সেই প্রক্রিয়া শেষে শুক্রবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন দুই শিবিরের জন্য নতুন নাম ও প্রতীক চূড়ান্ত করে দিয়েছে কমিশন।

কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির আগামী উপনির্বাচনে ‘মমতা সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস’ নামে লড়বে। (ANI Video Grab)
কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির আগামী উপনির্বাচনে ‘মমতা সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস’ নামে লড়বে। (ANI Video Grab)

কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির আগামী উপনির্বাচনে ‘মমতা সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস’ নামে লড়বে। তাদের নির্বাচনী প্রতীক হিসেবে বরাদ্দ হয়েছে ‘ফুটবল খেলোয়াড়’ চিহ্ন। অন্যদিকে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরের নাম দেওয়া হয়েছে ‘গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেস’। তাঁদের নির্বাচনী প্রতীক হয়েছে ‘খাম’। নির্বাচন কমিশনের জ্ঞানেশ কুমারের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ এই সিদ্ধান্ত জানিয়েছে।

এর আগে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছিল, দলের নাম ও প্রতীক নিয়ে দুই পক্ষের বিরোধের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত কোনও পক্ষই ‘অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস’ নাম বা ‘জোড়াফুল’ প্রতীক ব্যবহার করতে পারবে না। আসন্ন উপনির্বাচনের আগে দ্রুত সিদ্ধান্তের প্রয়োজন থাকায় দুই শিবিরকে বিকল্প নাম ও মুক্ত প্রতীকের তালিকা জমা দিতে বলা হয়েছিল। সেই নির্দেশ মেনেই দুই পক্ষ নিজেদের পছন্দের নাম ও প্রতীকের প্রস্তাব পাঠায়।

মমতা শিবিরের পক্ষ থেকে একাধিক বিকল্প নাম প্রস্তাব করা হয়েছিল। তার মধ্যে ‘মমতা সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস’ নামটি শেষ পর্যন্ত কমিশনের অনুমোদন পেয়েছে। প্রতীকের ক্ষেত্রে ‘ফুটবল খেলোয়াড়’ এবং ‘ব্যাট’-এর মতো বিকল্প দেওয়া হয়েছিল বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানানো হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত ফুটবল খেলোয়াড় প্রতীকটি বেছে নিয়েছে কমিশন।

এই সিদ্ধান্তের ফলে তৃণমূলের প্রতিষ্ঠার পর দীর্ঘ সময়ের মধ্যে এবার প্রথম এমন উপনির্বাচন হতে চলেছে, যেখানে ‘অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস’ নাম এবং ‘জোড়াফুল’ প্রতীক থাকবে না। ১৯৯৮ সালে তৃণমূলের পথচলা শুরু হওয়ার পর থেকে জোড়াফুলই ছিল দলের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক পরিচয়। নির্বাচন কমিশনের অন্তর্বর্তী নির্দেশের ফলে ২০২৬ সালের আসন্ন উপনির্বাচনে সেই পরিচিত প্রতীকের পরিবর্তে দুই শিবিরকে সম্পূর্ণ নতুন প্রতীকে ভোটে নামতে হবে।

ইতিমধ্যেই এই প্রতীক-নাম বিতর্কের প্রভাব পড়েছে আসন্ন নির্বাচনী প্রক্রিয়াতেও। নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচনের মনোনয়ন যাচাই পর্ব নিয়েও জট তৈরি হয়েছিল। আনন্দবাজারের প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রতীক সংক্রান্ত সমস্যার কারণে যাচাই-পর্বে নির্বাচন কমিশনকে সময়সীমা বাড়াতে হয়েছে। ফলে নতুন নাম ও প্রতীক চূড়ান্ত হওয়ার সিদ্ধান্ত দুই শিবিরের প্রার্থী ও নির্বাচনী প্রস্তুতির ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

এখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরকে ‘মমতা সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস’ এবং ফুটবল খেলোয়াড় প্রতীক নিয়ে, আর ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরকে ‘গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেস’ ও খাম প্রতীক নিয়ে নির্বাচনী ময়দানে নামতে হবে। তবে মূল নাম ও জোড়াফুল প্রতীক নিয়ে নির্বাচন কমিশনের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি এখনও আলাদা আইনি ও সাংগঠনিক প্রক্রিয়ার বিষয়। আপাতত উপনির্বাচনের জন্য দুই শিবিরের নতুন রাজনৈতিক পরিচয় স্পষ্ট হয়ে গেল।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Notifications

Get breaking alerts directly from the newsroom

Notifications are on!You'll be notified when news breaks