...
...
Next Story

TMC on Abhishek-Sayani Flat Claim: সায়নীর সঙ্গে যৌথ মালিকানায় ফ্ল্যাট অভিষেকের? রিপোর্ট নিয়ে মুখ খুলল তৃণমূল

দলের বক্তব্য, 'আমরা মিডিয়া কভারেজ এবং কেএমসির নোটিস সম্পর্কিত পোস্টগুলি দেখেছি। তাতে তৃণমূলের জাতীয় সাধারণ সম্পাদক এবং মাননীয় সাংসদ শ্রী অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাথে যুক্ত একাধিক সম্পত্তির বিষয় তুলে ধরা হয়েছে, পাশাপাশি অন্যান্য নেতাদের এই বিষয়ে যুক্ত করার চেষ্টা করা হয়েছে।'

Published on: May 20, 2026, 11:32:41 IST
Advertisement

পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাইপো তথা দলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের একাধিক সম্পত্তিতে বেআইনি নির্মাণের অভিযোগ তুলে কলকাতা পুরসভা (কেএমসি) সম্প্রতি নোটিস পাঠিয়েছে। সেই নোটিসের একটি তথাকথিক কপি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। তাতে চরম অস্বস্তিতে পড়েছেন তৃণমূলের সেনাপতি। এই আবহে তৃণমূলের তরফে জানানো হয়েছে, নোটিসটি সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভুয়ো। দলের বক্তব্য, 'আমরা মিডিয়া কভারেজ এবং কেএমসির নোটিস সম্পর্কিত পোস্টগুলি দেখেছি। বিজেপি দাবি করছে, 'অনানুষ্ঠানিকভাবে' এই নোটিস ফাঁস হয়েছে - তাতে তৃণমূলের জাতীয় সাধারণ সম্পাদক এবং মাননীয় সাংসদ শ্রী অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাথে যুক্ত একাধিক সম্পত্তির বিষয় তুলে ধরা হয়েছে, পাশাপাশি অন্যান্য নেতাদের এই বিষয়ে যুক্ত করার চেষ্টা করা হয়েছে। গত কয়েকদিন ধরে যে নোটিস এবং মিডিয়া কভারেজ করা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভুয়ো।

পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাইপো তথা দলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের একাধিক সম্পত্তিতে বেআইনি নির্মাণের অভিযোগ তুলে কলকাতা পুরসভা (কেএমসি) সম্প্রতি নোটিস পাঠিয়েছে। (PTI)
পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাইপো তথা দলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের একাধিক সম্পত্তিতে বেআইনি নির্মাণের অভিযোগ তুলে কলকাতা পুরসভা (কেএমসি) সম্প্রতি নোটিস পাঠিয়েছে। (PTI)

উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক রিপোর্টে দাবি করা হয়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি ফ্ল্যাটের যৌথ মালিক হিসেবে নাকি নাম রয়েছে সায়নী ঘোষের। খবরের চ্যানেল জি ২৪ ঘণ্টার রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, কলকাতা পুরসভার তথ্য অনুযায়ী, ১৯ডি সেভেন ট্যাঙ্ক রোড-এর একটি ফ্ল্যাটের যৌথ মালিকানা রয়েছে অভিষেক এবং সায়নী ঘোষের। এই নিয়ে নিয়ে সম্প্রতি জোর চর্চা শুরু হয়েছে। উল্লেখিত ঠিকানার সম্পত্তির মালিক হিসেবে তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম রয়েছে। এবং নথি অনুযায়ী, ফ্ল্যাটটির যৌথ মালিকানা (জয়েন্ট প্রোপাইটার) রয়েছে নেত্রী সায়নী ঘোষের নামে। এই সংক্রান্ত একটি নথি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরালও হয়েছে। এই আবহে প্রশ্ন উঠে এসেছে, এই 'সায়নী ঘোষ' কি তৃণমূল সাংসদ সায়নী ঘোষ?

উল্লেখ্য, কলকাতা পুরসভার তরফ থেকে নোটিস পাঠানো হয় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। তাঁর বাড়ির সব নির্মাণ বৈধ কি না, তা জানতে এই নোটিস পাঠানো হয়েছে। এই আবহে প্রয়োজনীয় নথিপত্র নিয়ে পুরসভায় হাজির হতে বলা হয়েছে অভিষেককে। বিল্ডিং বিভাগের আইনের ৪০১ ধারায় এই নোটিসটি পাঠানো হয়েছে। এর আগে সম্প্রতি ফলতায় প্রচারে গিয়ে অভিষেকের সম্পত্তির পরিমাণ নিয়ে শুভেন্দু অধিকারী তোপ দেগেছিলেন। এরপরই কলকাতা পুরসভার তরফ থেকে অভিষেকের কাছে গেল নোটিস। জানা গিয়েছে, হরিশ মুখার্জি রোডের একটি বাড়ি ছাড়াও কালীঘাট মোড়ের একটি বহুতল ভবন নিয়েও নোটিস পাঠানো হয়েছে। এছাড়া আরও ১৫টি সম্পত্তিতে এই ধরনের নোটিস পাঠানো হয়েছে। তারই মধ্যে রয়েছে সেভেন ট্যাঙ্ক রোডের সেই ফ্ল্যাটটি। যদিও তৃণমূল দাবি করেছে, যে তালিকা সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘোরাফেরা করছে, তা সম্পূর্ণ ভুয়ো।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe